Home কৌশল জেনে নিন বাড়ি বসে মোবাইলে ই-শ্রম কার্ড তৈরি করার সহজ পদ্ধতি

জেনে নিন বাড়ি বসে মোবাইলে ই-শ্রম কার্ড তৈরি করার সহজ পদ্ধতি

ভারত সরকার অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য ই-শ্রম যোজনা চালাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত 29.60 কোটি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সরকার অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য ই-শ্রম পোর্টালও চালু করেছেন, যার উদ্দেশ্য হল অসংগঠিত কর্মীদের ডেটাবেস সংগ্রহ করা এবং তাদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা। অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত 16-59 বছর বয়সী যে কোনও ব্যক্তি একটি শ্রমিক কার্ড বা ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। এই স্কিমের বিশেষ সুবিধা হল 60 বছর পর পেনশন, মৃত্যু বীমা, অক্ষমতার ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা ইত্যাদি প্রদান করা হয়। মোবাইল থেকে আপনারা কীভাবে ই-শ্রম কার্ড বানাবেন সেটাই আজকের এই পোস্টে আপনাদের জানানো হল।

ই-শ্রম কার্ড কি?

ই-শ্রম হল কেন্দ্রীয় সরকারের একটি উদ্যোগ যা অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি একটি বিস্তৃত ডাটাবেস হিসাবে কাজ করে, যেটা শুধুমাত্র কর্মীদের নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং সুবিধাগুলিতে তাদের অ্যাক্সেস সহজতর করে। 16 থেকে 59 বছর বয়সী সমস্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা ই-শ্রম কার্ডের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। এতে শ্রমিক, দৈনিক মজুরিতে উপার্জনকারী এবং ওলা-উবার, অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের সাথে অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে কর্মরত লোকেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে একজন কর্মচারীর যদিবভবিষ্য তহবিল সংস্থা (EPFO)/ রাজ্য বীমা কর্পোরেশন (ESIC) বা জাতীয় পেনশন প্রকল্পের (NPS) সদস্য হয় তাহলে এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না৷

ই-শ্রম কার্ড তৈরি করার পদ্ধতি

ই-শ্রম কার্ড অনলাইন এবং অফলাইন উভয় ভাবেই তৈরি করা যেতে পারে। অনলাইন আবেদনের জন্য, একজনকে ই-শ্রম কার্ড পোর্টালে যেতে হবে, অফলাইন আবেদনের জন্য আপনারা নিকটতম CSC (কমন সার্ভিস সেন্টার) যেতে পারেন। অনলাইনে ই-শ্রম কার্ড পেতে নিচের স্টেপগুলি অনুসরণ করতে হবে।

স্টেপ 1: আপনার মোবাইলে অফিসিয়াল ই-শ্রম পোর্টাল (https://eshram.gov.in/) খুলুন।
স্টেপ 2: হোম পেজ খোলার পর REGISTER eShram অপশনে ক্লিক করুন।

স্টেপ 3: তারপর একটি নতুন self registration পেজ খুলবে, যেখানে আপনাকে আধারের সাথে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর এবং ক্যাপচা কোড লিখতে হবে।
স্টেপ 4: তারপর আপনাকে নীচে জিজ্ঞাসা করা হবে আপনি EPFO, ESIC-এর সক্রিয় সদস্য কিনা। এর উত্তর হ্যাঁ বা না হতে হবে।
স্টেপ 5: এর পর ‘সেন্ড ওটিপি’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। মোবাইল নম্বরে ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দেওয়ার পর, ‘Validate’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

স্টেপ 6: স্ক্রিনে দেওয়া ব্যক্তিগত ডিটেইলস নিশ্চিত করে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য লিখুন, যেমন ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি।
স্টেপ 7: স্কিল এর নাম, ব্যবসার ধরন, কাজের ধরন সিলেক্ট করুন।
স্টেপ 8: ব্যাঙ্কের ডিটেইলস লিখুন এবং Self Declaration সিলেক্ট করুন।
স্টেপ 9: তারপরে ডিটেইলস জমা দেওয়ার জন্য ‘Preview‘ অপশনে ক্লিক করুন এবং ‘Submit‘ বাটনে ক্লিক করুন।
স্টেপ 10: মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। OTP লিখুন এবং ‘Verify ‘ বাটনে ক্লিক করুন। তারপর ই-শ্রম কার্ড তৈরি হবে এবং স্ক্রিনে দেখা যাবে। ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করে আপনি ই-শ্রম কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন।

আপনি যদি ই-শ্রম কার্ড অফলাইনে করতে চান, তাহলে আপনাকে নিকটবর্তী CSC (কমন সার্ভিস সেন্টার) যেতে হবে। আপনার কাছাকাছি CSC কেন্দ্র খুঁজতে, আপনি https://findmycsc.nic.in/csc/ সাইটে যেতে পারেন। এখানে আপনি আপনার রাজ্য এবং জেলার নাম লিখে CSC সার্চ করতে পারেন।

কারা ই-শ্রম কার্ড তৈরি করতে পারে?

ই-শ্রম কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র?

ই-শ্রম কার্ডের জন্য নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট গুলি প্রয়োজন:

ই-শ্রম কার্ডের সুবিধা

ই-শ্রম কার্ডধারীরা সরকারের কাছ থেকে অনেক সুবিধা পেয়ে থাকেন, যেগুলি হল: