The post OnePlus Nord CE 3 Lite নাকি Realme 10 Pro? জেনে নিন 20,000 টাকার কম বাজেটে কোন স্মার্টফোনটি সেরা first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>OnePlus Nord CE 3 Lite হল কোম্পানির লেটেস্ট মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন। এই ফোনটি গত বছর লঞ্চ হওয়া Nord CE 2 Lite-এর উত্তরসূরি। OnePlus-এর এই ফোনটি 19,999 টাকার প্রারম্ভিক দামে মার্কেটে লঞ্চ করা হয়েছে,এই ফোনটিকে সরাসরি টক্কর দিচ্ছে Realme 10 Pro। Realme-এর এই ফোনটি বছরের শুরুতে লঞ্চ করা হয়েছে। মজার ব্যাপার হল এই দুটি ফোনের স্পেসিফিকেশন প্রায় একই রকম। এই পোস্টে Realme 10 Pro স্মার্টফোনের সাথে OnePlus Nord CE 3 Lite এর তুলনা করে দুটি স্মার্টফোনের মধ্যে কোনটি আপনার জন্য সেরা হতে পারে সেটা জানানো হল। আরও পড়ুন: দেখে নিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফোনের তালিকা, সবথেকে দামী ফোনটির দাম 395 কোটি টাকা
OnePlus Nord CE 3 Lite স্মার্টফোনটি ভারতে দুটি ভেরিয়েন্টে লঞ্চ করা হবে, 8GB + 128GB এবং 8GB + 256GB। এই দুটি ভেরিয়েন্টের দাম যথাক্রমে 19,999 টাকা এবং 21,999 টাকা। Realme 10 স্মার্টফোনটি কোম্পানি 128GB স্টোরেজ সহ দুটি RAM অপশনে পেশ করেছে। এই ফোনটির 6GB RAM মডেলটি 18,999 টাকা এবং 8GB RAM মডেলটি 19,999 টাকায় লঞ্চ করা হয়েছে।
Realme এর ফোনটি সিঙ্গেল স্টোরেজ সহ দুটি র্যাম অপশন সহ পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি OnePlus Nord CE 3 Lite স্মার্টফোনটি সিঙ্গেল র্যামের সাথে দুটি স্টোরেজ অপশনে দেওয়া হবে।
লুক সম্পর্কে কথা বললে OnePlus Nord CE 3 Lite এবং Realme 10 Pro স্মার্টফোনের ডিজাইন প্রায় একই রকম। ব্যাক প্যানেলে দুটি ক্যামেরার রিং রয়েছে যা প্রায় একই রকম। এতে শুধুমাত্র LED ফ্ল্যাশের অবস্থান ভিন্ন। দুটি স্মার্টফোনই প্লাস্টিকের বিল্ড এবং ফ্ল্যাট ফ্রেম ডিজাইনের সহ পেশ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: জেনে নিন UPI অ্যাপস Paytm, PhonePe, Gpay-এর মাধ্যমে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স চেক করার পদ্ধতি

বাটন প্লেসমেন্টের বিষয়ে কথা বললে OnePlus এবং Realme উভয় স্মার্টফোনের ডানদিকে ভলিউম স্লাইডার এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর সহ পাওয়ার বাটন পাওয়া যায়। এর সাথে ফোনের বাম প্রান্তে কিছুই নেই। নীচে স্পিকার, সিম ট্রে, USB টাইপ সি এবং মাইক্রোফোন জ্যাক রয়েছে। তাই ডিজাইনের দিক থেকে দুটি ফোনই প্রায় একই রকম।
OnePlus এবং Realme উভয় স্মার্টফোনই ডিসপ্লের দিক থেকে একই রকম। উভয় ফোনেই একটি 6.72-ইঞ্চি IPS LCD ডিসপ্লে রয়েছে, যার রেজলিউশন Full HD+, রিফ্রেশরেট, টাচ স্যাম্পলিং রেট 240Hz। এই ফোনে সেলফির জন্য পাঞ্চ হোল কাটআউট দেওয়া হয়েছে। উভয় ফোনের ডিসপ্লের সর্বোচ্চ ব্রাইটনেস হল 700নিটস যা Gorilla Glass প্রোটেকশন সাপোর্ট করে।

এই দুটি ফোনের ডিসপ্লে HDR সাপোর্ট করে না। অর্থাৎ আপনি একাধিক OTT প্ল্যাটফর্মে HD কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারবেন না। এর সাথে উভয় ফোনের কালার রিপ্রোডাকশনও সামান্য। আরও পড়ুন: দেখে নিন Allu Arjun অভিনীত 10টি সুপারহিট ফিল্মের লিস্ট, না দেখলে চরম মিস
OnePlus Nord CE 3 Lite এবং Realme 10 Pro উভয় ফোনেই Qualcomm-এর মিড-রেঞ্জ Snapdragon 695 SoC দেওয়া হয়েছে। 2021 সালের পর অনেক স্মার্টফোনেই এই প্রসেসর দেখা গেছে। এই প্রসেসরটি ব্যাটারি সেভিং ফিচারের জন্য জনপ্রিয়। Qualcomm-এর এই চিপসেটটি 6nm প্রসেসে তৈরি যার সাথে UFS 2.2 ইন্টারনাল স্টোরেজ এবং LPDDR4X RAM সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। OnePlus Nord CE 3 Lite স্মার্টফোনটি 8GB র্যামের সাথে 128GB এবং 256GB স্টোরেজ অপশন সহ পেশ করা হয়েছে। অন্যদিকে Realme 10 Pro স্মার্টফোনটি 128 GB স্টোরেজ সহ 6GB এবং 8GB RAM অপশনে পাওয়া যায়।

অপারেটিং সিস্টেমের সম্পর্কে কথা বললে OnePlus Nord CE 3 Lite স্মার্টফোনটি Android 13 বেসড OxygenOS 13-এ রান করে। অন্যদিকে Realme 10 Pro স্মার্টফোনটি Android 13 বেসড realme UI 4-এ রান করে। OnePlus এবং Realme স্মার্টফোন দুটি একই Android ভার্সনে রান করে। এটি তিন বছরের জন্য সিকিউরিটি আপডেট পাবে।
OnePlus Nord CE 3 Lite স্মার্টফোনে একটি ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে, যার প্রাইমারি ক্যামেরা 108MP সহ Samsung এর HM6 সেন্সর সাপোর্ট করে। এর সাথে 2MP ডেপথ এবং 2MP মাইক্রো লেন্স দেওয়া হয়েছে। এই ফোনের সামনে সেলফি এবং ভিডিও কল করার জন্য একটি 16MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হবে। আরও পড়ুন: ভারতে Snapdragon 695 5G প্রসেসরসহ শীঘ্রই লঞ্চ হবে Vivo Y100A স্মার্টফোন, জেনে নিন দাম এবং স্পেসিফিকেশন

Realme 10 Pro স্মার্টফোনে ডুয়াল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। এই ফোনের প্রাইমারি ক্যামেরা Samsung HM6 108MP সেন্সর। এই ফোনের সাথে 2MP এর সেকেন্ডারি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। Realme এর ফোনে ডুয়াল LED ফ্ল্যাশ রয়েছে। সেলফি এবং ভিডিও কলিংয়ের জন্য এই ফোনটিতে একটি 16MP ক্যামেরা সেন্সর রয়েছে।

এই দুটি স্মার্টফোনের প্রাইমারি ক্যামেরা সেন্সর একই। তাদের পারফরম্যান্সও একই রকম। উভয় ফোনেই অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (OIS) সাপোর্ট নেই। যদিও 20 হাজার বাজেটে এই ফিচারটি বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে না।
OnePlus Nord CE 3 Lite এবং Realme 10 Pro উভয় ফোনেই একটি 5,000mAh ব্যাটারি রয়েছে, তবে দুটি ফোনই বিভিন্ন ব্যাটারি ক্ষমতা সহ আসে। Realme এর ফোনটিতে 33W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে Nord CE 3 Lite ফোনে 67W ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি রয়েছে। দুটি স্মার্টফোনের সাথে রিটেল বক্সে চার্জার পাওয়া যায়। আরও পড়ুন: ভারতে Snapdragon 695 5G প্রসেসরসহ শীঘ্রই লঞ্চ হবে Vivo Y100A স্মার্টফোন, জেনে নিন দাম এবং স্পেসিফিকেশন

স্পেসিফিকেশন দিক থেকে OnePlus Nord CE 3 Lite এবং Realme 10 Pro দুটি ফোনই প্রায় একই রকম। OnePlus-এর স্মার্টফোনে একটি অতিরিক্ত ক্যামেরা সেন্সর এবং ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট পাওয়া যায়। দুটি ফোনই Android 13 এ রান করে। এই দুটি ফোনই বেশ ভালো। তাই আপনি এই দুটি ফোনের মধ্যে আপনাদের যেটি বেশি পছন্দ সেটি কিনতেই পারেন।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post OnePlus Nord CE 3 Lite নাকি Realme 10 Pro? জেনে নিন 20,000 টাকার কম বাজেটে কোন স্মার্টফোনটি সেরা first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post জেনে নিন Thomson 55-inch QLED Ultra HD 4K TV এর রিভিউ first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>Thomson এর এই 55 ইঞ্চি QLED টিভি অনলাইন স্টোর Flipkart এ সেলের জন্য উপলব্ধ। যেখানে এর দাম 37,999 টাকা। যদিও কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে, তবে এই টিভিটি শুধুমাত্র Flipkart থেকেই কেনা যাবে। এই টিভিটি অফলাইন স্টোরগুলিতে সেলের জন্য উপলব্ধ নয়৷তাই আপনাকে পুরোপুরি অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের উপর নির্ভর করতে হবে
গত কয়েক বছরে টিভির ডিজাইন সেগমেন্ট অনেক পালটে গেছে। আগে টিভিগুলি TFT, LCD বা LED প্যানে হওয়ার পরেও অনেক ভারী ছিল এবং চারদিকে বিশাল বেজেল ছিল,তবে এখন বেজেল অনেক কমে গেছে এবং কোম্পানি গুলো টিভি মডেলগুলি বেশ স্লিম করেছে। Thomson এর এই টিভিতেও আপনাদের একই রকম অভিজ্ঞতা হবে। যদিও এই টিভির বডিও প্লাস্টিকের তৈরি, যা আরও উন্নত করা প্রয়োজন।

এই টিভিটি একটি 55-ইঞ্চি স্ক্রীন সহ লঞ্চ হয়েছে এবং নাম অনুসারে আপনি এই টিভিতে QLED প্যানেল দেখতে পাবেন। এটি একটি 4K টিভি যা 3840 x 2160 পিক্সেল রেজলিউশন সাপোর্ট করে। Samsung এর মতো ডিসপ্লের জন্য কোয়ান্টাম ডট চিপ টেকনোলজিও ব্যবহার করা হয়েছে, যা LED প্যানেলে কালারের মান আরও উন্নত করে তোলার জন্য অত্যন্ত বিশেষ বলে মনে করা হয়। আরও পড়ুন: ভারতীয় সার্টিফিকেশন সাইটে তালিকাভুক্ত Realme GT 3 স্মার্টফোন, শীঘ্রই ভারতে হবে লঞ্চ

এই টিভির পিকচার কোয়ালিটি আপনাকে মুগ্ধ করবে। কালার আউটপুট এবং ব্রাইটনেস আপনাকে মুগ্ধ করবে। এই টিভিটি 600 নিটস পিক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে এবং 1.1 বিলিয়ন কালার সাপোর্ট করে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল এই টিভিতে HDR 10+ এর পাশাপাশি Dolby Vision এর সাপোর্টও রয়েছে। তাই আপনি যখন একটি বড় ঘরে এই টিভিটি দেখবেন তখন এটি ভীষণ স্বাভাবিক অভিজ্ঞতা প্রদান করবে এবং আপনি এখানে স্পষ্টভাবে QLED প্যানেলের সুবিধা বুঝতে পারবেন।
কোম্পানি এই টিভিতে একটি IPS ডিসপ্লে ব্যবহার করেছে যা 178-ডিগ্রি পর্যন্ত ভিউ এঙ্গেল সাপোর্ট করে। এক্ষেত্রে যেকোনো কোণ থেকে টিভি দেখলে ভিউ ভালো হয়। তবে এই টিভির একটি খামতি হল এতে 60 Hz রিফ্রেশরেট সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে যা 90 Hz হলে আরও ভালো বলা যেত।

এই টিভিতে আপনি স্পোর্টস, গেম, ভিভিড এবং মুভির মতো ছবির মোড পাবেন। এই টিভিতে MEMC এর সাপোর্ট রয়েছে, তাই খেলাধুলা এবং অ্যাকশন মুভি দেখার অভিজ্ঞতাও অনেক ভালো হবে। আমাদের রিভিউয়ের জন্য এই টিভিটি লো লাইট এবং হাই ব্রাইট লাইটের মাধ্যমেও টেস্ট করেছি এবং দেখেছি যে ভিউয়িং কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। হ্যাঁ, সামনে থেকে যখনই আলো আসত তখন আলো প্রতিফলিত হতো। এখানে সামান্য উন্নতি করা যেতে পারে। আরও পড়ুন: লঞ্চের আগেই লিক হল OnePlus Nord CE 3 Lite 5G স্মার্টফোনের দাম এবং স্পেসিফিকেশন, জেনে নিন ডিটেইলস
আপনি যদি একটি বড় স্ক্রিনের ডিভাইস কেনেন তাহলে আপনি চাইবেন যে এর অডিও কোয়ালিটি যে ভালো হয়। এই টিভিটি এই দিকেও অনেক এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে কোম্পানি 40ওয়াটের স্পিকার দিয়েছে যা Dolby Atmos, DTS, সাউন্ড এবং Dolby ডিজিটাল প্লাসের মতো ফিচার সাপোর্ট করে। কোম্পানি এই টিভিতে স্ট্যান্ডার্ড, স্পোর্টস, মুভি এবং মিউজিক সহ কিছু অডিও মোডও দিয়েছে যা এই টিভিটিকে আরও উন্নত করে তোলে। আপনারা এর সাউন্ডে শব্দে কোন ধরনের ঘাটতি খুঁজে পাবেন না, তবে আপনি যখন হাই ভলিউমে শোনার চেষ্টা করবেন, তখন সাউন্ড কিছুটা বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতে পারে। তাও আমি বলব যে 40-ওয়াট Dolby স্পিকার এখন অনেক বড় বড় কোম্পানিগুলো দিচ্ছে না, তারাও মাত্র 25 ওয়াট পর্যন্তই সাপোর্ট দিচ্ছে।

Thomson এর এই টিভিতে কানেক্টিভিটির জন্যও অনেক কিছু রয়েছে। এতে আপনি ওয়াইফাই সহ 3টি HDMI পোর্ট, 2টি USB পোর্ট এবং LAN সাপোর্টও পাবেন। এছাড়াও, AV আউটপুট, অ্যান্টেনা স্লট এবং ব্লুটুথ 5.0 ও রয়েছে। কানেক্টিভিটির দিক থেকে আপনি হতাশ হবেন না। এই টিভির বিশেষত্ব হল এটি অ্যাপল এয়ারপ্লেও সাপোর্ট করে।

এই টিভিটি MediaTek-এর MT 9602 SoC-তে রান করে। এটি একটি AI এনেবল চিপসেট যা বিশেষভাবে টিভি টেকনোলজির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। গ্রাফিক্সের জন্য এই টিভিতে Maji G52 GPU পাবেন। এই টিভিতে কোম্পানি 2GB র্যামের সাথে 16GB ইন্টারনাল স্টোরেজ দিয়েছে। আরও পড়ুন: Mivi নিয়ে আসছে Dual RGB Lighting ফিচারসহ নতুন Gaming TWS ইয়ারবাড

এই টিভিটি Google TV OS-এ রান করে এবং এতে কোনো ধরনের লেয়ারিং নেই। তাই ইউজার ইন্টারফেস খুব ভাল লাগবে। এই টিভিতে আপনারা একাধিক অ্যাপ সাপোর্ট পাবেন। এর সাথে Google Photos, Google Duo-এর সাথে ইনবিল্ট ক্রোম কাস্টও পাওয়া যায়। যদিও সফ্টওয়্যার সেগমেন্টে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল, তবে তারপরও টিভিটি কিছুটা ধীর অনুভূত হয়েছিল। এখনও এইদিকটি আরও উন্নত করা প্রয়োজন।
আগে Thomson এর টিভিতে পুরানো স্টাইলের টিভি রিমোট থাকত, তবে এবার সেই ঘাটতিও দূর করেছে কোম্পানি। এই টিভিতে একটি নতুন স্টাইলের রিমোট রয়েছে যেখানে কম বাটন রয়েছে এবং কোম্পানি Netflix, YouTube এবং Amazon Prime এর জন্য বিশেষ হার্ডওয়্যার বাটন যুক্ত করেছে।রিমোট টিভির সাথে সহজেই কানেক্ট হয়ে যায় এবং এর সাহায্যে আপনারা ভয়েস কন্ট্রোলও করতে পারবেন।

Thomson এর এই QLED টিভির সমস্ত ফিচার দেখার পরে এটা বলা যায় যে 37,999 টাকা দামে এটি একটি ভাল অপশন। এর পিকচার কোয়ালিটি চমৎকার এবং সাউন্ডও আপনাকে মুগ্ধ করবে। তবে এর বিল্ট কোয়ালিটি আরও ভালো করা যেত, তবে এটাও ঠিক ঠাকই রয়েছে। এইসব কিছুর পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েড টিভি OS এর অনুভূতি এবং ভয়েস কন্ট্রোল ইত্যাদি এর ব্যবহারকে আরও ভালো করে তোলে। আরও পড়ুন: Jio ইউজারদের জন্য বড় ধাক্কা, কোম্পানি সবচেয়ে লো বাজেট পোস্টপেইড প্ল্যানের দাম বেড়ে গেল আরও 100 টাকা!
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post জেনে নিন Thomson 55-inch QLED Ultra HD 4K TV এর রিভিউ first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post Elista 43-ইঞ্চি LED স্মার্ট টিভি রিভিউ : দুর্দান্ত ডিসপ্লে এবং স্মার্ট OS সহ পাবেন এই টিভিটি, তবে কিছুটা ব্যয়বহুল first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>Elista এর এই টিভিটিও আমাদের কাছে পর্যালোচনার জন্য এসেছে এবং এখানে আমরা এই টিভিটি প্রায় 1 মাস ধরে পরীক্ষা করেছি৷ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভিগুলি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়, কারণ সেগুলি ব্যবহার করা খুব সহজ। আমরা মূলত এই টিভির WebOS, ডিজাইন, ডিসপ্লে, হার্ডওয়্যার, কানেক্টিভিটি, OS এবং অ্যাপস,রিমোট ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করব।
প্রথমেই বলবো WebOS সম্পর্কে। আমরা স্মার্ট টিভির এই অপারেটিং সিস্টেমটি LG স্মার্ট টিভিতে সবচেয়ে বেশি দেখেছি এবং বর্তমানে এর লাইসেন্সিংও LG এর কাছে রয়েছে। যদিও আগে এটি ওপেন OS নামে পরিচিত ছিল এবং এটি স্মার্ট ডিভাইসের জন্য পাম দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। এই লিনাক্স ভিত্তিক OS স্মার্ট টিভির জন্য খুব ভাল বলে মনে করা হয়।

এই টিভির ডিজাইন সম্পর্কে বলতে গেলে Elista LED-SU43EBA58 স্মার্ট টিভি হলেও কোম্পানি এটিকে পিওর ব্ল্যাক কালারে পেশ করেছে। পুরো বডি প্লাস্টিকের তৈরি। যদিও আপনি দূর থেকে ডিজাইনে কোন কিছুর অভাব খুঁজে পাবেন না, তবে আপনি যদি খুব কাছ থেকে দেখেন তাহলে এতে প্লাস্টিক অনুভূতি পাবেন। এর পাশাপাশি বিল্ড কোয়ালিটির দিক থেকে আমরা আরও একটু ভালো আশা করছিলাম। তবে, এর লো বেজেল ডিসপ্লে এই ঘাটতি পূরণ করে। টিভিটি তিন দিকে বেজেল লেস, নীচে আপনি এক ইঞ্চির কম একটি পাতলা বেজেল দেখতে পাবেন। টিভির ব্র্যান্ডিং নীচের প্যানেলে দেখা যায় ।
যদিও এই টিভিটি স্লিক কিন্তু পিছনে পোর্ট এবং পাওয়ার ক্যাবল টপ বক্সের মতো একটি জায়গা রাখা হয়েছে যা এর প্রস্থ কিছুটা বাড়িয়ে দেয়।এতে ওয়ালমাউন্টের সেটআপ দেওয়া হয়েছে, তাই আপনার কোনও সমস্যা হবে না। সামগ্রিকভাবে, ডিজাইনটি বেশ ভাল এবং নতুন টিভি ট্রেন্ডের সাথে মানানসই। এতে আপনারা একটি বেজেল-লেস ডিসপ্লে পাবেন যা 43 ইঞ্চি বড় স্ক্রিন যুক্ত হওয়ার পরেও খুব বেশি জায়গা নেয় না। সামগ্রিক ভাবে ডিজাইন সম্পর্কে কথা বলছি তাহলে আপনার এই টিভির ডিজাইন খুব ভালো লাগবে। হ্যাঁ! তবে কোয়ালিটি আরেকটু ভালো হলে সেরা বলা যেত।

কোম্পানি এই Elista 43 ইঞ্চি টিভিতে LED প্যানেল ব্যবহার করেছে। টিভির ডিসপ্লে যে খুব সুন্দর তাতে কোন সন্দেহ নেই। রংগুলো খুবই উজ্জ্বল এবং কনট্রাস্ট লেভেলও ভালো। এটিতে 400 নিটস ব্রাইটনেস এর সাথে 1000000:1 কনট্রাস্ট রেশিও সাপোর্ট রয়েছে। দাম অনুযায়ী ব্রাইটনেস কিছুটা কম হলেও ডিসপ্লে বেশ ভালো। কোম্পানি এতে MEMC চিপ ব্যবহার করেছে। কোম্পানী দাবি করে যে এই চিপটি লো ফ্রেম রেটেও হাই এন্ড গেমিং বা গ্রাফিকাল কন্টেন্টকে ব্লার ফ্রি ভিজুয়াল এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করার ক্ষমতা রাখে এবং এখানে আমি কোম্পানির দাবির সাথে অনেকাংশে একমত। তবে ডিসপ্লের খামতি সম্পর্কে কথা বললে এতে 60Hz স্ক্রিন রিফ্রেশরেট সাপোর্ট রয়েছে। যা এই দামের রেঞ্জে 90Hz হলে ভালো বলা হতো। সেই সঙ্গে রংটা একটু বেশিই ফুটে উঠছিল। যেমন সবুজ রং আপনার কাছে একটু বেশি সবুজ বা লাল বেশি লাল মনে হয়। তবে এটাও ঠিক যে টিভিতে এমন রং দেখতে মজা লাগে।
আমরা ব্যবহার করার সময় 4K ভিডিও স্ট্রিম করেছি এবং এই টিভিটি ল্যাগ ফ্রি স্ট্রিম করতে সক্ষম হয়েছে।

ডিসপ্লের পরে হার্ডওয়্যার সেগমেন্টের কথা বললে এতে 1.1GHz এর কোয়াড কোর প্রসেসর রয়েছে। এর সাথে, Mali G31 MP2 GPU পাওয়া যাবে যা 700MHz ক্লক স্পিড সাপোর্ট করে। ডিসপ্লের পরে, পারফরম্যান্স নিয়েও কোনও অভিযোগ থাকবে না। স্পিড খুব ফাস্ট না হলেও পারফরম্যান্স ভালো। ব্যবহারের সময়, আমরা অনেক অ্যাপ ওপেন করেছি এবং ক্রমাগত ভিডিও স্ট্রিম করেছি কিন্তু টিভিটি সঠিকভাবে কাজ করছে। অ্যাপ ক্র্যাশ বা হ্যাং এর মত কোন সমস্যা ছিল না। এই টিভির প্রসেসরটি 1.5GB RAM এবং 8GB ইন্টারনাল স্টোরেজ দ্বারা চালিত।
মিউজিকের জন্য, এতে একটি 20W স্পিকার রয়েছে। সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ ভালো। কিন্তু ডিসপ্লে থেকে আমরা যে ধরনের পারফরম্যান্স পেয়েছি, সাউন্ডে সেরকম অনুভূতি পাইনি। জোরে কিন্তু গোড়ায় একটু পিছিয়ে পড়ে। এই রেঞ্জে বা এর থেকে কম বাজেটেও একটি 24-ওয়াট স্পিকারও পাওয়া যায়। তাই এই টিভিটি এখানে আমরা একটু পিছিয়ে আছে।

কানেক্টিভিটির জন্য, আপনি এই Elista 43-ইঞ্চি টিভিতে 2টি USB পোর্ট সহ 3টি HDMI পোর্ট পাবেন। তবে কোম্পানি USB এবং HDMI পোর্টের ভার্সন প্রকাশ করেনি। অন্যদিকে, এতে ডুয়াল ওয়াই-ফাই ব্যান্ডের সাপোর্ট রয়েছে। অর্থাৎ, আপনি 2.4GHz এর সাথে 5GHz ব্যান্ডের সাপোর্টও পাবেন। কিন্তু আপনি যদি এখন 50 হাজার টাকার টিভির দিকে যান তাহলে আপনি অবশ্যই ওয়াইফাই 6Ghz এর দিকে তাকাবেন যা সেখানে নেই। এর সাথে এই টিভিতে ব্লুটুথ কানেক্টিভিটিও পাওয়া যাচ্ছে।
উপরে, আপনাদের জানিয়েছি যে এটি WebOS-এ কাজ করে যা LG দ্বারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং আপনি টিভি অপারেট করার ক্ষেত্রেও এটির একটি আভাস পেতে পারেন। এতে অনেক জায়গায় LG এর উল্লেখ আছে। একই সময়ে, এতে webOS এর সাথে LG এর Think UI রয়েছে। এটি অ্যান্ড্রয়েড টিভির চেয়ে অনেক ফাস্ট এবং Think UI খুব স্মার্ট। কিন্তু এত কিছুর পরেও শুরুতে টিভি চালাতে গিয়ে আপনার কিছুটা সমস্যা হতে পারে। অ্যাপগুলি ইনস্টল, আনইনস্টল এবং জিনিসগুলি সেট আপ করতে এতে অনেকটা সময় লেগেছে৷

অ্যান্ড্রয়েড টিভি না হওয়ার পরেও, এটি গুগল অ্যাপস খুব ভালভাবে চালাচ্ছিল। এছাড়াও টিভিটি Netflix, YouTube, Prime Video, Disney+ Hotstar SonyLiv এবং Zee5 সহ আরও বেশ কয়েকটি স্ট্রিমিং অ্যাপের সাথে প্রিলোড করা হয়েছে এবং সেগুলিও ভাল কাজ করে।
যদিও OS বেশ ভালো কিন্তু কিছু জিনিস আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। যেমন, প্রোগ্রাম সেট করতে না চাইলেও বারবার স্ক্রিনে রিমাইন্ডার থাকাটা আমার ভালো লাগে নি। অন্যদিকে, এতে ভয়েসের জন্য অ্যামাজন ভিত্তিক অ্যালেক্সার সাপোর্ট রয়েছে তবে এটি গুগল ভয়েসের মতো স্মার্ট নয়। ভয়েস রিকগনিশনে অনেক সমস্যা আছে।

কোম্পানি টিভির সাথে দেওয়া রিমোটটির নাম দিয়েছে ম্যাজিক রিমোট এবং এটি আসলেই ম্যাজিক। তবে আজ যদি আপনি এটিকে Xiaomi এবং Realme এর রিমোটের সাথে তুলনা করেন তাহলে এটি অনেক পুরানো স্টাইলের মতো দেখায়। কিন্তু এটিতে অনেকগুলি কমান্ড রয়েছে এবং এটি অপারেটিংকে খুব দ্রুত করে তোলে।
রিমোটে সংখ্যাসূচক বাটন গুলির পাশাপাশি, ভলিউম এবং চ্যানেলের বাটনগুলি দেওয়া হয়েছে ।এছাড়া হোম, নেভিগেশন, পাওয়ার এবং ভয়েস কী ইত্যাদি রয়েছে। নেভিগেশনের মাঝখানে রয়েছে স্ক্রলার যা পয়েন্ট এবং ক্লিকের জন্যও কাজ করে। এখানে শুধুমাত্র Netflix এবং Amazon Prime এর জন্য হট কী রয়েছে।

রিমোটটির আরেকটি দুর্দান্ত ফিচার হল এটি একটি ইউনিভার্সাল রিমোট হিসাবে কাজ করে এবং আপনি এর সাথে বাড়ির অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির সাথেও কানেক্ট করতে পারবেন।
সব কিছু দেখার পর এবার সিদ্ধান্তে আসার পালা যে Elista 43 ইঞ্চি টিভিটি সবদিক থেকে কেমন। এই টিভির দাম 48,999 টাকা। ডিসপ্লে এবং পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি খুবই ভালো। কয়েকটি ত্রুটি ছাড়া, এটি বেশ স্মুথ ভাবে চলে। ম্যাজিক রিমোট অপারেটিংকে আরও সহজ করে তোলে। ডুয়াল ব্যান্ড ওয়াইফাই এবং ইউনিভার্সাল রিমোট কানেক্টিভিটি এর স্মার্টনেস যোগ করে। সাউন্ড কোয়ালিটি এবং ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট আলেক্সায় একটু খামতি আছে। তা সত্ত্বেও, আমি বলব যে আপনি এই টিভিটি কিনতে পারেন। যদিও 43 ইঞ্চি এলইডি টিভির জন্য 48,000 টাকার বাজেট কিছুটা বেশি বলা হবে, তবে ডিসপ্লের দিক থেকে এই টিভিটি যে কোনও কোম্পানিকে কড়া টক্কর দেবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post Elista 43-ইঞ্চি LED স্মার্ট টিভি রিভিউ : দুর্দান্ত ডিসপ্লে এবং স্মার্ট OS সহ পাবেন এই টিভিটি, তবে কিছুটা ব্যয়বহুল first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post 2,000 টাকার বাজেটে কতটা লাভজনক Nokia Go Earbuds+? জেনে নিন রিভিউ first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>ইয়ারবাডসের সবথেকে বেশি ব্যবহার হয় মিউজিক শোনা, ভিডিও দেখা অথবা মুভি দেখার জন্য। এমতাবস্থায় বিল্ড কোয়ালিটি অথবা ব্যাটারি লাইফ যতই ভালো হোক না কেনো সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো না হলে সেই ডিভাইসটি বেকার বলেই গন্য হবে। আশা করা যায়, যে Nokia Go Earbuds এর ক্ষেত্রে এমনটি হবে না। সাউন্ড কোয়ালিটির ক্ষেত্রে এই ইয়ারবাডসটি একটি অতুলনীয় প্রোডাক্ট। পাওয়ারফুল বেস সহ ব্যালেন্সড আউটপুট পাওয়া যায় এই ডিভাইসে।

ভলিউম ফুল করলেও আওয়াজ নষ্ট হয় না এবং সারাউন্ডিং ইফেক্টের জন্য ফিল্ম দেখা এবং গান শোনার সময় মজা দ্বিগুণ করে তোলে। কিছু প্রোডাক্টে সাউন্ড ফুল করলে আওয়াজ বাইরে থেকেও শোনা যায়, কিন্তু Nokia Go Earbuds+ এর ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। সব মিলিয়ে মিউজিক শোনার জন্য এই Nokia Go Earbuds+ বেস্ট অপশন।

Nokia Go Earbuds+ ডিভাইসটিকে কার্ভ ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে, এটি অ্যাটার্কটিভ ডিজাইনের পাশাপাশি এই ইউনিক শেপের জন্য এই কানে ফিট হয়ে যায়। এই ইয়ারবাডসের ওজনটিকে এমন ভাবে ব্যালেন্স করা হয়েছে, যে হালকা ঝাটকা অথবা দৌড়ানোর সময় এটি খুলে যাবে না। নোকিয়া নিজের এই প্রোডাক্টটিকে IPX4 সার্টিফাইড বানিয়েছে, ফলে এটি ঘাম এবং জলের ছিটা থেকে এটিকে সুরক্ষিত রাখে। Nokia Go Earbuds+ ইয়ারবাডসে টাচ সেন্সর দেওয়া হয়েছে, যেটি ব্যবহারের সময় বাইরের দিকে থাকে।
এই টাচ প্যানেলটি মিউজিক কন্ট্রোল এবং কল রিসিভ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্যবহার করার সময় এই ইয়ারবাডসের টাচ রেসপন্স আমরা স্লো অনুভব করেছি, যেখানে বাটন টাচ করলে গান প্লে অথবা পজ করার মাঝে ডিলে লক্ষ করা গেছে। আপনি যদি এই সব লোকেদের মধ্যে এক জন হয়ে থাকেন, যাদের বার বার নিজের মুখে অথবা মাথায় হাত দেওয়ার অভ্যাস আছে এবং বার বার কানে হাত দিয়ে ইয়ারবাডস সেট করেন, সেক্ষেত্রেও টাচ প্যানেলটি সমস্যা করতে পারে। টাচ প্রেস হওয়ার পর সাউন্ড খুব জোড়ে শোনাচ্ছিল, যেটি সফ্ট গান শোনার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত সৃষ্ঠি করে।

কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে Nokia Go Earbuds+ ইয়ারবাডসে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। স্মার্টফোন কিম্বা ল্যাপটপে ব্লুটুথ অন করার সঙ্গে সঙ্গে এটি সহজেই কানেক্ট হয়ে যায়। পেয়ারিং হওয়ার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে এবং একটি ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে সুইচ করতেও Nokia Go Earbuds+ ইয়ারবাডসে কোনো সমস্যা হয় না। এই ইয়ারবাডসটি Bluetooth 5.0 যুক্ত এবং কানেক্টিভির ক্ষেত্রে এই ডিভাইসটি খুবই ফাস্ট।

নোকিয়া নিজের এই ডিভাইসের চার্জিং কেসে 300mAh ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রদান করেছে, আবার ইয়ারবাড গুলি 40mAh-এর পাওয়ার সাপোর্ট করে। Nokia Go Earbuds+ ডিভাইসটিকে USB টাইপ-সি এর সাহায্যে চার্জ করা যাবে। প্রায় 1 ঘণ্টা চার্জ করে আমরা 6 ঘণ্টারও বেশি ব্যবহার করেছি, কিন্তু তারপরেও লো-ব্যাটারির সমস্যা দেখা যায়নি।
Nokia Go Earbuds+ এর বক্সে একটি ইয়ারবাডস ডিভাইস পেয়ার চার্জিং কেসের মধ্যে পাওয়া যাবে। এর সাথে বক্সে একটি টাইপ-সি USB কেবল পাওয়া যাবে। সব বয়সের মানুষের জন্য Nokia Go Earbuds+ কোম্পানি দুটি ব্ল্যাক ইয়ারবাডস সেট প্রদান করছে, যেখানে একটি ছোট ও অন্যটি বড়ো সাইজের ইয়ারবাডস দেওয়া হয়েছে।

মিউজিকের ক্ষেত্রে Nokia Go Earbuds+ নিঃসন্দেহে দারুন প্রোডাক্ট। এটির সাউন্ড কোয়ালিটি খুবই ভালো, যা গান শোনা এবং মুভি দেখার মজা আরও বাড়িয়ে দেয়। লুকের দিক থেকেও Nokia Go Earbuds+ ডিভাইসটিকে অসাধারণ বলা যায়। টাচ রেসপন্সে একটু সমস্যা দেখা গেলেও, ডিজাইন এবং মিউজিক কোয়ালিটির দিক থেকে এটি একটি অসাধারণ প্রোডাক্ট।

Nokia Go Earbuds+ ডিভাইসটি কোম্পানির আধিকারিক ওয়েবসাইটে 2,299 টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে এবং ফ্লিপকার্টে এই ডিভাইসের দাম মাত্র 1,999 টাকা। এই বাজেটে আপনি যদি কোনো নতুন ইয়ারবাডস ডিভাইস কিনতে চান, তাহলে Nokia Go Earbuds+ কে বেছে নিতে পারেন। এই ডিভাইসটিকে ব্ল্যাক এবং হোয়াইট, এই দুই কালার অপশনে পেশ করা হয়েছে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post 2,000 টাকার বাজেটে কতটা লাভজনক Nokia Go Earbuds+? জেনে নিন রিভিউ first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post Maxhub BM21 Bluetooth Speakerphone রিভিউ: জেনে নিন এই স্পিকারটি দাম দিয়ে কেনার যোগ্য কি না first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>Maxhub BM21 Bluetooth Speakerphone-এর কথা বলতে গেলে, এটি কম্প্যাক্ট টেবিলটপ স্পীকার অডিও/ভিডিও কনফারেন্সিঙের অল-ইন-ওয়ান প্রোডাক্ট। এই ওয়ারলেস পোর্টেবেল স্পীকারে একটি বড়ো মিটিং রুমে স্পষ্ট অডিও-এর জন্য 6 অ্যারে এলিমেন্ট মাইক্রোফোন এবং অসাধারণ স্পিকার দেওয়া হয়েছে। এই Maxhub BM21 Bluetooth Speakerphone-এর দাম ভারতে 29,999 টাকা দাম। কিন্তু ডেলি কনফারেন্সের ক্ষেত্রে এটি কতটা কার্যকর? এই স্পীকারটি কি অনলাইন কনফারন্স বা মিটিঙের জন্য ব্যবহৃত হওয়া বেস্ট প্রোডাক্ট? এই প্রোডাক্ট কিনলে কতটা লাভ হবে? এই সকল প্রকার প্রশ্নের উত্তর এই রিভিউয়ের মাধ্যমে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

Maxhub BM21 একটি সার্কুলার টেবিলটপ ডিজাইনের স্পীকার। এই স্পিকারফোনের আকার খুবই কম্প্যাক্ট, ফলে এই স্পীকারটিকে যেকোনো কনফারেন্স টেবিলে বা ডেস্কটপ টেবিলে খুব সহজেই রাখা যাবে। সব মিলিয়ে এটির জন্য খুবই কম জায়গা লাগে এবং এটির ওজনও খুব হালকা। কোম্পানি এটির ডিজাইন কম প্লাস্টিকের সাথে মেটাল ডিজাইনে তৈরি করেছে।
এই স্পিকারফোনের উপরে বাঁদিকে ভলিউম ডাউনের বাটন, এর পরে ব্লুটুথ পেয়ারিঙের বাটন, মাইক অফ/ মিউট, কল এবং ভলিউম বাটন দেওয়া আছে। সবকটি বোতাম এলইডি লাইট যুক্ত এবং স্পিকারফোনটি চালু করার সাথে লাইট গুলি চালু হয়ে যায়। এই Maxhub BM21 স্পিকার ফোনে ছোট থেকে মিডিয়াম মিটিং রুমের জন্য অসাধারণ ডিজাইন দেওয়া হয়েছে।

Maxhub BM21 এ 6 টি মাইক্রোফোন অ্যারছ দেওয়া আছে, যেগুলি 360 ডিগ্রি অডিও পিকআপ, হাই-রেঞ্জ ডাইনামিক স্পিকারস এবং হার্ডওয়্যার-লেভেলের জুম সর্টিকেশন পারমিশন প্রদান করে। এই স্পীকারফোনে ডুয়াল সাউন্ড মোড, অর্থাৎ মিউজিক এবং কল অ্যাক্সেস করা যাবে। স্মার্টফোনকেও এই স্পীকারফোনের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যাবে।
আমার রিভিউয়ের সময় আমি লক্ষ করেছি, যে এই স্পিকারফোনটি যেকোনো মিটিঙের সময় অডিও অ্যামপ্লিকেশনে সাথে দারুন কাজ করে। ইউজাররা কলারের অডিও পরিষ্কার শুনতে পাবেন। ভলিউম বাড়ানোর সাথে সাথে অডিও সাউন্ড আরও পরিস্কার শোনা যায়। এই স্পিকারটি হাই-ফিদালিটি সাউন্ড ট্রান্সমিশন সাপোর্ট করে, যেটি মিটিং রুমে থাকা প্রত্যেক সদস্যকে অডিও ট্রান্সমিশনের অনুমতি দেয়। সব মিলিয়ে এটি মিটিঙের জন্য একটি অসাধারণ স্পিকারফোন।

Maxhub BM21 Bluetooth speakerphone-এর আকর্ষণীয় ব্যাপার হলো, যে এটিকে ওয়ারলেস এবং ওয়ার দুটির মাধ্যমেগ কানেক্ট করা যাবে। এই স্পীকারফোনে 3.5mm headphone jack দেওয়া আছে, যার মাধ্যমে যেকোনো ল্যাপটপ, মোবাইল এবং কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করা যেতে পারে। ব্যাটারির কথা বলতে গেলে, এই ওয়ারলেস স্পিকার ফোনটিকে একবার ফুল চার্জ করলে প্রায় 6 থেকে 7 ঘণ্টা পর্যন্ত চালানো যেতে পারে। আবার কোম্পানি পাওয়ার ব্যাকআপের সম্পর্কে 8 ঘণ্টার দাবি করেছে।
আপনি যদি এখনো ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন এবং আপনাকে দিনে একাধিক মিটিং অ্যাটেন্ড করতে হয়, সেক্ষেত্রে এই Maxhub BM21 Bluetooth Speakerphone একটি দারুন প্রোডাক্ট। যদিও এটির দাম একটু বেশি। কিন্তু আপনার প্রয়োজনের উপর নির্ভর করবে, যে এটি আপনি কিনবেন কিনা। এর সাথে এই স্পিকারটিকে অফিসে ব্যবহার করার পরে এতে মিউজিকও শুনতে পারবেন।
The post Maxhub BM21 Bluetooth Speakerphone রিভিউ: জেনে নিন এই স্পিকারটি দাম দিয়ে কেনার যোগ্য কি না first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post BenQ GS50 পোর্টেবল প্রোজেক্টার: দেখে নিন কতটা আকর্ষণীয় এন্টারটেইনমেন্টের এই ঝুড়ি first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>BenQ GS50-এর দুইদিকেই সবুজ রঙের রাবার প্যানেল লাগানো আছে। এর সাথেই একটি স্ট্র্যাপ হ্যান্ডেলও দেওয়া হয়েছে। এটির মাধ্যমে প্রোজেক্টারটি ট্রেন্ডি ডিজাইনের দেখতে লাগে। এই প্রোজেক্টারটি গুড-লুকিং হওয়ার সাথেই কিউবিক্যাল শেপ ডিজাইনের হওয়ায় এটি সবাইকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করে।
প্রোজেক্টারের টপে কিছু ফিজিক্যাল বাটন দেওয়া আছে, এই গুলির মধ্যে পাওয়ার বাটন, ব্লুটুথ কানেক্ট বাটন এবং সাউন্ড বাটন দেওয়া আছে। বাঁ-দিকে একটি রাবার কভারের নীচে USB-C, HDMI এবং USB পোর্ট দেওয়া হয়েছে। এর সাথেই এখানে সেটিং লক করার জন্য একটি সুইচও দেওয়া আছে। সামনে নীচের দিকে ডানদিকে প্রোজেকশন অ্যাঙ্গেল কমানো-বাড়ানোর জন্য একটি বাটন দেওয়া হয়েছে।
প্রোজেক্টারটি ওজনের দিক থেকে অনেক হাল্কা এবং কম্প্যাক্ট। এটি 6.06 ইঞ্চি চওড়া, 5.75 ইঞ্চি লম্বা এবং 7.32 ইঞ্চি লম্বা। এটির এইরকম সাইজের জন্য এটিকে ঘুরতে যাওয়ার সময় খুব সহজেই নিয়ে যাওয়া যায়।
এই প্রোজেক্টারের রিমোটটিও কম্প্যাক্ট। এই রিমোটে Google Assistant ছাড়া Prime এবং Youtube-এর Hot Keys আর প্রোজেক্টারের সেটিং কন্ট্রোলও দেওয়া হয়েছে। রিমোটের সাহায্যে BenQ ডঙ্গেল এবং প্রোজেক্টার দুটিকেই কন্ট্রোল করা যাবে।
BenQ GS50-এ Android TV চালানোর জন্য QS01 ডঙ্গেলটিকে উপরে দেওয়া HDMI পোর্টে লাগাতে হবে। প্রোজেক্টারের টপে HDMI পোর্টটিকে রাবারের ফ্ল্যাপের নীচে দেওয়া হয়েছে, এটিকে প্রথমে খুঁজে পাওয়া খুবই মুশকিল। কিন্তু, এটি ডঙ্গেলকে আড়ালও করে নেয়।
BenQ GS50 প্রোজেক্টারটিকে ওয়ারলেস অর্থাৎ ওয়াই-ফাই এর সাহায্যেও ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট করা যাবে। এতে LAN এর অপশন দেওয়া নেই। কিন্তু, আপনি যদি নিজের কম্পিউটার, ল্যাপটপ অথবা অন্য কোনো ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করতে চান, তাহলে HDMI অথবা TYPE-C পোর্টের ব্যবহার করতে পারবেন।
Android TV খুব সহজে এবং স্মুথ কাজ করে। কোনো অ্যাপকেই অপারেট করতে অসুবিধা হয়নি। এতে Prime, Hotstar এবং অন্যান্য সমস্ত OTT অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু Netflix-এর নেটিভ সাপোর্ট প্রোজেক্টারের কাছে নেই। কোম্পানির দাবি থার্ড-পার্টির মাধ্যমে Netflix ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু, বহু চেষ্টার পরেও আমি ব্যর্থ হয়েছি এবং Netflix-প্রেমীদের জন্য এটি হতাশাজনক হতে পারে।
একটি বিশেষ ফিচার হলো প্রোজেক্টারটি নিজের কাস্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এই ফিচারের মাধ্যমে অন্য কোনো ডিভাইসের থেকে কিছু কাস্ট করার জন্য সর্বদা অ্যাক্টিভ ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয় না।
প্রোজেক্টারটিকে স্মার্টফোনে উপলব্ধ ‘BenQ Smart Control’ অ্যাপের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যাবে।
GS50 একটি 1080p রেজল্যুশনের প্রোজেক্টার। এই প্রোজেক্টারে হাই-এন্ড হোম থিয়েটারের মতো পারফরম্যান্স পাওয়ার আশা করা বৃথা। 1080p রেজল্যুশনের সাথেই 500 ANSI লুমেন্সের ব্রাইটনেস পাওয়া যাবে। এই প্রোজেক্টারটি ডার্ক এবং হাল্কা আলো কন্ডিশানে ভালো কাজ করে। এই প্রোজেক্টারটিকে 30 ইঞ্চি থেকে 110 ইঞ্চি পর্যন্ত বিশাল প্রোজেকশন করা যাবে। কিন্তু কোম্পানির অনুযায়ী 80 থেকে 100 ইঞ্চির মধ্যে ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়।
এটির প্রোজেকশন কোয়ালিটি খুবই অসাধারণ। প্রোজেক্টারটির মাধ্যমে ইমেজ ক্রিস্প এবং ডিফাইন্ড দেখা যায়। কিন্তু, আগেই আমরা বলেছি, যে এটি একটি পোর্টেবল প্রোজেক্টার, এটি দিনের আলোর তুলনায় হাল্কা আলো এবং অন্ধকারে ভালো কাজ করে।

BenQ GS50 প্রোজেক্টারটি 2.5 ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ প্রদান করে। অথবা বুঝে নিন যে পাওয়ার ছাড়া অধিক ফিল্ম দেখতে পারবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, যে মুভি দেখার সময় ব্রাইটনেস কতটা করে রেখেছেন, সাউন্ড কতটা আছে, এই গুলিও ব্যাটারি লাইফের উপরে প্রভাব ফেলে। লো-ব্রাইটনেস মোড, হাল্কা সাউন্ড এবং ইউটিউবে মুভি দেখার মাধ্যমে এই প্রোজেক্টারের অধিক ব্যাটারি ব্যাকআপ ব্যবহার করা যাবে।
BenQ নিজের প্রোজেক্টারের সাউন্ডের প্রতি মনোযোগ সহকারে কাজ করেছে। কোম্পানি জানে, যে ভালো পিকচার কোয়ালিটির সাথে ভালো সাউন্ড কোয়ালিটিও প্রয়োজন। এই প্রোজেক্টারের সাথে এক্সটার্নাল স্পীকারের ব্যবহার করতে হবে না। কারন এতে ইন-বিল্ট স্পীকার দেওয়া হয়েছে, এই স্পীকার ইন্ডোর এবং আউটডোরে অসাধারণ এবং লাউড সাউন্ড প্রদান করে। এই স্পীকারের মাধ্যমে বেস, পরিস্কার মিড এবং হাই সাউন্ড আউটপুট পাওয়া যায়। আকর্ষণীয় বিষয় হলো এই প্রোজেক্টারটিকে একটি পোর্টেবল ব্লুটুথ স্পীকারের মতোও ব্যবহার করা যাবে।
BenQ GS50 একটি অসাধারণ পোর্টেবল প্রোজেক্টার। এটির ওয়াটার-স্প্ল্যাশ প্রুফ ডিজাইন এটিকে ভ্রমনের সময় সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য খুবই ভালো। কিন্তু, দিনের বা বেশি আলোয় এই প্রোজেক্টারের কোয়ালিটি অতোটা ভালো হয় না, কিন্তু কম আলো এবং অন্ধকারে এটি অসাধারণ কোয়ালিটি প্রদান করে। যদি আপনি এক লাখ টাকার মধ্যে পোর্টেবল প্রোজেক্টারের খোঁজ করছেন, তাহলে BenQ GS50 একটি অসাধারণ অপশন।
অন্যান্য অপশনের কথা বলা হলে, পোর্টেবল প্রোজেক্টার হিসেবে বাজারে আপাতত BenQ অথবা স্যামসাং ফ্রি স্টাইল প্রোজেক্টারের কথাই শোনা যায়। কিন্তু স্যামসাঙের প্রোজেক্টারের দাম এর থেকে 10 হাজার টাকা বেশি। এমতাবস্থায় আপনার বাজেট কম থাকলে BenQ GS50 প্রোজেক্টারটি বেছে নিতে পারেন।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post BenQ GS50 পোর্টেবল প্রোজেক্টার: দেখে নিন কতটা আকর্ষণীয় এন্টারটেইনমেন্টের এই ঝুড়ি first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post কম দামে একটি দুর্দান্ত সাউন্ডবার Mivi Fort S100, দেখে নিন সম্পূর্ণ রিভিউ first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>ডিজাইনের পরিপ্রেক্ষিতে, Mivi Fort S100 একটি অসাধারণ ডিজাইন সহ পেশ করা হয়েছে, যা সহজেই আপনার টিভির সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। আয়তক্ষেত্রাকার ব্ল্যাক বডি এবং সাদা ধার যুক্ত, এই সাউন্ডারটি ব্লুটুথের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি টিভির সাথেই কানেক্ট করা যাবে। আমরা এই সাউন্ডবারটি আমাদের থমসন স্মার্ট টিভির সাথে কানেক্ট করে ব্যবহার করেছি। সাউন্ড বারের উপর কিছু অপারেটিভ বাটন পাওয়া যায়। পাশাপাশি এর সাথে একটি অ্যাডাপ্টার, অক্স কেবল এবং ম্যানুয়াল কার্ড পাওয়া যায়। এছাড়াও, এই সাউন্ডবারের সাথে একটি সাধারণ কালো রঙের রিমোটও পাওয়া যায়। এই রিমোটে, ভলিউম কমানো এবং বাড়ানো সহ একাধিক অপারেটিভ বাটন আছে। এর কোয়ালিটি এবং ডিজাইন বেশ সাধারণ।
আপনারা চাইলে Fort S100 সাউন্ডবারটিকে আলাদাভাবে শুধুমাত্র একটি স্পিকার হিসাবে আপনার ফোনে কানেক্ট করে সাউন্ড উপভোগ করতে পারেন৷ এটি টিভিতে ব্যবহার করে, ইউটিউবে গান শোনার সময় সাউন্ড আরও বাড়ানো যায়। তবে বেস লেভেল আরেকটু ভালো হতে পারত, যেটা আমরা সিনেমার সময় অনুভব করেছি। ভলিউম অত্যধিক বাড়ালে, শব্দ ক্র্যাক হতে শুরু করে। তবে সামগ্রিকভাবে, এই সাউন্ডবারের সাউন্ড কোয়ালিটি এর দাম অনুযায়ী যথেষ্ট ভালো।
প্রায়শই, বাজেট সাউন্ডবারগুলোতে কানেকশন এর সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু, Mivi Fort S100 নিয়ে আমাদের তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। এটি দ্রুত ফোন এবং টিভিতে কানেক্ট হয়েছে। একবার কানেক্ট হওয়ার পরে যখন এই সাউন্ডবারটি অন করা হয় , তখন কোনো বিলম্ব ছাড়াই পুনরায় কানেক্ট হয়ে যায়। এতে আপনি HDMI, ARC, Bluetooth, AUX, USB এবং coaxial input সহ অনেক কানেক্টিভিটি অপশন পাবেন।
যদিও একটি বাজেট সাউন্ডবার হওয়ায় Mivi Fort S100 সাউন্ডবার থেকে খুব বেশি কিছু আশা করা যায় না। তবে, কিছু জিনিসের ক্ষেত্রে এটি আপনাকে নিরাশ করবে যেমন এতে কাস্টমাইজযোগ্য সাউন্ড নেই। যদিও এতে কিছু প্রিসেট সাউন্ড দেওয়া হয়েছে যেমন মিউজিক, মুভি ইত্যাদি। এই সমস্ত সাউন্ডের জন্য রিমোটে একটি বাটনও দেওয়া হয়েছে। তবে এই সাউন্ড বারে রিটেনিং মোডের ফিচার নেই। আপনি যদি এটি একবার বন্ধ করে দেওয়ার পরে অন করেন তাহলে এটি শুধুমাত্র ব্লুটুথ মোডে অন করা যাবে। তবে এই সাউন্ডবারের অটো পাওয়ার ফিচারটি না থাকার জন্য আমার ভীষণ সমস্যা হয়েছিল।
আপনি যদি একটি ভাল সাউন্ডবার খুঁজে থাকেন, যা সহজ কানেক্টিভিটির সাথে দুর্দান্ত সাউন্ড প্রদান করবে, তাহলে Fort S100, 5,000 টাকার কম দামে আপনার জন্য একটি ভাল অপশন। তবে, বাজেট ক্যাটাগরির এই সাউন্ডবার থেকে খুব বেশি কিছু আশা করা উচিত নয়।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post কম দামে একটি দুর্দান্ত সাউন্ডবার Mivi Fort S100, দেখে নিন সম্পূর্ণ রিভিউ first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post Samsung Galaxy A73 Review : ক্যামেরা তো স্মার্ট কিন্তু পারফরম্যান্স কেমন? জেনে নিন বিস্তারিত first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>প্রথমেই আমি Samsung Galaxy A73 এর সম্পর্কে বলব যে ফোনটি দেখার পর আপনাদের অবশ্যই ফোনটি একবার হাতে নেওয়ার ইচ্ছে হবে। এর বডি মেটাল ফ্রেমে তৈরি কিন্তু ব্যাক প্যানেলটি পলিকার্বোনেট প্লাস্টিকের তৈরি, যদিও এর মান অনেক ভালো। ফোনটির প্যানেলটি ম্যাট ফিনিশের, তাই ফোনটি হাত থেকে পিছলে যায় না। আগে যেখানে স্যামসাং ফোনগুলি পাশ থেকে কিছুটা বাঁকা থাকতো সেখানে এবার এই ফোনে বক্স ডিজাইন দেওয়া হয়েছে। তাই এই ফোনটি আপনার নতুন বলেই মনে হবে। এটি এখনকার ফোনের তুলনায় অনেক হালকা। এর ওজন 181 গ্রাম। ভারতীয় মার্কেটে এই ফোনটি তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে- Awesome Mint, Awesome Gray এবং Awesome White। ব্যক্তিগত ভাবে আমার Awesome White রঙটি বেশি ভালো লেগেছে।

হার্ডওয়্যার বাটন এবং পোর্টের দিকে তাকিয়ে কোম্পানি ফোনের ডান পাশে ভলিউম এবং পাওয়ার বাটন দিয়েছে। উপরের দিকে একটি সিম কার্ড স্লট এবং নীচে একটি লাউডস্পিকার গ্রিল এবং USB Type-C পোর্ট থাকবে। ফোনটিতে ডুয়াল কার্ড স্লট দেওয়া হয়েছে যেখানে দ্বিতীয় স্লটটি হাইব্রিড।

ডিজাইনের দিক থেকে ফোনটি বেশ ভালো তবে দামের হিসেবে এই ফোনে গ্লাস বডি থাকলে ভালো হতো। এছাড়াও এই ফোনে 3.5 mm অডিও জ্যাকের অভাব আছে। তবে এই ফোনের একটি ভালো দিক হল ফোনটি IP67 রেটিং সহ আসে যা ফোনটিতে জল ও ধুলোবালির হাত থেকে রক্ষা করে। এই ফোনটি 1 মিটার জলে 30 মিনিট থাকলেও ফোনের কোনও সমস্যা হবে না।
যখনই Samsung কোম্পানির ফোনের কথা বলা হয়, তখন সবাই এই ফোনের ডিসপ্লের বিষয়ে জানতে চায়। এবার আপনাদের Galaxy A73 এর ডিসপ্লে সম্পর্কে জানাবো। এই ফোনটির ডিসপ্লে বেশ ভালো। এতে আপনি সেন্টার পাঞ্চ হোল ডিসপ্লে দেখতে পাবেন, যেটা বেশ ছোট। এই ফোনে কোম্পানি একটি 6.7-ইঞ্চি স্ক্রিন দিয়েছে যা 1080 x 2400 পিক্সেল রেজলিউশন অর্থাৎ HD + রেজলিউশনের সাথে আসে। স্ক্রিন প্রোটেকশন এর জন্য এই ফোনে Corning Gorilla Glass v5 এর প্রোটেকশন দেওয়া হয়েছে। এই ফোনে আপনারা 120 রিফ্রেশ রেট সহ একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

এই ফোনটির পিক ব্রাইটনেস 800 নিটস। তাই উজ্জ্বল আলোর মধ্যেও আপনি স্ক্রিনটি স্পষ্ট ভাবে দেখতে পাবেন। আপনি যদি ফোনে OTT পরিষেবার ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনি এই ফোনটি বেশ ভালো লাগবে। কারণ এতে আপনি Netflix-এর মতো অ্যাপ থেকে HDR কন্টেন্ট স্ট্রিম করতে পারবেন। ফোনটির ডিসপ্লে বেশ ক্রিস্প এবং বেজেল খুবই কম। এই ফোনের ভিডিও এবং গেমিং কোয়ালিটিও বেশ ভালো। এর ডিসপ্লের ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি পাওয়া যায় নি।
এই সেগমেন্টে আপনি Samsung Galaxy A73 কে একটু সাধারণ বলতে পারেন। কোম্পানি এই ফোনটি Qualcomm Snapdragon 778G প্রসেসরের সাথে পেশ করেছে। যদিও এই প্রসেসরটি পারফরম্যান্সের দিক থেকে খুবই ভালো, কিন্তু এই বাজেটে এর থেকেও অনেক ভালো প্রসেসর যুক্ত ফোন পাওয়া যাচ্ছে। Samsung -এর M সিরিজের ফোন 25 হাজার টাকা বাজেটে এই প্রসেসর এর সাথে আসে। এই ফোনে 6nm ফ্যাব্রিকেশনে তৈরি 20.4 GHz অক্টা কোর প্রসেসর আছে যা Kryo আর্কিটেকচারে তৈরি। এর সাথে গ্রাফিক্সের জন্য এই ফোনে Adreno 642L GPU দেওয়া হয়েছে। এই ফোনটি 8GB, LPDDR4X RAM সাপোর্ট করে। ফোনটিতে RAM প্লাস সাপোর্ট রয়েছে যেখানে আপনি 8GB পর্যন্ত ভার্চুয়াল RAM ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি মোট 16GB RAM এর সাপোর্ট পাবেন। পারফরম্যান্স এর দিক থেকেও আপনি এই ফোনে কোন ত্রুটি পাবেন না।

পারফরম্যান্স সম্পর্কে কথা বলতে গেলে, আপনাদের জানিয়ে রাখি যে আমাদের বেঞ্চমার্ক টেস্ট এ, এটি N22 তে 5,30,293 স্কোর করেছে। গ্রাফিক্স বেঞ্চমার্ক GFX-এ, এটি 69 ফ্রেমে 4,278 স্কোর করেছে এবং টেরেক্সে 6089 স্কোর করেছে 109 ফ্রেমে। সিপিইউ পারফরম্যান্সের জন্য, ফোনটি গিকবেঞ্চ রান করা হলে সেখানে ফোনটি সিঙ্গেল কোরে 725 এবং মাল্টি-কোরে 2,796 পর্যন্ত স্কোর করেছে।

তবে এই ফোনের গেমিং পারফরম্যান্স বেশ ভালো। আমরা আধা ঘন্টারও বেশি সময় ধরে এই ফোনে গেম খেলেছি এবং আমরা কোন ফ্রেম ড্রপ লক্ষ্য করিনি। ফোনটি অত্যাধিক গরম হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও ছিল না। স্টোরেজ সম্পর্কে কথা বললে, কোম্পানি এটি 128GB এবং 256GB এর সাথে পেশ করেছে। মেমরি কার্ড এর মাধ্যমে ফোনের RAM আরও বাড়ানো যাবে।
ক্যামেরার কথা বললে, Samsung Galaxy A73 5G এর ক্যামেরা আপনাকে অবশ্যই মুগ্ধ করবেই। যদিও বর্তমানে কোম্পানিগুলি শুধুমাত্র ডুয়াল বা ট্রিপল ক্যামেরা সহ ফোন লঞ্চ করছে কিন্তু Samsung এই 1.8 অ্যাপারচার সহ ফোনে 108MP প্রাইমারি ক্যামেরা দিয়েছে। এছাড়াও এই ফোনে একটি 12 MP আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স রয়েছে যা f/2.2 অ্যাপারচারের সাথে চালু করা হয়েছিল। তৃতীয় লেন্স এবং চতুর্থ লেন্সটি 5 MP Macro এবং Depth লেন্স, যা f/2.4 অ্যাপারচার সহ আসে।

বড় মেগাপিক্সেল সহ এই ফোনে কোম্পানি OIS এবং VDIS এর মত ফিচারও দিয়েছে। OIS যে শুধুমাত্র ছবি ক্লিক করার সময় আরও ভাল Stabilization সাপোর্ট করবে তাই নয়, নাইট ফটোগ্রাফিতেও ভাল কাজ করবে। ভিডিও শুটিংয়ের সময় VDIS আপনাকে ভাল Stabilization এ আপনাকে সাহায্য করবে।

ছবির গুণমান সম্পর্কে কথা বলতে গেলে, আমি সম্পূর্ণ বিস্তারিতভাবে ফটো ক্লিক করেছি। যেখানে সামান্য overexposure দেখা গেছে।ক্যামেরার সাথে HDR থাকলেও উজ্জ্বল আলোতে ছবিগুলো একটু বেশিই ফুটে উঠছিল। যদিও কালার কম্বিনেশন খুব ভালো ছিল এবং এর ক্যামেরায় পোর্ট্রেট ছবিও খুব ভালো উঠেছে।
ভিডিও সম্পর্কে কথা বললে, আপনাদের এই ফোনের পোর্ট্রেট ভিডিওটি বেশ ভালো লাগবে। যদিও ব্যক্তিগত ভাবে আমি Samsung এর স্লো মোশন ভিডিও পছন্দ করি, এই ফোনেও সেই ফিচারটি বেশ ভালো।
রেয়ার ক্যামেরার পাশাপাশি ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরাও আপনাকে মুগ্ধ করবে। কোম্পানি ফোনটি 32 MP ফ্রন্ট ক্যামেরা সহ পেশ করেছে যা f/2.2 অ্যাপারচার একটি সিঙ্গেল ওয়াইড অ্যাঙ্গেল সাপোর্ট করে। এই ফোনের ফ্রন্ট এও আপনি পোর্ট্রেট মোড পাবেন। আপনি এই ফোনের ফ্রন্ট এবং ব্যাক উভয় ক্ষেত্রেই 4K রেকর্ডিং পাবেন।
Samsung Galaxy A73 5G স্মার্টফোনে একটি 5000 mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো বড় ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও কোম্পানি ফোনটির ওজন অনেকটাই হালকা রেখেছে। ফোনটি 25 ওয়াট পর্যন্ত ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। তবে কোম্পানি ফোনের সাথে চার্জার দেয়নি। এতে আপনি শুধুমাত্র একটি USB Type-C কেবল পাবেন। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশ ভাল। PC মার্ক পরীক্ষায়, এই ফোনটি সাড়ে বারো ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টিকে ছিল, তাই এটা বলাই যায় যে এই ফোনের ব্যাটারি পারফরম্যান্স বেশ ভালো।

Samsung Galaxy A73 5G তে আপনি ডুয়াল সিম সাপোর্ট পাবেন। ফোনটিতে ডুয়াল 4G এর সাথে ডুয়াল 5G সাপোর্ট রয়েছে এবং আপনি উভয় স্লটে 5G সুবিধা নিতে পারবেন। কোম্পানি এতে ডুয়াল ব্যান্ড ওয়াইফাই সাপোর্ট করেছে এবং আপনি দ্রুত 5 গিগাহার্জ ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারেন। আপনি এতে ব্লুটুথ 5.0 এর সাপোর্ট পাবেন।
সবকিছু পর্যালোচনার পরে এটা বলা যায় যে, ভারতীয় মার্কেটে 41,999 টাকার এই
Samsung Galaxy A73 5G স্মার্টফোনটি প্রসেসর এবং গেমিং এর নিরিখে একটু বেশি দামী, তবে আপনি যদি সামগ্রিক ফোনটির ডিসপ্লে, ক্যামেরা এবং ডিজাইনের কথা বলেন, তাহলে এই ফোনটি আপনাকে নিরাশ করবে না। এর ফোনটির বিশেষত্ব হল এর লাইটওয়েট এবং স্টাইলিশ লুক, বড় ব্যাটারি, OIS সাপোর্ট করে, দুর্দান্ত ক্যামেরা, ওয়াটার ও ডাস্ট প্রুফ আইপি রেটিং ইত্যাদি।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post Samsung Galaxy A73 Review : ক্যামেরা তো স্মার্ট কিন্তু পারফরম্যান্স কেমন? জেনে নিন বিস্তারিত first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post Sennheise CX Plus Review : প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির TWS earbuds টি কেমন, জেনে নিন বিস্তারিত first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>যদি আমরা এই TWS-এর বক্স কন্টেন্ট সম্পর্কে কথা বলি, তাহলে আপনি এর বক্সে চার্জিং কেস, ইয়ারবাড, চার্জিং কেবল, কাস্টমার ম্যানুয়াল এবং ওয়ারেন্টি কার্ডের মতো জিনিসগুলি দেখতে পাবেন যা প্রায় সমস্ত ইয়ারবাডের সাথে আসে। যদি এর ডিজাইনের কথা বলা হয় তাহলে আপনি যখনই এটি চার্জিং কেস থেকে বের করবেন, তখন আপনার আশেপাশে বসে থাকা লোকেরা অবশ্যই এটি খেয়াল করবে এবং এটি হাতে নেওয়ার চেষ্টা করবে। এর চার্জিং কেস সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয়। এটি প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এর গুণগত মান খুবই ভালো। আপনি এই Earbuds টি হাতে ধরলে বা আপনার কানে রাখলে এর গুণমান বুঝতে পারবেন।

এর কেসটি যেমন তেমন ভাবে ব্যবহারের পরে হালকা স্ক্র্যাচ দেখা গেছে যা যেকোনো কেস এর ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। তবে যত্ন সহকারে কেসটি রাখলে তাতে কোন প্রকার স্ক্র্যাচ হবে না। এছাড়াও, চার্জিং কেসটি বেশ কমপ্যাক্ট, ঠিক AirPods Pro কেসের মতো, এটি সহজেই মানুষের পকেটে ফিট হয়ে যায়।
এটি সাদা এবং কালো এই দুটি কালার অপশনে আসে। আমি সাদা রঙের ইয়ারবাড ব্যবহার করছি। এতে সামনের দিকে একটি সিঙ্গেল এলইডি লাইট দেওয়া হয়েছে যা শুধুমাত্র চার্জ করার সময় রঙ পরিবর্তন করে। কেসের পেছনের দিকে টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট দেওয়া হয়েছে।
ফিট সম্পর্কে কথা বললে, ইয়ারবাডগুলি চার্জিং কেসের সাথে কানে খুব সুন্দরভাবে ফিট করে। এগুলো লাগানোর পর আপনার কোন প্রকার জ্বালাপোড়া হবে না। ব্যায়াম করার সময়ও এগুলি সহজেই ব্যবহার করা যেতে পারে। কানের মধ্যে ভালো ভাবে ফিট হয়ে যাওয়ার পরে সেগুলো পড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না। প্রায়শই আমি সাইকেল চালানো এবং দৌড়ানোর সময় এটি ব্যবহার করে দেখেছি, যেখানে আমার অভিজ্ঞতা খুব ভাল ছিল। জল প্রতিরোধের জন্য এই Earbuds এ IPX4 রেটিং আছে। যার মানে এই Buds গুলো জল এবং ঘাম থেকে সুরক্ষিত থাকে।

CX Plus True Wireless Earbuds একটি উচ্চ মানের Listening অভিজ্ঞতা প্রদান করে। একই সময়ে, এই ওয়্যারলেস ইয়ারফোনটিতে একটি অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন (ANC) ফাংশন দেওয়া হয়েছে , যা ইউজারদের কোনো ঝামেলা ছাড়াই একটি পরিষ্কার সাউন্ড অভিজ্ঞতা প্রদান করে। যদি আমরা ANC সম্পর্কে কথা বলি, তাহলে এটি বহির্বিশ্বের কোলাহল সম্পূর্ণরূপে দূর করতে সফল। অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন (ANC) এর পাশাপাশি এতে ট্রান্সপারেন্সি মোড রয়েছে, যার ফলে ইয়ারবাড বের না করেও চাইলে বাইরের আওয়াজ শোনা যায়। এই ফিচারের সাহায্যে বাইরের
আওয়াজগুলো ভেতরে শোনা যায়।

পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে, CX Plus ভারসাম্যপূর্ণ, পরিষ্কার এবং দুর্দান্ত স্টেরিও সাউন্ড প্রদান করে। আর CX Plus সম্পর্কে এটাই আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে। এর বেস অনেক ভালো। আমি অনেক জনবহুল জায়গায় গিয়ে ফোন করেছি, কিন্তু ফোনের ওপাশে থাকা ব্যক্তি স্পষ্ট ভাবে আমার আওয়াজ শুনতে পেয়েছেন। Sennheiser এতে EQ সেটিং দিয়েছে, যা সাউন্ড কোয়ালিটিকে আরও ভালো করে তোলে। সিনেমা দেখার সময় এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
Sennheiser CX Plus ব্যবহার করা বেশ সহজ। আপনি যদি earbuds গুলো ব্যবহার করবেন না তখন সেগুলো কেসে রেখে দিতে পারবেন। আর একবার যুক্ত হয় গেলে, সেগুলি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনার ফোনের সাথে সংযুক্ত হয়ে যাবে৷ কোম্পানির Android এবং iOS-এর জন্য Sennheiser-এর অ্যাপ রয়েছে যা আপনাকে ফার্মওয়্যার আপডেট করার এবং সেটিংস পরিবর্তন করার অনুমতি দেবে। আমি আমার OnePlus 9 এবং Apple MacBook Air-এর সাথে এই Earbuds ব্যবহার করেছি, কিন্তু, মনে রাখবেন যে CX Plus শুধুমাত্র একটি ডিভাইসের সাথেই সংযুক্ত হতে পারে।

এছাড়াও ইয়ারবাডগুলি ব্লুটুথ 5.2 সাপোর্ট করে। এছাড়াও এটি ADTX এবং AAC এবং SBC সহ পুরানো ব্লুটুথ কোডেক সাপোর্ট করে। আপনি বাম ইয়ারপিসে একটি ট্যাপ করে প্লেব্যাক এক্সপার্ট মোড চালু এবং বন্ধ করতে পারবেন। অন্যদিকে ডান buds এ ট্যাপ করে প্লেব্যাক নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এছাড়াও প্যানেলে একটি ডবল-ট্যাপ ট্র্যাক নেভিগেশন নিয়ন্ত্রণ করে, অন্যদিকে ডানদিকে একটি ট্রিপল ট্যাপ ফোনের ভয়েস এসিস্ট্যান্ট অন করে। আপনি এই সেটিংসটি অ্যাপে পরিবর্তনও করতে পারবেন।
Sennheiser CX Plus সম্পর্কে, কোম্পানি দাবি অনুযায়ী আপনি ANC ছাড়া এক চার্জে নয় ঘন্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন এবং এই buds থেকে ANC-এর সাথে আট ঘন্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন। চার্জিং কেস প্রায় 24 ঘন্টা ব্যাকআপ দেয়। আমি যখন ব্যবহার করেছি তখন দুই সপ্তাহের মধ্যে আমাকে মাত্র তিনবার CX Plus চার্জ করতে হয়েছিল। এই Buds গুলির ক্ষেত্রে USB-C এর মাধ্যমে চার্জ করা হয়। কিন্তু, এই buds গুলির দাম অনেক হওয়ার পরেও, এতে ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের অনুপস্থিতি আপনাকে কিছুটা নিরাশ করতে পারে।
ফিট-ফিনিশ থেকে শুরু করে সাউন্ড কোয়ালিটি পর্যন্ত, Sennheiser CX Plus কে সব কিছুতেই টপার বলা যেতে পারে। এতে, আপনি ভাল বেস কোয়ালিটির পাশাপাশি দুর্দান্ত ইয়ার গ্রিপ পাবেন, যা আপনি আপনার ওয়ার্কআউটের সময় ব্যবহার করতে পারবেন। এর ব্যাটারি ব্যাকআপও বেশ ভালো। আপনি যদি একটি প্রিমিয়াম ইয়ারবাড খুঁজে, তাহলে Sennheiser CX Plus কেনা আপনার জন্য সেরা হবে৷ ভারতীয় বাজারে এই ডিভাইসটির দাম 14,990 টাকা। হ্যাঁ, দামের দিক থেকে একটু বেশি বলা যেতে পারে। আপনি যদি একটু কম রেঞ্জে আরও ভাল ইয়ারবাড খুঁজে থাকেন, তাহলে আপনি Galaxy Buds2 এবং OPPO Enco X-এগুলিও দেখতে পারেন, এই Earbuds গুলিতে আপনি দুর্দান্ত মিউজিক কোয়ালিটির পাশাপাশি আরও ভাল কল কানেক্টিভিটির অপশন পাবেন।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post Sennheise CX Plus Review : প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির TWS earbuds টি কেমন, জেনে নিন বিস্তারিত first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>The post দেখে নিন Rapoo V280 এবং VT 200 গেমিং মাউস এর রিভিউ, বাজেট ফ্রেন্ডলি দামে পাবেন দুর্দান্ত ডিজাইন এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স! first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>Rapoo V280 অপটিক্যাল গেমিং মাউস একটি দুর্দান্ত ডিজাইন, কাস্টমাইজযোগ্য কন্ট্রোল , হাই-ডেফিনিশন ট্র্যাকিং ইঞ্জিন, টাচ সেন্সর এবং রঙিন RGB ব্যাক লাইট সহ আসে। প্রথমত, এর ডিজাইন সম্পর্কে কথা বললে, এটি একটি সাধারণ মাউসের তুলনায় আকারে একটু বড়। বড় আকার হলেও এই মাউসটি , হাতের মুঠোয় সহজেই ফিট করে।

Rapoo V280 মাউসটি ভালো মানের প্লাস্টিকের তৈরি। সেই সঙ্গে হাতে কমফোর্টেবল গ্রিপ দেওয়ার জন্য এতে সিলিকা গ্রিপিং দেওয়া হয়েছে। ওয়্যারটি ভীষণ অনেক টেকসই হবে। মাউসের সমস্ত বাটন ক্লিকি অনুভূতি দেয়। এই মাউসটিতে তিনটি কাস্টমাইজযোগ্য বাটন দেওয়া হয়েছে , যার মধ্যে দুটি ডানদিকে এবং একটি উপরের মাঝখানে আছে। মাউসের উপরে একটি DPI সুইচ বাটন এবং ডানদিকে ব্যাকে ফরোয়ার্ড বাটন আছে।
DPI সুইচ বাটনটি গেমিংয়ের সময় একটি গেমচেঞ্জার প্রমাণিত হতে পারে। এর সাহায্যে আপনি ক্লিক এবং পয়েন্টারের স্পিড বাড়াতে পারবেন। আপনি আপনার গেমিং স্কিল অনুযায়ী এটি সেট করতে পারেন। আপনি যদি গেমিংয়ের সাথে ফটো বা ভিডিও এডিটিং সফ্টওয়্যার ব্যবহার করেন, তাহলে Rapoo V280 মাউসটি আপনার অনেক কাজ সহজে এবং এক ক্লিকে করে দিতে পারবে। আপনি শর্টকাট হিসাবে এই কাস্টমাইজযোগ্য বাটনটি ব্যবহার করতে পারেন। এই বাটিনগুলি কাস্টমাইজ করতে আপনার ড্রাইভারের প্রয়োজন হবে, যা আপনি Rapo-এর ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

Rapoo V280 গেমিং মাউসের ইন্টারনাল মেমরি রয়েছে যা আপনার কাস্টমাইজড কনফিগারেশন সেভ করে রাখবে। অর্থাৎ, আপনাকে বারবার বাটনটি কাস্টমাইজ করতে হবে না। পাশাপাশি আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী RGB লাইটও সেট করতে পারেন। এর পারফরম্যান্স সম্পর্কে কথা বললে, এটি গেমিংয়ের সময় কোন বিলম্ব ছাড়াই দুর্দান্ত কাজ করে। আপনি যদি গেমিং এর জন্য একটি ভাল কমফোর্টেবল মাউস খুঁজে থাকেন, তাহলে Rapoo V280 আপনার প্রয়োজনের সাথে মানানসই হতে পারে। Rapoo V280 গেমিং মাউসটি Amazon থেকে মাত্র 1,450 টাকায় কেনা যাবে।
Rapoo VT 200 হল কোম্পানির ওয়্যারলেস IR গেমিং মাউস। এটি ওয়্যার মাউসের থেকে কিছুটা ছোট এবং হালকা। এর ডিজাইন সম্পর্কে কথা বললে, এটি দুর্দান্ত RGB লাইটের সাথে আসে। এই মাউসের সিলিকন গ্রিপ এর কারণে এই মাউসটি ব্যবহার করা অনেক কমফোর্টেবল। এই ওয়্যারলেস গেমিং মাউসেও স্ক্রলার সহ পাঁচটি বাটন আছে। এর উপরে আছে স্ক্রলার হুইল এবং DPI সুইচ বাটন এবং বাম ও ডান বাটন। এর সাথে ডান দিকে ফরওয়ার্ড এবং ফাস্ট বাটন আছে। Rapoo VT 200-এর বাটনগুলোকেও কাস্টমাইজ করা যায়।

Rapoo VT 200 গেমিং মাউসে ইন বিল্ট ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই মাউসটিকে UNB কেবল দিয়ে চার্জ করা যেতে পারে। এর ব্যাটারি সম্পর্কে কথা বললে, এটি RGB লাইটের সাথেও খুব ভাল ব্যাক আপ দেয়। আপনি যদি আরও ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ চান, তাহলে আপনি RGB লাইট বন্ধ করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে আপনার কম্পিউটারে ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে।
Rapoo VT 200 গেমিং মাউসের কানেক্টিভিটি সম্পর্কে কথা বললে, Review এর সময়, আমরা মাউসের কানেকশন বিচ্ছিন্ন হওয়া বা আটকে যাওয়ার মতো কোনো সমস্যা দেখিনি। এমনকি এই মাউসে, গেমিংয়ের সময় একেবারেই সমস্যা হয়নি। তবে এই মাউসে আমরা একটি ত্রুটি খুঁজে পেয়েছি সেটা হল এতে আপনি ব্যাটারি স্টেট এর জন্য কোন ইন্ডিকেটর পাবেন না। তবে এর ডিজাইন থেকে পারফরম্যান্স পর্যন্ত, Rapoo VT 200 একটি দুর্দান্ত অপশন।এই মাউসটি Amazon থেকে 1,299 টাকায় কেনা যাবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
The post দেখে নিন Rapoo V280 এবং VT 200 গেমিং মাউস এর রিভিউ, বাজেট ফ্রেন্ডলি দামে পাবেন দুর্দান্ত ডিজাইন এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স! first appeared on 91Mobiles Bengali.
]]>