Home খবর ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতি ঘরে থাকবে ইন্টারনেট, 2,50,000 গ্রাম পঞ্চায়েতকে সুপার ফাস্ট ইন্টারনেটের সঙ্গে জুড়তে সরকারের নতুন উদ‍্যোগ

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতি ঘরে থাকবে ইন্টারনেট, 2,50,000 গ্রাম পঞ্চায়েতকে সুপার ফাস্ট ইন্টারনেটের সঙ্গে জুড়তে সরকারের নতুন উদ‍্যোগ

প্রতিটি ঘরে ইন্টারনেট পৌছানো অর্থাৎ প্রতিটি ভারতীয় নাগরিককে টেকনিক‍্যাল করে তুলতে সরকার অনেক দিন ধরে কার্যকর। ভারতের উন্নতির পথের এই ধাপটি খুব তাড়াতাড়ি পূর্ণ হতে চলেছে। ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম মিশন ভারতনেট সম্পর্কিত একটি বড় ঘোষণা করেছে। টেলিকম বিভাগ জানিয়েছে 2018 সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশের 2,50,000টি গ্রাম পঞ্চায়েত সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেট ব্রডব‍্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে।

ভারত সরকার দ্বারা পরিচালিত ভারতনেট প্রোগ্রামের ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম নির্ধারিত ডেডলাইন বদলে দেওয়া হয়েছে। 2,50,000টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড কানেকশন দেওয়ার জন্য ভারত সরকার প্রথমে মার্চ 2019 পর্যন্ত সময়সীমা ঠিক করে, এখন সেটি বদলে ডিসেম্বর 2018 করে দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ এই বছরের শেষ পর্যন্ত দেশের লক্ষাধিক গ্রাম ইন্টারনেটের সঙ্গে জুড়ে যাবে। এই প্রোগ্রামের লক্ষ হল 2022 সালের মধ্যে দেশের সব।জায়গায় ইন্টারনেটের বন্দোবস্ত করা এবং প্রতি ব‍্যাক্তিকে নূন্যতম 50 এমবিপিএস স্পীডে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া।

জানা গেছে ভারতনেট চালু করার জন্য সব গ্রামে অপটিক‍্যাল ফাইবারের কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক গ্রামে ব্রডব‍্যান্ডের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে গেছে। শোনা যাচ্ছে যাতে খুব কম সময়ের মধ্যে বাকি এলাকায় কাজ শেষ করা যায় তাই বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টকে মোট 31,000 কোটি টাকার ফান্ড দেওয়া হয়েছে।

বলে রাখা ভালো দেশের সব গ্রামে ব্রডব্যান্ড কানেকশন দেওয়ার এই পরিকল্পনা নতুন কিছু নয়। ভারতনেট নামের এই প্রোজেক্টের সূচনা হয় 2011 সালে। সেই সময় এই প্রোজেক্টের ডেডলাইন ছিল ডিসেম্বর, 2013। প্রযুক্তিগত গোলযোগের কারণে তা বাড়ানো হয় সেপ্টেম্বর, 2015 পর্যন্ত। এর মধ্যে দেশের সরকার বদলে যায় এবং প্রোজেক্টের কাজ নতুন করে শুরু হয়।

প্রথমে নির্ধারিত ডেডলাইন রাখা হয় ডিসেম্বর, 2016। কাজ সম্পুর্ন না হ‌ওয়ার ফলে তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় মার্চ, 2019 পর্যন্ত। এমন প্রথম বার হল যে ডেডলাইন বদলে বাড়ানোর বদলে কমানো হল। কাজের উন্নতি দেখে ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম ডেডলাইন কমিয়েছে।