The post এক ঝলকে দেখে নিন 1G থেকে 5G মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং টেকনোলজির পরিবর্তনের দীর্ঘ সফর first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>মোবাইল ইউজারদের জন্য ইতিমধ্যেই 5G পাওয়া অনেক সহজ হয়ে গেছে। Realme, Xiaomi, Samsung এবং OPPO, VIVO সহ ভারতীয় মার্কেট উপস্থিত প্রায় সমস্ত মোবাইল ব্র্যান্ড তাদের 5G স্মার্টফোন লঞ্চ করেছে। সাধারণ মানুষের কাছে এই 5G ফোনগুলির অ্যাক্সেস সহজ করার জন্য, 12 হাজার পর্যন্ত বাজেটে সস্তা 5G মোবাইল চালু করা হয়েছে এবং এখন তারা 5G নেটওয়ার্ক চালু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে মোবাইল এবং নেটওয়ার্ক টেকনোলজি 5G-তে পৌঁছানোর জন্য কি কি পর্ব অতিক্রম করেছে? আজ আমরা আমাদের পাঠকদের সামনে 1G থেকে 5G এই যাত্রাটি খুব সহজ ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব। নিম্নলিখিত পয়েন্টগুলিতে, আপনি 1G, 2G, 3G এবং 4G থেকে 5G পর্যন্ত Mobile এবং Wireless Communication এ কি কি পরিবর্তন এসেছে তা বুঝতে পারবেন৷
মোবাইল ফোনের প্রাথমিক পর্যায় ছিল 1G, যা 1980-এর দশকে সামনে এসেছিল। তখন অবশ্য মানুষ নিজেরাও ভাবেনি যে তারা যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে তা ভবিষ্যতে 1G নামে পরিচিত হবে। আপনাদের অনেকেরই হয়তো মনে আছে বা আপনারা সিনেমায় দেখে থাকবেন যে তখনকার দিনে লম্বা অ্যান্টেনা সহ মোবাইল ফোন ব্যবহার করা হত। সেগুলো ছিল প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন। 1G মোবাইল ফোনের টেলিকমিউনিকেশন স্পিড ছিল 24kb/s অর্থাৎ 24 কিলোবাইট প্রতি সেকেন্ডে।

যদিও সেই সময় স্পিড খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, কারণ তখন মানুষের চাহিদা এমন ছিল না। কিন্তু কম স্পীড ছাড়াও এই প্রজন্মের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ছিল সেই ফোন থেকে কোনো মেসেজ করা যেত না। এই প্রযুক্তিতে ডিজিটাল নয় শুধু এনালগ কাজই সম্ভব ছিল। ফোনে শুধুমাত্র এনালগ সিগন্যাল আদান-প্রদান করা হতো এবং এর সাহায্যে ভয়েস কলিং করা হতো। এই ফোনে কোনো SMS ছিল না।
1990-এর দশকে এন্ট্রি নিয়েছিল 2G। এই প্রযুক্তির সাহায্যে, স্পিড বৃদ্ধি করা হয়েছিল, যা 64kb/s অর্থাৎ 64 কিলোবাইট প্রতি সেকেন্ডে পৌঁছেছিল। যদিও এই স্পিডকেও খুব বেশি বলা হবে না, তবে এই প্রজন্মের বিশেষত্ব ছিল, এই প্রজন্মে যুক্ত হয়েছিল মেসেজ। 2G এর মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ভয়েস কলের পাশাপাশি মেসেজ এর প্রচলন শুরু হয়েছিল।

2G এর সময় চালু হয়েছিল SMS। এটিই সেই সময় ছিল, যখন একটি মেসেজের জন্য 3 টাকা পর্যন্ত চার্জ করা হত এবং শব্দের সীমাও ছিল। 2G এর যুগ মোবাইল ফোনকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছিল এবং মানুষজন পকেটে ফোন নিয়ে হাঁটতে শুরু করেছিল। সেই সময় ফোনে ছবি আদান-প্রদান শুরু হলেও ট্রান্সফার এর স্পিড ও মিডিয়ার মান ছিল বেশ কম।
মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্মের নেটওয়ার্ক গতি কিলোবাইট থেকে মেগাবাইটে পৌঁছে গেছিল। 2003-2004 সালে, 3G এর প্রবেশ সম্পূর্ণ হয় এবং এর সাথে মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফোনের সূচনা হয়। অর্থাৎ এই প্রজন্ম ভয়েস কলিং ও SMS কে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছে। যখন 3G এসেছিল, তখন মোবাইল ফোনগুলি 2mb/s পর্যন্ত স্পিড পেতে শুরু করেছিল।

3G তে ফোনে কথা বলা ও মেসেজ করার পাশাপাশি ইন্টারনেটও ব্যবহার করা হচ্ছিল। সেই সময় Facebook এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ইউটিউবের মতো ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ সদ্য মার্কেটে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেছিল। কিন্তু কম ইন্টারনেট স্পিডের কারণে ইউটিউবের মতো পরিষেবাগুলিকে বাফারিংয়ের মুখোমুখি হতে হত এবং এর জন্য, HHPA+ এবং HHSPA Turbo-এর মতো ভার্সনগুলিও চালু করা হয়েছিল, তার পরে স্পিড 42 Mbps এ পৌঁছেছিল।
3G-এর স্পিড আরও ত্বরান্বিত করার জন্য, 2009 সাল নাগাদ, 4G মার্কেটে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল। এই যুগে মোবাইল ফোন কম্পিউটারের সমান এবং ফোন স্মার্টফোনে পরিণত হয়েছে। এই প্রজন্মের সাথে যুক্ত হয়েছে এবং 4G LTE এবং 4G VoLTE। এই সময় ফোনে ভয়েস কল, SMS এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের পরে, মোবাইল ফোনে ভিডিও কলিং শুরু হয়।

প্রাথমিকভাবে, যেখানে অ্যানালগ সিগন্যালে কল করা হত, সেখানে 4G ইন্টারনেট ব্যান্ডেও ভয়েস কল শুরু হয়েছিল। 4G নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটের স্পিড বেড়েছে 100mb/s অর্থাৎ 100Mbps। 4G কে মোবাইল টেকনোলজিসর সবচেয়ে বড় উন্নয়ন বলা যেতে পারে কারণ স্মার্টফোন ভবিষ্যতের জন্য অনেক পথ খুলে দিয়েছে। 4G যুগে মোবাইল ফোনের মাল্টি-ডিভাইস কানেকশনও সম্ভব হয়েছে। এখন আমরা 4G ফোন ব্যবহার করছি, বর্তমানে 4G এর সর্বোচ্চ স্পিড 600mbps।
বিশ্বে 5G পরিষেবা শুরু হয়ে গেছে এবং ভারতেও এর ট্রায়াল শুরু হয়ে গেছে। ভারতে ইতিমধ্যেই 5G ফোন পাওয়া যাচ্ছ তবে 5G নেটওয়ার্ক এর জন্য আগামী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। 5G-তে ইন্টারনেটের স্পিড মেগাবাইট থেকে গিগাবাইটে বাড়তে চলেছে এবং এটি 1gbps অর্থাৎ 4G এর চেয়ে 100 গুণ বেশি ইন্টারনেট স্পিড পাবে।

5G টেকনোলজি শুধুমাত্র মোবাইল ফোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাল্ব, ফ্যান, ফ্রিজ এবং গাড়িও 5G এর সাথে কানেকটেড থাকবে। 5G-তে, IoT-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে এবং এই টেকনোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে যে সমস্ত যন্ত্রপাতি এবং ডিভাইসগুলি একে অপরের সাথে কানেক্টেড থাকবে। অন্য কোনো শহর থেকে ফোনে কোনো কমান্ড দিলেও আপনার বাড়িতে রাখা সেই জিনিসই কাজ করবে। অর্থাৎ দিল্লিতে বসে ফোনে বাল্ব অন করলে ইউপির বাড়িতে বসানো বাল্ব জ্বলে যাবে। 5G-এর মাধ্যমে, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কারখানা, মল, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং হোটেলের মতো জায়গায় সমস্ত সিস্টেম একে অপরের সাথে কানেক্টেড হতে পারবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post এক ঝলকে দেখে নিন 1G থেকে 5G মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং টেকনোলজির পরিবর্তনের দীর্ঘ সফর first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post 5G আসার জন্য প্রস্তুত কিন্তু তার পরেও ভাল মানের 4G internet Speed এর জন্য আকুল ভারতীয়রা first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>দেশের অনেক এলাকা থেকে এমন তথ্য উঠে আসছে যে তাদের এলাকায় 4G ইন্টারনেটের স্পিড খুবই কম। কিছু মানুষ 91mobiles-এর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে মন্তব্যের মাধ্যমে তাদের সমস্যাগুলি প্রকাশ করছে এবং Jio, Airtel এবং Vi-এর মতো টেলিকম সংস্থাগুলিকে 4G নেটওয়ার্ক উন্নত করার জন্য দাবি করছে। অনেক মোবাইল ইউজারদের বক্তব্য যে তাদের 4G ফোনে ইন্টারনেট 3G এর থেকেও কম স্পিডে চলে। একদিকে যেখানে কল ড্রপ এবং সিগন্যাল না পাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়, অন্যদিকে ব্যয়বহুল 4G প্ল্যান নেওয়া সত্ত্বেওর তারা সন্তোষজনক
ইন্টারনেটের স্পিড পাচ্ছেন না।
আদর্শ 4G ইন্টারনেট স্পিডের কথা বলতে গেলে, গোটা বিশ্বে এর একটি স্ট্যান্ডার্ড সেট করা হয়েছে যে 4G LTE তে ডাউনলোডের স্পিড 150Mbps এবং আপলোড স্পিড 50Mbps পর্যন্ত হওয়া উচিত। একইভাবে, 4G LTE-Advanced-এ, গড় ডাউনলোড স্পিড 300Mbps হওয়া উচিত এবং গড় ডাউনলোড স্পিড 150Mbps পর্যন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন যে যখন আমরা ভারতের রাজধানী দিল্লির দ্বারকার মতো এলাকায় বসে ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করেছিলাম, তখন আমরা 4.24 Mbps ডাউনলোড স্পিড পেয়েছি এবং ফোন নিজেই আপলোড স্পিড টেস্ট ট্র্যাক করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা Airtel Postpaid সিম এ এই টেস্টটি করেছি এবং মোবাইলটি ছিল iPhone 11!
TRAI অর্থাৎ টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া 2022 সালের এপ্রিলের লেটেস্ট ডেটা ভাগ করেছে, যেখানে তিনটি বেসরকারী টেলিকম কোম্পানি Jio, Airtel এবং Vi-এর ইন্টারনেট স্পিডের বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে এপ্রিল মাসে, রিলায়েন্স জিও 23.1Mbps এর গড় ডাউনলোড স্পিড পেয়েছিল যা মার্চ মাসে 21.1Mbps ছিল। এই রিপোর্টে, Jio কে ভারতের ফাস্ট ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা অন্যান্য মোবাইল টেলিকম কোম্পানিগুলোর তুলনায় সবথেকে ফাস্ট।
TRAI-এর রিপোর্ট অনুসারে, ভোডাফোন এবং আইডিয়া যুক্ত হয়ে তৈরি Vi-এর গড় ডাউনলোড স্পিড এপ্রিল মাসে 17.7Mbps অনুমান করা হয়েছে। এয়ারটেল নেটওয়ার্কে এই গড় ডাউনলোড স্পিড 14.1Mbps হিসাবে রিপোর্ট করা হয়েছে এবং দেশের সরকারী নেটওয়ার্ক BSNL-এ এর গড় ডাউনলোড স্পিড 5.9Mbps। কাগজে কোন কোম্পানী ইন্টারনেট স্পিড দিচ্ছে সেটা আমরা আপনাদের জানালাম, তবে বাস্তবটা আসলে কি, সেটা মোবাইল ইউজারদের থেকে ভালো কেউ বিচার করতে পারবে না।
আপনি যদি জানতে চান যে আপনার এলাকায় আপনার নেটওয়ার্ক অপারেটর কত ইন্টারনেট স্পিড দেয়, তাহলে নিম্নলিখিত স্টেপ গুলো অনুসরণ করুন :-
1. প্রথমে আপনার ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজার খুলুন।
2. ওয়েব ব্রাউজারে Internet Speed Test টাইপ করে সার্চ করুন।
3. সার্চ শেষ হওয়ার পরে, আপনি Run Speed Test লেখা দেখতে পাবেন, এটিতে ক্লিক করুন।
4. আপনি Run Speed Test এ ক্লিক করলেই আপনার ফোনে টেস্টিং শুরু হবে।
5. প্রথমে Mbps ডাউনলোড সম্পূর্ণ হবে এবং তার পরে Mbps আপলোড করা হবে।
এই ইন্টারনেট স্পিড টেস্টটি Google এর Measurement Lab (M-Lab) এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে করা হয়। এই টেস্টটি সম্পূর্ণ হতে প্রায় 30 সেকেন্ড সময় লাগে। এই 30 সেকেন্ডের মধ্যে, আপনার ফোন এবং নেটওয়ার্ক কানেকশনে কত ডেটা খরচ হয়েছে তা হিসেব করে ইন্টারনেটের স্পিড নির্ধারণ করা হয়। মনে রাখবেন যে আপনার ফোনে ইন্টারনেটের স্পিড পরীক্ষা করার আগে, Wi-Fi বন্ধ করা প্রয়োজন, তবেই এটি আপনার টেলিকম অপারেটরের স্পিড পরিমাপ করতে পারবে। এই পরীক্ষাটি আপনার ফোনের পাশাপাশি ট্যাবলেট, ল্যাপটপ এবং কম্পিউটার সব জায়গাতেই পরীক্ষা করা যেতে পারে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post 5G আসার জন্য প্রস্তুত কিন্তু তার পরেও ভাল মানের 4G internet Speed এর জন্য আকুল ভারতীয়রা first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post Jio-Airtel-কে কুপোকাত করতে প্রস্তুত BSNL, এই তারিখে BSNL লঞ্চ করতে চলেছে 4G এবং 5G first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>পিটিআইয়ের একটি নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, 2023 সালে BSNL ভারতে তাদের 5G পরিষেবা চালু করতে পারে। একই সময়ে, 2022-এর জন্য, কোম্পানি তার 4G নেটওয়ার্কে ফোকাস করবে। রাষ্ট্র পরিচালিত টেলকো দেশীয় 4G নেটওয়ার্ক চালু করার লক্ষ্য রাখছে বলে জানা গেছে। কোম্পানি ইতিমধ্যেই C-DoT (সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ টেলিমেটিকস) এবং TCS (টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস) এর সাথে অংশীদারিত্বে একটি নেটিভ 4G কোর তৈরি করেছে।
বলা হচ্ছে যে কোম্পানি 4G কোরে 5G লঞ্চ করতে পারে, অর্থাৎ ভারতে 5G পরিষেবা চালু করতে 5G NSA প্রযুক্তির সুবিধা নেবে। কিন্তু, BSNL এর জন্য এটি করতে সক্ষম হওয়ার জন্য, দেশে 4G পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তাই বিলম্ব।
কয়েক মাস আগে, মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে 15 আগস্ট নন-স্ট্যান্ডঅ্যালোন (NSA) মোডে 5G নেটওয়ার্ক চালু করা যেতে পারে। এর সাথে, ব্যবহারকারীদের এন্ড-টু-এন্ড 5G নেটওয়ার্ক ছাড়াই 5G পরিষেবা দেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
BSNL এবং Tata Consultancy Services (TCS) যৌথভাবে 4G পরিষেবা পেশ করতে চলেছে। এই প্রথম 4G পরিষেবার জন্য ভারতীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। বিএসএনএল-এর ডিরেক্টর সুশীল কুমার মিশ্র এ তথ্য জানিয়েছেন। আমরা আপনাকে বলে দিই, যে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার টেলিকম সেক্টরে 100 শতাংশ বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) অনুমোদন করেছে। এর সাথে, সরকার স্পেকট্রাম চার্জ এবং এজিআর বকেয়াতে টেলিকম সংস্থাগুলিকে 4 বছরের স্থগিতাদেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post Jio-Airtel-কে কুপোকাত করতে প্রস্তুত BSNL, এই তারিখে BSNL লঞ্চ করতে চলেছে 4G এবং 5G first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post সোনায় সোহাগ BSNL এর! 44,720 কোটি টাকার সাহায্যের আশ্বাস সরকারের, এবার Jio-Airtel কে দেবে কড়া টক্কর first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>কেন্দ্রীয় বাজেট 2022-এ, কেন্দ্রীয় সরকার 2022-23 আর্থিক বছরে BSNL-কে 44,720 কোটি টাকার সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। ABP News এ বাজেট নথির ভিত্তিতে জানানো হয়েছে যে কেন্দ্রীয় সরকার BSNL -এ 44,720 কোটি টাকার মূলধন যোগাবে। BSNL কোম্পানি এই অর্থ 4G পরিষেবা বিস্তারের জন্য ব্যবহার করবে যাতে সারা দেশে BSNL-এর 4G পরিষেবা পাওয়া যায়। এই অর্থ প্রযুক্তির মান উন্নয়ন ও পুনর্গঠনেও ব্যবহার করা হবে।

তবে শুধু 44,720 কোটি টাকাই নয় এর পাশাপাশি সরকারের থেকে VRS অর্থাৎ স্বেচ্ছাসেবী অবসর প্রকল্পের জন্য 3300 কোটি টাকাও পাবে BSNL। VRS স্কিমের জন্য মোট 7443.57 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা BSNL এবং MTNL উভয় সরকারি টেলিকম কোম্পানির কর্মীদের জন্য দেওয়া হবে। একই সময়ে, GST-এর জন্য BSNL-কে অতিরিক্ত 3550 কোটি টাকা প্রদান করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া এই সাহায্য BSNL-এর জন্য খুবই লাভজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, 2019 সালের অক্টোবর মাসে লোকসানে ঘিরে থাকা সরকারি টেলিকম সংস্থা BSNL কে সরকারের তরফে 69000 কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য করা হয়েছিল। এরপর গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে BSNL 40,000 কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের জন্য অনুরোধ করেছিল। নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ না করার কারণে BSNL ক্রমাগত তার গ্রাহকদের হারাচ্ছে। সারা দেশে যখন Jio, Airtel এবং Vi-এর মতো সংস্থাগুলি দেশে 5G- পরিষেবা চালু করার দিকে এগোচ্ছে তখন BSNL গ্রাহকরা এখনও 4G-পরিষেবাই ঠিক মতো পাচ্ছেন না।

বর্তমানে Jio, Airtel এবং Vi-এর গ্রাহক সংখ্যা BSNL এর তুলনায় অনেক বেশি। কিছুদিন আগেই বেসরকারী সংস্থাগুলি তাদের মোবাইল রিচার্জ প্ল্যানগুলিকে ব্যয়বহুল করেছে, যেখানে BSNL অনেক সস্তা রিচার্জ প্ল্যানের অফার দিয়ে গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে৷ কিন্তু তার পরেও BSNL-এ সেই অনেক সুবিধার অভাব রয়েছে যা Reliance Jio, Airtel, Vi তে নেই। যার মধ্যে অন্যতম হল 4G পরিষেবা।
এছাড়াও BSNL কোম্পানি তাদের নেটওয়ার্ক, কভারেজ, স্পেকট্রাম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি জোগাড় করতে পারছে না। অন্যদিকে, BSNL কর্মীদের শিথিল মনোভাবের জন্যও সাধারণ মানুষ বিরক্ত। বিভিন্ন এলাকা থেকে খবর পাওয়া যায় যে টাওয়ার, সার্ভার ও তারের সমস্যার পরে দীর্ঘ সময় কর্মীরা সেটা দেখতে আসে না। BSNL কোম্পানি যদি এই সব দিক গুলোর উপর গুরুত্ব দেয় এবং পরিষেবার মান আরও উন্নত করে, তাহলে অনেকেই Jio, Airtel এবং Vi ছেড়ে BSNL এর গ্রাহক হয়ে যাবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post সোনায় সোহাগ BSNL এর! 44,720 কোটি টাকার সাহায্যের আশ্বাস সরকারের, এবার Jio-Airtel কে দেবে কড়া টক্কর first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post 5G-6G নয়, প্রথমে 4G নেটওয়ার্ক উন্নত করুন, এটি প্রতিটি ব্যবহারকারীর দাবি first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>আমরা আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই ধরনের বার্তা এবং মন্তব্য পেয়েই থাকি। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে, আমরা ভারতীয় টেলিকম পরিষেবা নিয়ে অনেক খবর করেছি এবং যখনই এমন কোনও খবর আসে, ব্যবহারকারীদের মন্তব্য হয় যে ব্যবহারকারীদের যে পরিষেবাটি দেওয়া হচ্ছে তা আগে উন্নত করা উচিত এবং তারপরে 5G বা 6G পরিষেবার জন্য পরিকল্পনা করা উচিত।

যাইহোক, প্রথম থেকেই মোবাইল ব্যবহারকারীরা এমন মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু যখন থেকে বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা Airtel, Jio এবং Vodafone Idea তাদের শুল্কের হার বাড়িয়েছে, তখন থেকে এই চাহিদা আরও বেড়েছে। বিহার হোক বা উত্তরপ্রদেশ, উড়িষ্যা বা বাংলা, মহারাষ্ট্র বা রাজস্থান, সর্বত্রই ব্যবহারকারীরা মন্তব্য করছেন যে তাদের 5G পরিষেবা বা 6G পরিষেবা নিয়ে পরে কথা বলা উচিত, আগে 4G পরিষেবাটি সঠিকভাবে এবং সর্বত্র গ্রাহকদের নেটওয়ার্ক প্রদান করা হোক।
তবে ব্যবহারকারীদের এই চাহিদার পেছনে অন্য কারণও আছে। 5G পরিষেবা হোক বা 6G, তারা জানে ছোট শহর এবং দূরবর্তী এলাকায় নেটওয়ার্ক সমস্যা হবে। কারণ যখন 2G পরিষেবা ছিল তখনও এবং এখন 3G আবার এখন 4G পরিষেবার পরেও তাদের এলাকায় নেটওয়ার্কের কোন উন্নতি নেই। হ্যাঁ! একটা ব্যাপার অবশ্যই ঘটেছে যে গত দুই বছরে দুইবার শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এমতাবস্থায় সার্ভিস আপগ্রেডের নামে অপারেটররা অবশ্যই চার্জ বাড়াবে কিন্তু নেটওয়ার্কের অবস্থা আগের মতোই থাকবে। এজন্য ব্যবহারকারীরা দাবি করছেন যে প্রথমে 4G নেটওয়ার্ক সঠিকভাবে চালান এবং তারপর 5G এবং 6G নিয়ে কথা বলুন।
যাইহোক, আমি আপনাকে বলে রাখি যে যদিও ব্যবহারকারীরা ব্যয়বহুল পরিষেবার কারণে 5G এর পরিবর্তে 4G পরিষেবা সংশোধন করার দাবি করছেন, টেলিকম সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে বলেছে যে ট্যারিফের হার আরও বাড়বে। সম্প্রতি সুনীল ভারতী মিত্তল, ভারতী এয়ারটেলের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান বলেছেন যে তারা ইউজারদের ARPU অর্থাৎ অ্যাভারেজ রেভেনিউ পার ইউজার বাড়াতে চান এবং আগামী দিনে এটিকে 600 টাকায় নিয়ে যেতে চান। এর মাধ্যমে আপনি স্পষ্ট বুঝতে পারছেন, যে ভারতীয় মোবাইল পরিষেবায় শুল্কের হার কতটা বাড়তে চলেছে।

শুধু তাই নয়, সম্প্রতি মুকেশ আম্বানি একটি বিবৃতি দিয়েছেন যে বর্তমানে, Jio-এর ARPU 151.6 টাকায় এসেছে এবং আগামী দিনে এটি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বুঝতেই পারছেন দেশের সবচেয়ে বড় দুই মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানি যখন এমন বক্তব্য দিয়েছে, তখন শুল্কের হার কতদূর বাড়তে পারে।
ARPU মানে অ্যাভারেজ রেভেনিউ পার ইউজার।অর্থাৎ প্রতি ইউজারের থেকে কোম্পানি কত টাকা পাচ্ছে। যেমন অনেক ব্যবহারকারী মাসে 100 টাকা খরচ করেন এবং অনেকে 500 টাকাও খরচ করেন। এই সব যোগ করে, ব্যবহারকারী অনুযায়ী গড় গণনা করা হয় এবং তা হল ARPU। বর্তমানে, ARPU ভারতে প্রায় 150 থেকে 160 টাকা হলেও আগামী দিনে এটি আরও বেশি হতে চলেছে।

বিশ্বের 60টিরও বেশি দেশে 5G পরিষেবা চালু হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতেও এ বছর আসার কথা রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বলা যেতে পারে যে Jio ও 6G এর ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। বিশ্ব মঞ্চের দিকে তাকালে আমরা 5G-নেটওয়ার্কের জন্য একটু দেরি করে ফেলেছি। একই সঙ্গে এখন থেকে 6G-এর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে, এটা ভালো কথা। এক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে নেই। কিন্তু 4জি পরিষেবা চালুর ৬ বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা যদি বিশ্বজুড়ে 4G র্যাঙ্কিং দেখি, তাহলে ভারত 115 তম অবস্থানে রয়েছে। আপনি যদি speedtest.net/global-index দেখেন, এখানে 4G-এর গড় স্পীড হল 14.7 mbps, যা 3G-এর সর্বোচ্চ গতির অর্ধেকেরও কম৷ 3G পরিষেবাতে 42mbps গতির তথ্যটি HSDPA Turbo পরিষেবার মাধ্যমে পাওয়া গেছে। কিন্তু ভারতে আমরা G-তে 15mbps স্পর্শ করতে পারছি না।
তবে শহরগুলোতেগ এই গতি দেখা যাচ্ছে। অন্যথায়, গ্রামে, আমাদের এখনও ছাদে কথা বলতে হয় এবং ইউটিউব বাফারিং ছাড়া চলে না। এমতাবস্থায় ব্যবহারকারীরা যা খরচ করছেন তাও বৃথা যাচ্ছে।
আপনি যদি এই সমস্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করেন তবে আপনি এই ব্যবহারকারীদের চাহিদা একেবারে সঠিক দেখতে পাবেন। 5G নিয়ে কি করবেন যখন 4G নেটওয়ার্কও ঠিকমতো পাচ্ছেন না। 5G-এর নামে পরিষেবা ব্যয়বহুল করার চেয়ে 4G নেটওয়ার্ক উন্নত করা এবং ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দেওয়া ভাল।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post 5G-6G নয়, প্রথমে 4G নেটওয়ার্ক উন্নত করুন, এটি প্রতিটি ব্যবহারকারীর দাবি first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post এয়ারটেল এবং ভোডাফোনকে পিছনে ফেলে এবার একলাফে 6G তে Jio! first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>20 জানুয়ারি Reliance Jio এবং University of Oulu মধ্যে একটি বড় চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে, এই দুটি সংস্থা এখন যৌথভাবে 6G প্রযুক্তির পথ নিয়ে গবেষণা করবে এবং 6G technology Standardisation এর জন্য একসঙ্গে কাজ করবে। কোম্পানির মতে এই জোটবদ্ধতার ফলে যেমন ডিজিটাল সুযোগগুলির আরও সম্প্রসারণ ঘটবে, তেমনি বিদ্যমান 5G প্রযুক্তিকে আরও আপগ্রেড করবে।

Reliance গ্রুপের ইউনিট Jio Estonia এবং University of Oulu র মধ্যে হওয়া এই অংশীদারিত্বের পরে এটা মনে করা হচ্ছে যে Aerial and Space Communication, Holographic Beamforming, 3D Connected Intelligence in Cybersecurity, Microelectronics, এবং Photonics এ উন্নয়ন দেখা যাবে, যা সমগ্র বিশ্বকে উপকৃত করবে।
এই চুক্তির পরে, উভয় সংস্থার প্রচেষ্টা হবে কীভাবে 6G টেকনোলজি defence, automotive, white goods industrial machinery consumer goods, efficient manufacturing, novel personal smart device environment এর পাশাপাশি , urban computing এবং autonomous traffic settings এর ক্ষেত্রেও সহায়ক হতে পারে।

Jio-এর কাছে বর্তমানে 400 মিলিয়ন অর্থাৎ ভারতে 40 কোটিরও বেশি গ্রাহক রয়েছে। এবং এই কারণে, Reliance Jio র কাছে ইতিমধ্যেই এত বিশাল জনসংখ্যার কাছে বিপুল পরিমাণ ডেটা ট্রান্সমিট করার প্রযুক্তি এবং পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। রিলায়েন্স জিও ইতিমধ্যেই 5G-এর জন্য অনেক প্রযুক্তিগত পরীক্ষা করেছে এবং এখন Jio-এর এই প্রযুক্তিটি 6G-এর জন্যও কার্যকর হতে চলেছে। Oulu ইউনিভার্সিটির সাথে এই অংশীদারিত্বের পরে, উভয় সংস্থার যোগ্যতা 5G চালু করা থেকে 6G-এর উন্নয়নে কাজে আসবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post এয়ারটেল এবং ভোডাফোনকে পিছনে ফেলে এবার একলাফে 6G তে Jio! first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post ব্যায়বহুল 5G পরিষেবা চান না ভালো 4G নেটওয়ার্ক! ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি বড় প্রশ্ন first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>আরও পড়ুন: সুযোগের সদ্ব্যবহার করুন! ইলেকট্রিক গাড়ি কিনলে এই রাজ্যে পাওয়া যাবে 2.5 লক্ষ টাকা ছাড়
গত বছরই, ভারতে 5G পরিষেবার ট্রায়ালের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল MTNL সহ প্রায় সমস্ত ব্যক্তিগত মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারীকে, যার মধ্যে আছে Jio, Airtel এবং Vodafone Idea । সেখানে বলা হয়েছিল যে কোম্পানি সমস্ত মেট্রো শহর ছাড়াও, গ্রামীণ ভারতেও 5G ট্রায়াল করা উচিত, যাতে সর্বত্র আরও ভাল পরিষেবা দেওয়া যায়। একই সঙ্গে সম্প্রতি ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশন এর তরফে (DOT) নতুন বছরে 5G পরিষেবা আনার ঘোষণা করা হয়েছে । সংস্থার তরফে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে ভারতে প্রথম 5G পরিষেবা শুরু হবে জামনগর, আহমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, চেন্নাই, দিল্লি, গান্ধীনগর, গুরুগ্রাম হায়দ্রাবাদ, কলকাতা, লখনউ, মুম্বাই এবং পুনেতে। এই অবস্থায়, এটা স্পষ্ট যে 2022 সালে আমরা ভারতে 5G পরিষেবা ব্যবহার করতে পারব। তবে সেটা কবে থেকে শুরু হবে এবং বাকি জায়গায় কবে আসবে তা স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়নি।

এটা তো পরিষ্কার যে নতুন বছরে ভারতে 5G পরিষেবা চালু হয়ে যাবে, কিন্তু এখন যেসব জিনিসগুলো সামনে এসেছে তা থেকে এটা স্পষ্ট যে আপনি এই পরিষেবাটি সারা ভারতে একসাথে দেখতে পাবেন না। এটি শুধুমাত্র কয়েকটি নির্বাচিত জায়গায় থাকবে এবং সেখানেও নেটওয়ার্ক এরিয়া খুব সীমিত হবে। অর্থাৎ, পুরো শহরেও পাওয়া যাবে এমনটা নয়। কারণ এই ধরনের পরিস্থিতি আমরা আগেও দেখেছি। যখন এয়ারটেল এবং VOdafone তাদের 4G পরিষেবা শুরু করেছিল, সেই সময়ে এটি খুব ছোট পরিসরে চালু হয়েছিল। এটি বড় শহর থেকে শুরু হয়েছিল কিন্তু সেখানেও পুরো এলাকায় 4G নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি। এই কারণেই Jio তার পরিষেবা চালু করেছিল এবং কোম্পানি গোটা ভারতে 4G পরিষেবা শুরু করেছিল এবং চাপের মধ্যে পরায় অন্যান্য মোবাইল নির্মাতাদেরও একই কাজ করতে হয়েছিল। Jio-এর কারণেই ব্যবহারকারীদের 4G পরিষেবার খরচও কমেছে। অন্যথায় 4G এর নামে মোটা চার্জ নেওয়া হচ্ছিল এবং 2013-14 সালে 4G নেটওয়ার্ক চালু হওয়া সত্ত্বেও 2016 সাল পর্যন্ত এই সংস্থাগুলির 4G পরিষেবা সারা দেশে উপলব্ধ ছিল না। শুরুতে 5G এর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হতে চলেছে।
আরও পড়ুন: 50MP ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা ও Snapdragon 680 চিপসেটসহ ভারতে লঞ্চ হতে চলেছে Vivo Y21T
যখন বড় মঞ্চে কথা ওঠে, তখন ভারতে গ্রামগুলিকে স্বর্গ বানানোর স্বপ্ন দেখানো হয়, এবং 5G পরিষেবার ক্ষেত্রেও এই একই জিনিস ঘটছে। বলা হচ্ছে সারা ভারতে 5G পরিষেবা থাকবে। কিন্তু কেমন অবস্থা হবে সেটা তো আপনারাও জানেন । জিও হোক বা এয়ারটেল বা ভোডাফোন, যাই হোক না কেন, আজও গ্রামে এবং ছোট শহরে তাদের নেটওয়ার্কের অবস্থা খারাপ। 4G কথা বলা হলেও সেখানে 2G এবং 3G স্পিডের পরিষেবা থাকে। আমাদের অনেক ব্যবহারকারী ফেসবুক এবং ওয়েবসাইটে এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে এই জায়গাগুলোতে 5G নিয়ে কথা বলা আপাতত অপ্রাসঙ্গিক হবে।

ভারত আসলে গ্রামের দেশ এবং এর জনসংখ্যার 70 শতাংশ গ্রামে বাস করে, তাই ভারতের উন্নয়নের জন্য, আমাদের প্রথমে গ্রামীণ ভারতের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। আমরা ছোটবেলা থেকেই এসব পড়ে আসছি, শুনে আসছি, কিন্তু বাস্তবে গ্রামে যাদের আয় এবং ব্যয় উভয়ই কম তারাই গ্রামে বাস করে। এখন যেখানে টেলিকম অপারেটরা নিজেদের মুনাফার দিকটি সবার আগে মাথায় রাখে সেখানে তারা গ্রামের মানুষের কথা ভাববেনা, এটাই স্বাভাবিক। লক্ষ্য করে দেখবেন যে, যেসব জায়গায় মানুষ মোবাইল পরিষেবাতে বেশি ব্যয় করছে সেসব জায়গায় নেটওয়ার্কের অবস্থা ভাল। কিন্তু আজও গ্রামে মোবাইলে কথা বলতে গেলে ছাঁদে উঠে কোনো এক কোণায় যেতে হয় বা জানালার বাইরে মাথা রেখে কথা বলতে হয়। সত্য তো এটাই যে সেখানে মোবাইল পরিষেবা পরিষেবা প্রদানকারীরা ARPU অর্থাৎ গড় আয়ে ব্যবহারকারী বাড়ানোর দিকে সচেষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে যেখান থেকে বেশি টাকা আসবে, সেখানেই কাজ হবে।
গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে, প্রায় সমস্ত মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারী তাদের মোবাইল পরিষেবা চার্জ 20-25 শতাংশ বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে, যেই পরিষেবাটির জন্য আগে আপনার 400 টাকা খরচ হত, এখন সেখানে আপনার খরচ বেড়ে হয়েছে প্রায় 500 টাকা। সেই সঙ্গে মোবাইল সার্ভিসেও এখন আগের মতো পরিস্থিতি নেই যে আপনি ছোট কোনো প্ল্যান নিয়ে, ইনকামিংয়ের জন্য ফোন রাখবেন আর ছেলে যদি শহর থেকে ফোন করলে কথা বলবেন। বরং এখন প্রতি মাসে রিচার্জ করা বাধ্যতামূলক, তা না হলে পরিষেবা বন্ধ। এমতাবস্থায় প্রশ্ন এটাই যে ব্যবহারকারী গ্রামের হোক বা শহরের, কম টাকার রিচার্জ করুক বা বেশি, উভয় জায়গায়তেই যখন ফি দেওয়া হচ্ছে, তা হলে নেটওয়ার্ক কেন ভালো হচ্ছে না? কেন ভারতীয় ব্যবহারকারীদের ভাল মানের 4G পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে না? গত দুই বছরে মোবাইল ট্যারিফ প্ল্যান দুবার বাড়ানো হয়েছে এবং উভয়বারই কোম্পানিগুলি প্রায় 20-25 শতাংশ চার্জ বৃদ্ধি করেছে, তবুও নেটওয়ার্কের অবস্থা একই রয়ে গেছে।

এখন পর্যন্ত আপনারা দেখলেন যে কিভাবে মোবাইলের ব্যবসা চলছে। পরিষেবা ভাল হোক বা না হোক টাকা উসুল করাই যেন আসল লক্ষ্য৷ এই অবস্থায় 5G পরিষেবা আসলেও ব্যবহারকারীরা কী পাবেন? বিশেষ করে ছোট শহর ও গ্রামের ব্যবহারকারীরা। ব্যয়বহুল মোবাইল পরিষেবা এবং দুর্বল সংযোগ! এই মুহূর্তে এর থেকে বেশি আশা করা সম্ভব নয়। তাহলে কেন ব্যয়বহুল এবং মোটামুটি 5G এর পরিবর্তে আরও ভাল মানের 4G নেটওয়ার্ক সম্পর্কে কথা বলা হবে না? ভারতী এয়ারটেলের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তলও সম্প্রতি একটি বিবৃতি দিয়েছেন, যে তারা ব্যবহারকারীকে ARPU অর্থাৎ average revenue per user 600 টাকা পর্যন্ত নিয়ে যেতে চান। অর্থাৎ তার কথা থেকে এই আন্দাজ করা যায় যে পরিষেবাগুলি ভবিষ্যতে আরও ব্যয়বহুল হতে পারে । বর্তমানে ARPU প্রায় দেড়শ টাকার আশেপাশে আছে। এখন আপনি নিজেই চিন্তা করুন যে পরবর্তী সময়ে 5G এর নামে আরও কতটা ব্যয়বহুল হতে চলেছে পরিষেবা। এই অবস্থায় এটাই ভালো যে মাস দুয়েক আগেই ভালো সার্ভিসের নামে খরচ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আর আমরাও এখন এই বর্ধিত ফি মানিয়ে নিয়েছে। 4G সার্ভিস শুরু হচ্ছে 42mbps স্পিড থেকে তার চেয়ে কম হল 3G। বর্তমানে আমরা এই স্পিডেই খুশি। অতএব, পরিষেবা প্রদানকারীদের 5G পরিষেব চালু করার পরিবর্তে 4G নেটওয়ার্ক আরও উন্নত করা উচিত, ভারতের মানুষ এতে খুশি হবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post ব্যায়বহুল 5G পরিষেবা চান না ভালো 4G নেটওয়ার্ক! ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি বড় প্রশ্ন first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post 1G, 2G থেকে শুরু করে বর্তমানে 5G, দেখে নিন কিভাবে বদলেছে এই অ্যাডভান্স টেকনোলজি first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>1G
মোবাইল ফোনের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 1G হিসেবে 1980 সাল নাগাদ। তখন যে টেকনোলজি হাতে পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষ আগ্রহী হয়ে উঠেছিল তারা তখন জানত পর্যন্ত না যে ভবিষ্যতে একেই 1G নামে ডাকা হবে। আপনারা হয়ত অনেকেই সিনেমা বা অন্য কোথাও দেখেছেন আগেকার দিনে লম্বা অ্যান্টেনাওয়ালা মোবাইল ফোন পাওয়া যেত। সেইসব ফোনকেই ফার্স্ট জেনারেশন মোবাইল ফোন বলা হয়। 1G মোবাইল ফোনের টেলিকমিউনিকেশন স্পীড ছিল 24kb/s অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে 24 কিলোবাইট।

তখনই অবশ্য বেশি স্পীড প্রয়োজন পড়ত না, কারণ মানুষের ডেটা কোনো কাজের ছিল না। স্পীড ছাড়াও এই জেনারেশনের আরেকটি বড় খামতি ছিল ম্যাসেজ। এইসব ফোন থেকে কোনো ম্যাসেজ পাঠানো যেত না। এই টেকনোলজির সাহায্যে ডিজিটাল নয় বরং শুধুমাত্র অ্যানালগ পদ্ধতিতে ফোন ব্যবহার করা যেত। তখন ফোনে শুধু অ্যানালগ সিগন্যাল আদান প্রদান হত এবং এর মাধ্যমেই ভয়েস কল করা হত। তবে এর সাহায্যে এসএমএস সম্ভব ছিল না।
2G
ফার্স্ট জেনারেশন ফোনের ঘাটে মেটানোর জন্য এরপর 90 এর দশকে মার্কেটে আসে 2G। এই টেকনোলজির সাহায্যে ডেটা স্পীড বেড়ে 64kb/s অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে 64 কিলোবাইটে পৌঁছে যায়। এই স্পীড খুব বেশি না হলেও আগের জেনারেশনের এসএমএসের অভাব এই টেকনোলজি দূর করে। 2G টেকনোলজি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন ইউজাররা ভয়েস কলের পাশাপাশি এসএমএস ফিচার উপভোগ করতে পারে।

2G প্রজম্মের হাত ধরেই এসএমএসের চলন শুরু হয়। তখন এমন একটি সময় দেখা গেছে যে একটি এসএমএসের জন্য 3 টাকা পর্যন্ত দাম দিতে হত তাও আবার টেক্সট লিমিট অর্থাৎ সীমিত অক্ষর সংখ্যার সঙ্গে। এছাড়া এই টেকনোলজি মোবাইল ফোনকে যথেষ্ট কম্প্যাক্ট করতে সক্ষম হয় এবং ফোন ইউজাররা পকেটে এই ফোন রাখতে পারত। এই সময়ই প্রথম ছবির আদান প্রদান হতে দেখা যায়, তবে তখন মিডিয়া কোয়ালিটি ও ট্রান্সফার স্পীড উভয়ই ছিল খুব কম।
3G
মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজম্মে নেটওয়ার্ক স্পীড কিলোবাইট ছাড়িয়ে মেগাবাইটে পৌঁছে যায়। 2003-2004 সালের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে 3G ছড়িয়ে পড়ে এবং তখন মোবাইল ফোনে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার শুরু হয়। অর্থাৎ এই জেনারেশন ভয়েস কল ও এসএমএসের পরিধি আরও বাড়িয়ে দেয়। 3G আসার পর মোবাইল ফোনে 2mb/s অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে 2 এমবি পর্যন্ত স্পীড পাওয়া যেত।

3G টেকনোলজি ব্যবহার করে ফোনে ভয়েস কল ও এসএমএসের পাশাপাশি ইন্টারনেট উপভোগ করা শুরু হয়। এই সময় থেকেই Facebook এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং YouTube এর মতো ভিডিও স্ট্রীমিং অ্যাপ মার্কেটে আসতে শুরু করে। কিন্তু স্পীড কম থাকার ফলে ইউটিউব ও এই ধরনের সার্ভিসগুলিকে বাফারিং এর সম্মুখীন হতে হত। এই সমস্যার সমাধানের জন্য HHPA+ ও HHSPA Turbo ভার্সন পেশ করা হয় ফলে 42 এমবিপিএস পর্যন্ত স্পীড বেড়ে যায়।
4G
3G টেকনোলজিকে আরও ফাস্ট করে তোলার জন্য 2009 সাল নাগাদ মার্কেটে 4জি আসতে শুরু করে। এতদিনে মোবাইল ফোন কম্পিউটারের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো ক্ষমতাসীন হয়ে উঠেছে এবং একই সঙ্গে ফোন হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন। এই জেনারেশনে আরও এভোলিউশন ঘটিয়ে মার্কেটে আনা হল 4G LTE এবং 4G VoLTE। এই সময় ভয়েস কল, এসএমএস ও ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়াও ফোনে ভিডিও কল ফিচার চলে আসে।

শুরুতে যেখানে অ্যানালগ সিগন্যাল ব্যবহার করে ভয়েস কল করা হত সেখানে এবার ইন্টারনেট ব্যান্ডের মাধ্যমে ভয়েস কল করার যুগ চলে এল। 4জি নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট স্পীড বেড়ে 100mb/s অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে 100 এমবি ছুঁয়ে ফেলে। 4জি মোবাইল টেকনোলজিকে সবচেয়ে বড় উন্নতি বলা যেতে পারে কারণ এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের বেশ কিছু রাস্তা খুলে যায় এবং আগামী দিনের নতুন আভাস পাওয়া যায়। 4জির যুগে মোবাইল ফোনের মাল্টি ডিভাইস কানেক্টিভিটিসম্ভব হয়ে ওঠে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে আমি বা আপনি যে স্মার্টফোন ব্যবহার করছি সেগুলি সবই 4জি স্মার্টফোন। বর্তমানে 4জি নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্পীড 600 এমবিপিএস।
5G
বিশ্বে 5জি সূচনা হয়ে গেছে এবং ভারতেও এর ট্রায়াল নিয়ে কাজ চলছে। দেশে ইতিমধ্যে 5জি ফোনের কেনাকাটা চলছে এবং আগামী বছরের মধ্যে 5জি নেটওয়ার্কও পাওয়া যাবে। 5জির ক্ষেত্রে ইন্টারনেট স্পীড মেগাবাইট থেকে উঠে গিগাবাইটে পৌঁছে যাবে এবং এতে 1 জিবিপিএস অর্থাৎ 4জির চেয়ে কমপক্ষে 100 গুণ বেশি স্পীড উপভোগ করা যাবে।

5জি টেকনোলজি শুধুমাত্র মোবাইল ফোন পর্যন্ত নয় বরং বাল্ব, পাখা, ফ্রিজ ও গাড়িও 5জির সঙ্গে কানেক্ট করা যাবে। 5জিতে IOT এর যথেষ্ট গুরুত্ব থাকবে এবং এই টেকনোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে সমস্ত ডিভাইস ও অ্যাপ্লায়েন্স একে অপরের সঙ্গে কানেক্ট হতে পারবে। অনেক দূরে এমনকি শহর বা দেশের বাইরে বসেও নিজের ফোন থেকে কম্যান্ড দিয়ে বাড়িতে যে কোনো ডিভাইস কন্ট্রোল করা যাবে। অর্থাৎ কোলকাতায় বসে ফোনের মাধ্যমে ঢাকার বাড়িতে লাইট জ্বালানো বা বন্ধ করা থেকে শুরু করে ফ্রিজ বা এসির তাপমাত্রা কমানো বাড়ানো যাবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post 1G, 2G থেকে শুরু করে বর্তমানে 5G, দেখে নিন কিভাবে বদলেছে এই অ্যাডভান্স টেকনোলজি first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post “গেমস অফ ওয়াসেপুর” এর ধানবাদ 4জিতে প্রথম,।জেনে নিন আপনার শহরের অবস্থা first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>ডিউড্রপ নচের সঙ্গে পেশ হল হুয়াই ওয়াই6 প্রাইম (2019), ভারতে দাম 10,000 টাকারও কম
ধানবাদ ছাড়া রাঁচি 95 শতাংশ 4জি উপলব্ধতার সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, আবার শ্রীনগর ভারতের সীমান্তবর্তী শহর হওয়া সত্ত্বেও 94.9 শতাংশের সঙ্গে তৃতীয় স্থান পেয়েছে। এই রিপোর্ট সেইসব অপারেটরদের ওপর পেশ করা হয়েছে যারা 50টি শহরে 4জি নেটওয়ার্ক দেয়। প্রসঙ্গত এই রিপোর্ট 1 নভেম্বর 2018 থেকে 30 জানুয়ারি 2019 এর মধ্যে হিসাব করা হয়েছে।

কোম্পানি ভারতের শহরে 4ছি নেটওয়ার্ক ও সার্ভিসের উপলব্ধতার ওপর ভিত্তি করে এই লিস্ট তৈরি করেছে। লিস্টের 50টি শহরে 4জি পরিষেবা 87 শতাংশের বেশি। অন্যান্য বড় শহরের মধ্যে কোলকাতাতে 93.9 শতাংশ, ব্যাঙ্গালুরুতে 92.3 শতাংশ, চেন্নাইতে 91.1 শতাংশ, লক্ষ্ণৌতে 93.1 শতাংশ, দিল্লিতে 89.8 শতাংশ ও মুম্বাইতে 89.7 শতাংশ 4জি পাওয়া যায়।
শাওমি শুরু করেছে “মি সুপার সেল”, জেনে নিন কোন ফোনে পাওয়া যাবে কত ডিসকাউন্ট
প্রসঙ্গত কোম্পানি অনুপাত টেস্ট করেছে, যেখানে 4জি ডিভাইস ও সাবস্ক্রিপশন ওয়ালা কোনো ইউজার সবচেয়ে বেশি এলাকায় নেটওয়ার্ক পেতে পারেন। নতুন 4জি উপলব্ধতার ভিত্তিতে টপ 10 শহরগুলি হল যথাক্রমে ধানবাদ, রাঁচি, শ্রীনগর, রায়পুর, পাটনা, গোয়ালিয়র, গুয়াহাটি, কানপুর, ভূপাল ও লুধিয়ানা।

প্রসঙ্গত কিছু দিন আগে দূরসঞ্চখর নিয়ামক ট্রাই এবছর ফেব্রুয়ারি মাসের একটি নতুন হিসাব পেশ করছছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী 4জি ডাউনলোড স্পীডের ক্ষেত্রে রিলায়েন্স জিও আরও একবার সবাইকে পিছিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে জিওর ডাউনলোড স্পীড ছিল 20.9 এমবিপিএস, যা জানুয়ারির 18.8 এমবিপিএসের তুলনায় অনেক বেশি।
ভারতে লঞ্চ হল মোটো জি7 ও মোটোরোলা ওয়ান, জেনে নিন এর দাম ও স্পেসিফিকেশন
গত বছর অর্থাৎ 2018 সালে সবচেয়ে দ্রুতগতির 4জি অপারেটরের তকমাও রিলায়েন্স জিও পেয়েছিল, গোটা বছরে জিওর ডাউনলোড স্পীড সবচেয়ে বেশি ছিল। ট্রাইয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে এয়ারটেলের ডাউনলোড স্পীড ফেব্রুয়ারিতে 9.5 এমবিপিএস থেকে নেমে 9.4 এমবিপিএস হয়ে যায়।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করূন
The post “গেমস অফ ওয়াসেপুর” এর ধানবাদ 4জিতে প্রথম,।জেনে নিন আপনার শহরের অবস্থা first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>