খুব শীঘ্রই Rollable স্ক্রিন যুক্ত ফোন লঞ্চ করতে চলেছে Samsung, প্রকাশ্যে এলো এই ফোনটির পেটেন্ট ডিজাইন

এখনও অবধি আপনারা Folable ডিসপ্লে যুক্ত ফোন দেখেছেন, কিন্তু আশা করা যায় যে খুব শীঘ্রই Rollable ফোন‌ও দেখা যাবে। সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ কথা বলা যায়, যে ফোল্ডেবেল ফোনের পরে রোলেবল ডিসপ্লে ফোনের শুরু‌ও Samsung কোম্পানি‌ই করতে পারে। রোলেবেল ফোনের স্ক্রিন কাগজের মতো রোল হয়ে একটি ছোট জায়গার মধ্যে এসে যাবে। যদিও কোম্পানি আগের বছর এই ফোনের সমন্ধে কিছু তথ‍্য শেয়ার করেছিল কিন্তু সেই সময় ফোনটির লঞ্চ সম্পর্কে কোম্পানি কোনো কথা বলেনি। এই Samsung rollable ফোনের তিনটি নতুন পেটেন্ট প্রকাশ‍্যে এসেছে, এটি দেখে আশা করা যায় কোম্পানি খুব শীঘ্রই ফার্ম-ফ্যাক্টর ডিজাইনের ফোনটি লঞ্চ করতে পারে।

কেমন হতে চলেছে Samsung Rollable ফোন

যেমনটা আগেই বলা হয়েছে, যে কোম্পানি তিনটি নতুন ডিজাইন পেটেন্ট করেছে, এর মধ্যে প্রথম ডিজাইনের ফোনটির স্ক্রিন ভার্টিক্যালি রোল হবে। এমতাবস্থায় এই ফোনের চওড়া এক‌ই থাকবে কিন্তু লেন্থ ছোট হয়ে একটি ছোটো ডিজাইনের ফোন হয়ে যাবে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি বড়ো স্ক্রিনের রোল টি খুলে আপনি আপনার কাজ করতে পারবেন। স্টাইল আলাদা হলেও এই ডিজাইনটি স্যামসাং ফ্লিপ ফোনের মতই হতে চলেছে, একটি ফোনে ফ্লিপ স্ক্রিন এবং অন‍্য ফোনটিকে রোলেবল ডিসপ্লে সহ পেশ করা যেতে পারে।

আবার অন‍্য পেটেন্টের কথা বলা হলে, এই ফোনটিতে সাইডে ডিসপ্লে রোল হতে পারে। এমতাবস্থায় ফোনটি লম্বা না হয়ে চওড়া হয়ে বড়ো হয়ে যাবে। ফোনটি ট্যাবলেটের সমান বড়ো হয়ে যাবে, ফলে এটি এন্টারটেনমন্ট কন্টেন্টের জন্যে ভালো প্রমাণিত হতে পারে। এই ফোনটি তাদের জন্য ভালো প্রমাণিত হতে চলেছে যারা মোবাইলে বেশি মুভি দেখে, ইউটিউব দেখে বা গেম খেলে।

স্যামসাং এর তিন নম্বর রোলেবেল পেটেন্ট ডিজাইনের ওপর নজর দিলে, এখানেও স্ক্রিনটি সাইড থেকে রোল হবে, কিন্তু এখানে পেটেন্টের মুখ্য রূপ ফোন এবং কম্পোনেন্টসের কানেক্টিভিটির সম্পর্কে। এই পেটেন্টে দেখানো হয়েছে, যে যখন স্লাইড হয়ে স্ক্রিনটি বাইরে আসবে, তখন ক্যামেরা ও অন্যান্য কম্পোনেন্টস কিভাবে কাজ করবে। এর সাথেই পেটেন্টে দেখানো হয়েছে, যে স্লাইডের সময় খালি জায়গাকে কিভাবে সরল করা যায় এবং পাওয়ারের খরচ কিভাবে কম করা যায়।

Rollable Phone কি ব্যবহারের যোগ্য হতে চলেছে

এখনও পর্যন্ত আমরা ফোল্ডেবেল ফোন দেখেছি। প্রায় তিন বছর আগে ফোল্ডেবেল ফোন লঞ্চ হয়েছিল কিন্তু, কিন্তু এখনো পর্যন্ত ফোনটি সেই অর্থে ব‍্যবহার যোগ্য হয়ে ওঠেনি। এমতাবস্থায় রোলেবেল ডিজাইানের জন্য প্রশ্ন উঠতে পারে, যে এটি আদেও লোক গ্রহণ করবে কি না। বলে দিই, যে ফোল্ডেবেল ফোনের চাহিদা নেই, এমনটা নয়। এখনও পর্যন্ত Samsung এর Galaxy Z Flip 3 এবং Z Fold 3 এর 7 মিলিয়ন অর্থাৎ 70 লাখের বেশি ইউনিট বিক্রি হয়ে গেছে। ফোল্ডেবেল ফোনের চাহিদা বেশি, কিন্তু ফোনটির দাম বেশি হওয়ায় এটি সাধারণ লোকের কাছে পৌঁছাতে পারে না। যখন এই টেকনোলজি‌র ফোনের দাম সস্তা হবে তখন এই টেকনোলজি‌র ব্যবহার মানুষ উপভোগ করবে।

Rollable Phone এর কথা বলা হলে, সেক্ষেত্রেও এমনটাই আশা করা যায়। যেমনটা আপনারা জানেন, যে যেকোনো টেকনিক নতুন হলে তার দাম বেশি হয় কিন্তু যখন পুরনো হতে শুরু করে এবং মাস প্রোডাকশন হতে থাকে তখনই সেটা সস্তা হতে শুরু করে আর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। রোলেবেল ফোনের ক্ষেত্রে‌ও এমনটাই আশা করা যায়। এই ফোনটির দাম‌ও শুরুতে বেশি হবে, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এটির দামও কমতে শুরু করবে, তখন সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছে যাবে এই ফোনটি।

আপাতত রোলেবেল ডিসপ্লে যুক্ত ডিভাইসের কথা বলা হলে, কোম্পানি শুধুমাত্র রোলেবেল স্ক্রিনের ফোনের টিজার পেশ করেছে। এমতাবস্থায় দুই বছর আগেই রোলেবেল টিভি মার্কেটে লঞ্চ করে এলজি কোম্পানি এই টেকনোলজি‌র সমন্ধে ধারণা দিয়ে
দিয়ে দিয়েছিল মানুষদের।

আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

LEAVE A REPLY
Please enter your comment!
Please enter your name here