ইলেকট্রিক বাইক এবং স্কুটার সহ গ্রাহকরা ই-সাইকেলের প্রতিও আকৃষ্ট হচ্ছে। এই পরিস্থিতিকে দেখে চেন্নাইয়ের Voltrix Mobility ই-সাইকেল সেগ্মেন্টে প্রবেশ করে অফিস যাত্রীদের জন্য সাইকেল ‘Tresor e-cycle’ লঞ্চ করেছে। এই সাইকেলটিকে স্টাইলিশ লুকের সাথে পেশ করা হয়েছে। আবার যদি আপনার অফিস বাড়ির নিকটবর্তী হয় তাহলে আপনি ডেলি এই সাইকেলের মাধ্যমেই যেতে পারবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোম্পানির প্ল্যানিং সহ এই Electric Cycle এর দাম, টপ স্পীড এবং রেঞ্জ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য।
কোম্পানির পরিকল্পনা
এই ই-সাইকেলটিকে লঞ্চ করার কোম্পানি অনেক পরিকল্পনা করছে। শোনা যাচ্ছে যে কোম্পানি আগামী 6 মাসে আরও 2টি প্রোডাক্ট পেশ করতে পারে। কিন্তু প্রোডাক্ট গুলির সম্পর্কে এখনো কোন তথ্য উপলব্ধ নেই। কিন্তু আশা করা হচ্ছে যে কোম্পানি বেশি প্রোডাক্ট পেশ করে এই সেগ্মেন্টেই এগিয়ে যেতে চায়। কোম্পানি 2024 এর মধ্যে 4-5 শতাংশ মার্কেট শেয়ার অধিগ্রহণ করতে চায়।
প্রাইস এবং প্রি-বুকিং
কোম্পানি Tresor e-cycle টিকে 55,999 টাকা দামে লঞ্চ করেছে। আবার এই সাইকেলটিকে শুধুমাত্র 999 টাকা দামে বুক করা যাবে। এই সাইকেলের ডেলিভারি এই মাসের শেষে শুরু হতে পারে। আবার লঞ্চের সময়ে ভল্ট্রিক্স মোবিলিটির ফাউন্ডার এবং সিইও বিবেক এম পালানিবাসান বলেছেন যে আমাদের দেশকে একটি সুস্বাস্থ্যের ‘যুব ভারত’ গড়ে তোলার জন্য বিদ্যুৎ চালিত সাইকেলের খুবই প্রয়োজন।
টপ স্পীড এবং রেঞ্জ
এই Electric Cycle এ কোম্পানি 250-ওয়াটের মোটর এবং রিমুভেবেল লিথিয়াম-আয়ওন ব্যাটারি দিয়েছে। এই ব্যাটারিটিকে ফুল চার্জ করলে 60-80 কিমির রেঞ্জ প্রদান করে। আবার এই সাইকেলের টপ স্পীড 25 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা।
ভল্ট্রিক্স ট্রেজারের লঞ্চের সময়ে কোম্পানির সংস্থাপক এবং সিইও শক্তিবিগ্নেশ্বর আর বলেছেন যে এই সাইকেলটি কোম্পানির প্রথম প্রোডাক্ট এবং এটিকে বিশেষত অফিসে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্যে ডিজাইন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন যে 16 থেকে 20 কিমির গড় গতিবেগে শহরে ট্রেজারের এই সাইকেলের মাধ্যমে গ্রাহকরা খুব সহজেই যাতায়াত করতে পারবে। এছাড়া শক্তিবিগ্নেশ্বর বলেছেন, “আমরা আগামী ছয় মাসে ভিন্ন ভিন্ন গ্রাহক প্রোফাইল পূরন করা আরও দুটি প্রোডাক্ট লঞ্চ করতে চলেছি।”
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন









