Vivo T3 Ultra ফোনের রিভিউ

ডিজাইন

Vivo T3 Ultra ফোনটি দেখতে অনেকটা Vivo V40 সিরিজের ফোনের মতোই। এতে ক্যামেরা ও অরা লাইট রিং সহ পিল শেপের ক্যামেরা মডিউল রয়েছে। দুটি সিরিজের পার্থক্য V40 সিরিজে ZEISS ক্যামেরা ব্র্যান্ডিং দেওয়া হয়েছে।

ডিসপ্লে

এই ফোনে 6.78 ইঞ্চির 1.5K OLED ডিসপ্লে, 120Hz রিফ্রেশরেট ও 4500nits ব্রাইটনেস রয়েছে। এই প্যানেল গভীর কালো রং সহ ভাইব্রেন্ট কালার দিতে সক্ষম, এতে টেক্সট পড়তে কোনো সমস্যা হয় না ও ভিউইং অ্যাঙ্গেল বেশ ভালোই।

রেয়ার ক্যামেরা

এই ফোনে অরা লাইট সহ 50MP+8MP রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। এই ক্যামেরা দারুণ ফটোগ্রাফি বিশেষ করে পোর্ট্রেট ফটো তুলতে সক্ষম। প্রসেসিঙের ফলে স্কিন স্মুথ হয়ে যায় ও আলো কিছুটা বেড়ে যায়। তবে ছবি বেশ আকর্ষণীয়।

ফ্রন্ট ক্যামেরা

এই ফোনে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য 50MP ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। এই ফোনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ভালো ডিটেইলস সহ সেলফি তোলা যায়। পোর্ট্রেট মোডে সেলফি ক্যাপচার করলেও দারুণ রেজাল্ট পাওয়া যায়।

পারফরমেন্স

Vivo T3 Ultra ফোনে MediaTek Dimensity 9200+ SoC রয়েছে। এই ফোনটি মাল্টি টাস্কিং ও গেমিং স্মুথলি সামলাতে পারে। তবে বার্নআউট টেস্টে এই ফোনটি মাত্র 54.20% পর্যন্ত পারফরমেন্স দিতে সক্ষম হয়েছে। 

ব্যাটারি

এই ফোনে 5500mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই ফোনটি পিসিমার্ক টেস্টে 12 ঘন্টা 14 মিনিট চলেছে। ফোনটির ব্যাটারি লাইফ নিঃসন্দেহে বেশ ভালো এবং মাঝারি থেকে ভারি ব্যাবহারে গোটা দিন ব্যাকআপ দিতে পারে।

চার্জিং

Vivo T3 Ultra ফোনটি 80W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে এবং ফোনের বক্সেই চার্জার দেওয়া হচ্ছে। এই ফোনটি 20% থেকে 100% চার্জ হতে প্রায় 38 মিনিট সময় লাগে। তবে এর ফলে ফোনটি কিছুটা গরম হয়ে যায়।

সফটওয়্যার

এই ফোনটি Android 14 ও FunTouch OS 14 সহ পেশ করা হয়েছে। এতে অনেকগুলি প্রিইনস্টল অ্যাপ থাকা সত্ত্বেও কোনো সমস্যা হয় না। এই ফোনে 2 বছর ওএস আপডেট এবং 3 বছর সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে।

সিদ্ধান্ত

31,999 টাকা প্রাথমিক দামের এই ফোনে মিনিমাল ডিজাইন ও স্লিম বডি রয়েছে। তবে ব্যাটারির সাইজে কোনো আপস করা হয়নি। এই প্রাইস রেঞ্জে পারফরমেন্স ও ক্যামেরা বেশ ভালো এবং এতে IP68 রেটিং রয়েছে। নিঃসন্দেহে এই ফোনটি কেনাই যায়।