ভারতের বাজারে Vivo তাদের নতুন দুটি স্মার্টফোন লঞ্চ করতে পারে। এই ফোনদুটি Vivo Y32 5G এবং Vivo T6 Lite নামে পেশ করা হতে পারে। ভারতের BIS (Bureau of Indian Standards) সার্টিফিকেশন ওয়েবসাইটে ফোনদুটি লিস্টেড হয়েছে। এটি টিপস্টার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। সার্টিফিকেশন লিস্টিঙের মাধ্যমে ফোনের ফিচার সম্পর্কে জানা যায়নি, তবে শীঘ্রই ফোনটি বাজারে পেশ করা হতে পারে। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক Vivo Y32 5G এবং Vivo T6 Lite ফোনের লিস্টিং ডিটেইলস সম্পর্কে।
ভারতের BIS সার্টিফিকেশন সাইটে Vivo Y32 5G এবং Vivo T6 Lite ফোনদুটি স্পট হয়েছে। লিস্টিং অনুযায়ী Vivo Y32 5G ফোনটি V2639 মডেল নাম্বার এবং Vivo T6 Lite ফোনটি V2647 মডেল নাম্বার সহ দেখা গেছে। এর আগে GSMA IMEI ডেটাবেসে ফোনটি লিস্টেড হয়েছিল। IMEI ডেটাবেসের পরই ফোনটি BIS সার্টিফিকেশন সাইটে লিস্টিঙের জন্য মনে করা হচ্ছে শীঘ্রই ফোনদুটি বাজারে পেশ করা হতে পারে।
প্রথমে মালেশিয়ার SIRIM সার্টিফিকেশন ওয়েবসাইটে Vivo Y32 5G ফোনটি স্পট হয়েছিল। তাই কোম্পানির কোনগুলি ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য বাজারেও লঞ্চ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। Vivo এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত ফোন গুলির লঞ্চ এবং স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে জানানো হয়নি। তবে ভবিষ্যতে আপকামিং ফোনের সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করা হতে পারে।
Vivo Y32 4G ফোনের স্পেসিফিকেশন
কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশে Vivo তাদের Vivo Y32 ফোনের 4G মডেল লঞ্চ করেছিল। তবে Vivo Y32 4G এবং BIS প্ল্যাটফর্মে লিস্টেড হওয়া Vivo Y32 5G আদতে আলাদা আলাদা ভেরিয়েন্ট।
vivo Y32 4G স্মার্টফোনটিতে 1592 × 720 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.87-ইঞ্চির এইচডি + LCD ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এই স্ক্রিন 120Hz রিফ্রেশ রেট এবং 1300nits হাই ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। প্রসেসিঙের জন্য ফোনটিতে UniSoc T7300 প্রসেসর দেওয়া হয়েছে। ফাস্ট এবং স্মুথ মাল্টিটাস্কিঙের জন্য ফোনে LPDDR4X RAM এবং UFS 2.2 স্টোরেজ রয়েছে। vivo Y32 4G ফোনটি OriginOS 6 সহ কাজ করে।
পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য vivo Y32 ফোনটিতে শক্তিশালী 8000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে 44W FlashCharge ফাস্ট চার্জিং ফিচার সাপোর্ট করবে। ফটোগ্রাফির জন্য vivo Y32 4G স্মার্টফোনের রেয়ার ক্যামেরা সেটআপে 50MP প্রাইমারি সেন্সর এবং 2MP বোকে লেন্স দেওয়া হয়েছে। একইভাবে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য ফোনে 8MP ফ্রন্ট ক্যামেরা যোগ করা হয়েছে।
এছাড়া ফোনটিতে USB Type-C পোর্ট, Bluetooth 5.4, NFC, ডুয়েল ব্যান্ড Wi-Fi, ডুয়েল সিম এবং সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে। এতে IP68 এবং IP69 রেটিং, রিভার্স চার্জিং এবং ডুয়েল স্টিরিও স্পিকার দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী ফোনটিতে 400 শতাংশ পর্যন্ত ভলিউম, Game Boost মোড, 4D গেম ভাইব্রেশন এবং AI ফিচার যোগ করা হয়েছে।
কোম্পানি এখনও পর্যন্ত তাদের Vivo Y32 5G এবং Vivo T6 Lite ফোনের স্পেসিফিকেশন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেনি।











