GSMA ডেটাবেসে লিস্টেড হল iQOO 16, ফ্ল্যাগশিপ পারফরমেন্স সহ লঞ্চ হতে পারে এই স্মার্টফোন

আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই iQOO তাদের আপকামিং জেনারেশনের ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলি লঞ্চ করতে পারে। এখনও অনেকটাই সময় দেরি আছে, তবে এর আগেই আসন্ন iQOO 16 ফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। এই ফোনটি GSMA, IMEI ডেটাবেসে লিস্টেড করা হয়েছে, তাই এই ফোনটি প্রোটোটাইপ স্টেজ পেরিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই লঞ্চ করা হতে পারে। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক এই লিস্টিং সম্পর্কে।

সবসময়ই iQOO এর স্মার্টফোনগুলি মূলত গেমার ও পাওয়ার ইউজারদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়। আপকামিং iQOO 16 ফোনটির ক্ষেত্রেও একই ধারা বজায় রাখা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। নিচে দেওয়া ইমেজের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে লিস্টিঙে ফোনটির নাম লেখা হয়েছে। জানিয়ে রাখি iQOO 16 ফোনটি আগের iQOO 15 ফোনের সাক্সেসার হতে চলেছে। এই ফোনটির দুর্দান্ত ফিচারের জন্য বাজারে যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপাতত আসন্ন ফোনের সম্পর্কে এইসমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তাই এই পোস্টের মাধ্যমে আগের iQOO 15 ফোনের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

iQOO 15 ফোনটিতে কোম্পানির M14 লিউমিনসেন্ট মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি 6.85-ইঞ্চির 2K OLED ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এতে Samsung LEAD টেকনোলোজির ব্যাবহার করা হয়েছিল। এতে পোলারাইজ ডিসপ্লে থাকবে। ফলে দুর্দান্ত ভিজিবিলিটি পাওয়া যাবে এবং রিফ্লেকশন কম হবে। একইসঙ্গে ফোনটিতে 144Hz রিফ্রেশ রেট এবং 6000 নিটস পীক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে।

প্রসেসিঙের জন্য iQOO 15 ফোনটিতে 3nm আর্কিটেকচারে তৈরি 4.6GHz ক্লক স্পীডযুক্ত Qualcomm Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর দেওয়া হয়েছে। বেঞ্চমার্ক টেস্টে ফোনটি প্রায় 38 লক্ষের বেশি AnTuTu স্কোর পেয়েছে। গেমিঙের জন্য ফোনটিতে Supercomputing Chip Q3 রয়েছে। এর ফলে 144FPS পর্যন্ত স্মুথ গেমিং এবং অসাধারণ থার্মাল কন্ট্রোল রয়েছে।

ফটোগ্রাফির জন্য iQOO 15 ফোনটিতে ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। এতে 50MP Sony IMX921 সেন্সর, 50MP আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং 50MP 3x পেরিস্কোপ টেলিফটো লেন্স রয়েছে। একইভাবে ফ্রন্টে 32MP ক্যামেরা থাকবে। ব্যাটারির দিক দিয়ে ফোনটি যথেষ্ট শক্তিশালী। এতে 7000mAh বড় ব্যাটারি দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে ফোনটিতে 100W ওয়্যার এবং 40W ওয়্যারলেস ফাস্ট চার্জিং ফাস্ট সাপোর্ট করে। এর ফলে ফোনটি ফুল চার্জ প্রায় 45 মিনিট সময় লাগে।

আগের মডেলের তুলনায় কোম্পানির পক্ষ থেকে আপকামিং iQOO 16 ফোনটিতে আরও ভালো আপগ্রেড দেওয়া হতে পারে। iQOO 16 ফোনটিতে নতুন ফ্ল্যাগশিপ চিপসেট, অ্যাডভান্স কুলিং সিস্টেম, দারুণ ক্যামেরা সেটআপ এবং ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করতে পারে। এই বিষয়ে নতুন তথ্য আমরা পোস্টের মাধ্যমে জানিয়ে দেব।

LEAVE A REPLY
Please enter your comment!
Please enter your name here