Electric Vehicles খুব দ্রুতই ভারতীয় জনতার মাঝে একটি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। আগে যেখানে অল্প কিছু লোকই বিদ্যুৎ চালিত বাহনের সম্পর্কে জানতো, সেখানে এখন এরকম লোকেদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে যারা ইলেকট্রিক বাহনপছন্দ করছে। Electric Scooter, Electric Car এবং Electric Bike ভারতীয় বাজারেও নিজের জায়গা বানিয়ে নিচ্ছে এবং ইন্ডিয়ান কোম্পানি সহ বিদেশি কোম্পানি গুলিও তাদের Electric Vehicle ভারতে লঞ্চ করছে। পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ার কারনে সাধারণ জনতারা ইলেকট্রিক ভেইকেলটিকে একটি অপশন হিসেবে বেছে নিচ্ছে এবং এখন ভারত সরকারও পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে যে আগামী দুই বছরে Electric Vehicles এর দাম Petrol Vehicles এর সমানে নিয়ে আসবে।
ইলেকট্রিক গাড়ি সম্পর্কিত এই বয়ানটি স্বয়ং দেশের Union Transport Minister Nitin Gadkari একটি ইভেন্টে বলেছেন। নিতিন গাডকাড়ি বলেছেন যে আগামী দুই বছরে ইন্ডিয়াতে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের দাম পেট্রোল চালিত গাড়ির সমান হয়ে যাবে। এই কথাটি Sustainability Foundation, Denmark আয়োজিত একটি ওয়েবিনার চলাকালীন বলেছেন। গাডকাড়ি পরিস্কার বলেছেন যে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে Electric Vehicles এর প্রোডাকশনের জন্য বহু চেষ্টা করা হচ্ছে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি গুলির দাম কমতে চলেছে।
ভারত সরকারের প্ল্যান
বলা হচ্ছে যে 2030 বছরের মধ্যে অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে বিদ্যুৎ চালিত বাহন বাড়তে চলেছে এবং পেট্রোল চালিত গাড়ির সংখ্যা কমানো হবে। ভারত সরকারের মূল লক্ষ 2030 এর মধ্যে প্রাইভেট কারের 30 শতাংশ Electric Cars কে দেওয়া হবে। এইভাবেই কমার্শিয়াল ভেহিকেলে 70 শতাংশ গাড়ি বিদ্যুৎ চালিত করা হবে। 40 শতাংশ বাস ও 80 শতাংশ টু-হুইলার এবং 3-হুইলার বাহনে রূপান্তরিত করা হবে।
চার্জিং স্টেশনের কমতি হবে না
বেশি সংখ্যায় ইলেকট্রিক ভেহিকেল চললে সেগুলিকে চার্জ করাও একটি সমস্যা হয়ে দাড়াবে। দেশের সর্বত্র চার্জিং স্লট উপলব্ধ হবে। এর সাথেই লোকেরা নিজের বাড়িতে এবং সোসাইটিতেও পার্সোনাল চার্জিং স্টেশন লাগাতে পারবে, যার জন্যে সরকারের পক্ষ থেকে সাবসিডিও পাবে। গাডকাড়ি বলেছেন যে সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হবে যে চার্জি স্টেশনে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার হবে সেগুলি নতুন টেকনোলজির হবে।

এখানে বলে দিই যে দিল্লিতে চার্জিং স্টেশন বানালে লোকেদের 6,000 টাকার সাবসিডি দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে, যার ফলে এই প্রাইভেট চার্জিং স্টেশন গুলির এফেক্টিভ কস্ট প্রায় 2,500 টাকা পড়বে। লোকেদের উৎসাহিত করার জন্য দিল্লি সরকার আপাতত সামনে এগিয়ে আসা 30,000 দাবিদারকে এই সুবিধা দেবে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন










