টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিতে এয়ারটেল দীর্ঘদিন ধরে তাদের ইউজারদের খুশি করার উদ্দেশ্যে নতুন নতুন প্রিপেইড প্ল্যান লঞ্চ করে চলেছে। এইসব প্ল্যানের দৌলতেই কোম্পানি মার্কেটে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী যেমন জিও, ভোডাফোন আইডিয়া এবং বিএসএনএলকে টেক্কা দিয়ে চলেছে। তবে আপনি কি জানেন যে আপনার কাছে যদি এয়ারটেলের সিম থাকে এবং আপনি সেই সিমে ইন্টারনেট ও ভয়েস কল ব্যবহার না করলেও প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট দামের রিচার্জ করতে হবে।
গত বছর এয়ারটেল তাদের প্রিপেইড ইউজারদের জন্য নূন্যতম রিচার্জ 23 টাকা থেকে বাড়িয়ে 45 টাকা করে দিয়েছে। অর্থাৎ ইউজারদের তাদের এয়ারটেলের নাম্বার চালু রাখতে হলে প্রতি মাসে কমপক্ষে 45 টাকার রিচার্জ করাতেই হবে।
ইউজারদের এয়ারটেলের সব ধরনের টেলিকম পরিষেবা চালু রাখার জন্য প্রতি 28 দিন অন্তর 45 টাকা বা তার বেশি রিচার্জ করানো বাধ্যতামূলক। এই 45 টাকার প্ল্যানে 28 দিনেরই ভ্যালিডিটি পাওয়া যায়। তবে এই প্ল্যানে ইউজারদের কোনো ধরনের কলিং বা ডেটা বেনিফিট দেওয়া হয় না। কোনো ইউজার যদি শুধুমাত্র সিম চালু রাখার প্ল্যান চায় সেক্ষেত্রে এটি বেস্ট প্ল্যান।
প্রসঙ্গত কয়েক দিন আগে এয়ারটেল 251 টাকা দামের নতুন 4জি ডেটা ভাউচার পেশ করেছিল। এই ভাউচারে ইউজারদের 50 জিবি আনলিমিটেড হাই স্পীড ডেটা দেওয়া হয়। সবচেয়ে বড় কথা এই অ্যাড অন প্ল্যানের কোনো ভ্যালিডিটি নেই। ইউজারের প্রাইমারি রিচার্জের ভ্যালিডিটির সঙ্গে এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি শেষ হবে। গ্ৰাহকদের ফোনে আগে থেকে কোনো রিচার্জ থাকলেই এই প্ল্যানটি তার পাশাপাশি উপভোগ করা যাবে। এছাড়া ভয়েস কল ও এসএমএস প্রাইমারি রিচার্জের ট্যারিফ অনুযায়ী চলবে।
এছাড়া এয়ারটেল তাদের পোস্টপেইড ইউজারদের জন্য 100 টাকা দামের অ্যাড অন ডেটা প্যাক রেখেছে। কোম্পানির এই অ্যাড অন প্যাকে ইউজারদের 15 জিবি করে ডেটা দেওয়া হয়। কোম্পানি এই প্ল্যানটি প্রথমে জানুয়ারি মাসে লঞ্চ করে। পরে আবার এপ্রিল মাসে “ওয়ার্ক ফ্রম হোম উইথ এয়ারটেল” ট্যাগের সঙ্গে এটির প্রোমোট করা শুরু করে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
