আমাদের দেশ কায়দা করে হাতের কাছের জিনিস ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরি করতে প্রসিদ্ধ। কায়দা করে নতুন কিছু লোকেরা এমন-এমন জিনিস তৈরি করে ফেলে, যা দেখে শুধুমাত্র দেশের লোকেরা না সারা বিশ্বের লোকেরাও অবাক হয়ে যায়। বহু-সময় দিগ্গজ ব্যক্তিরাও অবাক হয়ে যায়। এইভাবেই মুম্বাইয়ের খান্ডা কলোনির নিবাসী উমেশ শ্রিপত নিজের সাধারণ সাইকেলটিকে Electric Cycle বানিয়ে ফেলেছে। আসুন এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক তিনি কত টাকা খরচ করেছেন এবং তার এই সাইকেলটি কত রেঞ্জ প্রদান করে।
Electric Cycle
আসলে উমেশকে আগে তার সাধারণ সাইকেলে করে সিবিডি বেলাপুরে নিজের অফিস পর্যন্ত পৌছানোর জন্য 10KM এর যাত্রা প্রতিদিন করতে হতো এবং এই যাত্রা করতে তার প্রায় 40 মিনিট সময় লাগতো। এই সমস্যাটির সমাধান করতে এবং সময় বাঁচানোর জন্য তিনি নিজের সাইকেলটিকে ইলেকট্রিক সাইকেলের রূপ দেয়, এর ফলে এখন ইলেকট্রিক সাইকেলটির মাধ্যমে সমান দূরত্ব যেতে তার 24 মিনিট সময় লাগে।
উমেশ মহারাষ্ট্র স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে (MSEDCL) চাকরি করেন এবং মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই অফিসে যাওয়ার জন্য সাইকেলটিকে বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বহু সময়ই সাইকেলে করে অফিস যাওয়ার জন্য দেরি হয়ে যেত, ফলে সমস্যায় পড়তে হতো। এই সমস্যার সমাধান করার জন্যেই তিনি নিজের সাইকেলটিকে ইলেকট্রিক সাইকেলে বদলে দিয়েছেন। এখন তিনি নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে যখন মনে করবেন প্যাডেল করতে পারবেন, আবার যখন মনে করবেন ইলেকট্রিক মোটরের ব্যবহার করেও সাইকেলটিকে চালাতে পারবেন।
ইলেকট্রিক সাইকেলটিকে 35,000 টাকায় তৈরি করেছেন
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী উমেশ 2020 এর প্রথম ছয় মাসে একটি DC ব্যাটারি, ইলেকট্রিক মোটর, এক্সেলেরেটার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য প্রায় 35,000 টাকা খরচ করেছেন। প্রায় দুই মাস চেষ্টা করে উমেশ এই জিনিস গুলি ব্যবহার করে নিজের সাধারণ সাইকেলটিকে ইলেকট্রিক সাইকেলে পরিনত করতে সফল হয়েছেন।
8 টাকায় 50KM এর রেঞ্জ পাওয়া যাবে
উমেশের অনুযায়ী ব্যাটারি চার্জ করার জন্য শুধুমাত্র দুই ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় এবং এই দুই ইউনিট বিদ্যুতের দাম প্রায় 8 টাকা। অর্থাৎ শুধুমাত্র 8 টাকা খরচ করে এই সাইকেলে 50 KM এর যাত্রা করা সম্ভব। এছাড়া এই সাইকেলটির টপ স্পীড প্রায় 25km প্রতিঘন্টা।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন










