আজকের দিনে দাঁড়িয়ে স্মার্টফোনের ক্যামেরা যতই অ্যাডভান্স হোক না কেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ফোটো আপলোড করার আগে আমরা একটু হলেও ফোটো এডিট করি। মাঝে মধ্যে আবার আমরা অ্যাপ স্টোর বা প্লে স্টোর থেকে কিছু অ্যাপও ডাউনলোড করে নিই ফোটো এডিট করার জন্য। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা আমরা অনেকে হয়তো এটাই জানি না যে এইসব অ্যাপের কোন অপশন কতটা বেশি বা কতটা কম ব্যবহার করতে হয়। আবার কিছু ফোনে তো গ্যালারিতেই এডিটিঙের অপশন থাকে যার ফলে কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপের প্রয়োজন মিটে যায়। আপনিও যদি আপনার এডিট করা ফোটোর ফাইনাল রেজাল্ট একদম অনবদ্য করে তুলতে চান তবে এই পাঁচটি এডিটিং টিপস ফলো করুন। তবে চলুন দেখে নিই আকর্ষণীয় ফোটো এডিটের পাঁচটি অসাধারণ স্টেপস।
আরও পড়ুন: কোনো দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষের ফোন আনলক না করেই কিভাবে তাঁর বাড়ির লোককে খবর দেবেন?
1. হোয়াইট ব্যালেন্স ঠিক করুন
বেশিরভাগ ক্যামেরা ও স্মার্টফোন যে কোনো পরিস্থিতিতে দাঁঁড়িয়ে প্রথম ফোটো ঠিকঠাক নিলেও ক্রমশ কালার এফেক্ট বদলাতে দেখা যায়। কারণ আশেপাশের পরিস্থিতি ও আলো বদলে গেলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রভাব ফোটোয় পড়বে। যেমন খুব বেশি আলোয় ক্লিক করা ফোটো দেখতে ততটাও ভালো লাগে না। তাই সব সময় ম্যানুয়ালি হোয়াইট ব্যালেন্স অ্যাডজাস্ট করা প্রয়োজন।
2. শ্যাডো ও হাইলাইট ডিটেইলস রিকভার করুন
যে কোনো ফোটোয় হাইলাইট সবচেয়ে হালকা এরিয়া হয় এবং শ্যাডো সবচেয়ে ডার্ক। এর মধ্যে একটিও বেশি সাদা বা কালো হলে সেই ছবি কখনোই পারফেক্ট নয়। এই অপশন অ্যাডজাস্ট করার জন্য ফোটো এডিটিং অ্যাপে গিয়ে অথবা ফোনের এডিটিং টুলের সাহায্যে “Highlights” ও “Shadow” স্লাইডার ব্যবহার করুন। এর ফলে ফোটোয় রঙ ও এফেক্ট আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।
আরও পড়ুন: সার্ভিস সেন্টারে ফোন জমা দেওয়ার আগে অবশ্যই যা করবেন, নয়তো দিতে হতে পারে বড় খেসারত
3. ফোটো ক্রপ
অনেক সময় ফোটো ক্লিক করার সময় অবজেক্ট ছাড়াও কিছু অবাঞ্ছিত জিনিসের ফোটো উঠে যায়। কারণ জুম করে ফোটোর কোয়ালিটি নষ্ট হতে পারে। এক্ষেত্রে জুম করার থেকেও ক্রপ করা বেশি ভালো অপশন। এই স্টেপটি কম বেশি প্রায় সবাই ব্যবহার করে।
4. ফোটো সোজা করা
ফোটো ক্লিক করার সময় প্রায়ই আমরা কোনো সোজা লাইন ফলো করতে ভুলে যাই এবং পরে দেখা যায় সেই ছবির অ্যালাইনমেন্ট বিগড়ে গেছে। তবে এই সমস্যা ঠিক করা খুবই সহজ। প্রতিটি এডিটিং অপশনেই রোটেট ফিচার থাকে এবং এই ফিচার ব্যবহার করে মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে যে কোনো ছবি সোজা করা যায়।
আরও পড়ুন: হোটেল অথবা চেঞ্জিং রুমে লুকানো ক্যামেরা এবং মাইক মোবাইল ফোনের সাহায্যে কিভাবে খুঁজে বের করবেন?
5. স্কিন টোনের জন্য ভাইব্রেন্সের কালার বুস্ট
এডিটিং অপশনের ভাইব্রেন্স ফিচার ব্যবহার করে ছবির স্কিন টোন বুস্ট করা যায়। বেশিরভাগ অ্যাপ বা টুলে এই ফিচার একটি স্লাইডার হিসেবে থাকে। অত্যন্ত সাধারণ এই ফিচার যে কোনো ফোটোকে অতুলনীয় করে তুলতে সক্ষম।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন











