Xiaomi এপ্রিল মাসে নিজের টেকনোলজির প্রদর্শন করে শক্তিশালী স্মার্টফোন Mi 11 Ultra ইন্ডিয়াতে লঞ্চ করেছিল। খুবই শক্তিশালী স্পেসিফিকেশন্স ও এডভান্স ফিচার যুক্ত এই মোবাইল ফোনটি ফ্ল্যাগশিপ সেগ্মেন্টে প্রবেশ করেছিল যা 69,000 টাকা দামে ভারতীয় বাজারে বিক্রির জন্যে উপলব্ধ ছিল। আবার এখন খবর পাওয়া গেছে যে শাওমি নিজের এই স্মার্টফোনটিকে ইন্ডিয়াতে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিচ্ছে এবং Xiaomi Mi 11 Ultra স্মার্টফোনটি এখন ইন্ডিয়ান মার্কেটে আর বিক্রি হবে না।
Mi 11 Ultra এর ইন্ডিয়াতে বন্ধ হওয়ার খবর ইন্ডিয়া টুডে নিজের এক্সক্লুসিভ রিপোর্টে প্রকাশিত করেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে শাওমি নিজের এই ফ্ল্যাগশিপ ফোনটিকে এখন ভারতে আর বিক্রি করবে না। খবর অনুযায়ী কয়েক মাস পরে অর্থাৎ 2022 এ শাওমি নিজের নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনটিকে মার্কেটে আনতে চলেছে এবং এই কারনেই এখন মি 11 আল্ট্রার স্টক শেষ হওয়ার পরে এয নতুন স্টক নিয়ে আসা হবে না। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে যে মি 11 আল্ট্রা স্মার্টফোনটি 7 জুলাই প্রথমবার ভারতে বিক্রির জন্য উপলব্ধ হয়েছিল এবং ফোনটির লিমিটেড স্টকের সাথেই এটিকে সেলের জন্য বাজারে আনা হয়েছিল। সেই সীমিত স্টক সম্পূর্ণ বিক্রি হয়ে গেছে এবং এখন নতুন Mi 11 Ultra ডিভাইস ইম্পোর্ট করা হবে না।
Xiaomi Mi 11 Ultra
12 জিবি র্যাম এবং 256 জিবি স্টোরেজের এই শাওমি ফোনটি ইন্ডিয়াতে 69,000 টাকা দামে বিক্রির জন্য উপলব্ধ হয়েছিল। এই ফোনটিতে 3200 × 1440 পিক্সেল রেজল্যুশনের 6.81 ইঞ্চির 2কে ডব্লিউকিউএইচডি+ ই4 অ্যামোলেড ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছিল যা গোরিলা গ্লাস ভিক্টাস প্রোটেক্টেড এবং 120 হার্টস রিফ্রেশরেটে রান করে। এর সাথেই ফোনটির ব্যাক প্যানেলে 1.2 ইঞ্চির সেকেন্ডারি ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছিল যা অলওয়েজ অন মোড সহ নোটিফিকেশন দেখাতো।
Mi 11 Ultra কে অ্যান্ডয়েড 11 আধারিত মিইউআইয়ে পেশ করা হয়েছিল যার মধ্যে অক্টাকোর প্রসেসর সহ কোয়ালকমের সবচেয়ে শক্তিশালী চিপসেট স্ন্যাপড্রাগন 888 চিপসেট দেওয়া হয়েছিল। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য এই ফোনে 5,000 এমএএইচের বড়ো ব্যাটারী দেওয়া আছে যা 67 ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সহ ওয়ারলেস এবং রিভার্স ওয়ারলেস চার্জিং ফিচারও সাপোর্ট করে। শাওমির এই ফোনটি 5জি সহ 4জি ভোএলটিই এবং অন্যান্য বেসিক কানেক্টিভিটি ফিচারও সাপোর্ট করে।
ফোটোগ্রাফির জন্য শাওমি মি 11 আল্ট্রার ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপে এফ/1.95 অ্যাপার্চার যুক্ত 50 মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সর, এফ/2.2 অ্যাপার্চারের 48 মেগাপিক্সেলের সেকেন্ডারি সেন্সর এবং 48 মেগাপিক্সেলেরই থার্ড সেন্সর দেওয়া আছে। প্রাইমারি লেন্সটি যেখানে একটি ISOCELL GN2 সেন্সর আবার বাকি দুটি Sony IMX586 লেন্স ছিল। এইভাবেই সেল্ফি এবং ভিডিও কলিঙের জন্য শাওমির এই ফোনটিকে 20 মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা যুক্ত করে বাজারে আনা হয়েছিল।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
