স্যামসাঙ তাদের গ্যালাক্সি ‘এ’ সিরিজের নতুন মিড বাজেট রেঞ্জের স্মার্টফোনে কাজ করছে। এই ফোনটি Samsung Galaxy A37 5G নামে লঞ্চ করা হবে। সম্প্রতি ফোনটি SM-A376U মডেল নাম্বার সহ স্যামসাঙ ইন্টারনাল টেস্ট সার্ভারে দেখা গেছে। অন্যদিকে বেঞ্চমার্কিং প্ল্যাটফর্ম গীকবেঞ্চে আসন্ন Samsung Galaxy A37 5G ফোনটি লিস্টেড হয়েছে। লিস্টিঙের মাধ্যমে ফোনটির RAM, অ্যান্ড্রয়েড ওএস এবং প্রসেসর সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।
গীকবেঞ্চ সাইটে Samsung Galaxy A37 5G ফোনটি SM-A376B মডেল নাম্বার সহ লিস্টেড হয়েছে। গ্যালাক্সি A37 ফোনটি সিঙ্গেল-কোর টেস্টে 1158 বেঞ্চমার্ক স্কোর এবং মাল্টি-কোর বেঞ্চমার্ক টেস্টে 3401 স্কোর পেয়েছে। আমাদের টেস্টে Galaxy A36 5G ফোনটি সিঙ্গেল-কোর টেস্টে 1023 স্কোর এবং মাল্টি-কোর টেস্টে 2690 স্কোর পেয়েছিল। অর্থাৎ বেঞ্চমার্ক স্কোর অনুযায়ী গ্যালাক্সি A37 ফোনটিতে ফাস্ট পারফরমেন্স পাওয়া যাবে।
গীকবেঞ্চ সাইটে Samsung Galaxy A37 5G ফোনটি 6GB RAM সহ লিস্টেড হয়েছে। এটি ফোনটির ভ্যানিলা মডেল হতে পারে এবং টপ মডেল 8GB বা 12GB RAM সহ লঞ্চ করা হতে পারে। ভারতে Galaxy A36 ফোনটি 8GB RAM এবং 12GB RAM ভেরিয়েন্টে সেল করা হয়। এই ফোনটির প্রাথমিক দাম 30,999 টাকা থেকে 36,999 টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। Samsung Galaxy A37 5G ফোনটিও একই প্রাইস রেঞ্জে লঞ্চ করা হতে পারে।
কোম্পানির Samsung Galaxy A37 5G ফোনটি অক্টাকোর প্রসেসর সহ লঞ্চ করবে। গীকবেঞ্চ লিস্টিং অনুযায়ী এই প্রসেসর 2.05GHz থেকে 2.75GHz ক্লক স্পীডে কাজ করবে। লিস্টিঙের মাধ্যমে ফোনের প্রসেসর সম্পর্কে জানানো হয়নি, তবে মাদারবোর্ড সেকশনে energy_aware কোডনেম দেখা গেছে। এটি Samsung Exynos 1480 প্রসেসর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জানিয়ে রাখি Galaxy A36 ফোনটি কোয়ালকম Snapdragon 6 Gen 3 প্রসেসর সহ লঞ্চ করা হয়েছিল, এটি 1.8GHz থেকে 2.4GHz ক্লক স্পীডে কাজ করে। অর্থাৎ এই ফোনের সাক্সেসার Samsung Galaxy A37 5G ফোনটিতে আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী পারফরমেন্স পাওয়া যাবে। জানিয়ে রাখি আপকামিং ফোনটি Android 16 সহ লঞ্চ করা হবে।
2026 সালে ভারতে Samsung Galaxy A37 ফোনটি লঞ্চ করা হবে, তাই এখনও পর্যন্ত অনেকটাই সময় বাকি রয়েছে। তবে বর্তমানে দাঁড়িয়ে যারা 30-35 হাজার টাকা রেঞ্জে ফোন কেনায়ের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য OPPO F31 Pro+, realme 15 Pro, OnePlus Nord 5 এবং POCO F7 ফোনগুলি ভালো অপশন।
উপরোক্ত সমস্ত ফোনেই হাই রিফ্রেশ রেটযুক্ত এমোলেড ডিসপ্লে সহ অসাধারণ ক্যামেরা এবং দুর্দান্ত পারফরমেন্স পাওয়া যায়। সমস্ত ফোনেই বড় ব্যাটারি রয়েছে, তবে POCO F7 ফোনটিতে শক্তিশালী 7,550mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে 40 হাজার টাকা দামে অসাধারণ ফটোগ্রাফির জন্য Vivo V60 ফোনটি, হেভি গেমিঙের জন্য OPPO K13 Turbo Pro এবং শক্তিশালী ল্যাগফ্রি প্রসেসিঙের জন্য realme GT 7 ফোনগুলি ভালো অপশন।











