75km রেঞ্জ সহ NIT তৈরি করেছে সৌর রশ্মিতে চাইজেবল এবং জঙ্গলে চলা E-Bike

ন‍্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি-কর্নাটক (এন‌আইটি-কে), সুরাথকাল একটি ই-বাইকের ডিজাইন তৈরি করেছে যা বিশেষত জঙ্গলে চলাচল করার জন্য উপযোগী। এই ই-বাইকের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে এই ই-বাইকটিকে সৌরশক্তির (solar power) সাহায্যে চার্জ করা যাবে এবং এতে হেডলাইটটিকে নিয়ে রাতে মশালের মতো ব‍্যবহার‌ও করা যাবে। এঈ বাইকটির ইলেকট্রিক মোটরটি বেশি আওয়াজ‌ও করে না। এটি একটু বেশিই বিশেষ কারন জঙ্গলে আওয়াজের কারনে বন‍্যজীবেরা বিরক্ত হয় এবং এই বাইকটি শিকারদের ভাগার সুযোগ না দিয়েই তাদের সুযোগ করে দেবে। ই-মোবিলিটি প্রোজেক্টস সেন্টার ফর সিস্টেম ডিজাইন সংস্থানের প্রধান পৃথ্বীরাজ ইউ দি হিন্দুকে এই সম্পর্কে জানিয়েছে।

এছাড়া পৃথ্বীরাজ বলেছেন যে ই-বাইকের ফ্রন্টে ইউটিলিটি বক্সের ব‍্যবহারের বদলে ইউজারের সমস্ত কাজের জিনিস যেমন ওয়াকি-টকি, ব‌ই ইত্যাদি রাখার ব‍্যবস্থা করা যেতে পারে। ওয়াকি-টকি এবং মোবাইল ফোন চার্জ করার জন্য এই ই-বাইকে চার্জিং পয়েন্ট দেওয়া থাকবে। আবার এই বাইকে রেয়ার প‍্যানিয়ার বক্সের ব‍্যবহার করে অন‍্যান‍্য জিনিসপত্র স্টোর করাও যেতে পারে।

ক‍্যাম্পিঙের সময়ে এই ই-বাইকে জল এবং খাওয়ার‌ও নিয়ে যাওয়া যাবে। পৃথ্বীরাজ জল সংসাধন এবং মহাসাগর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, এন‌আইটি-কে এর সহায়ক প্রফেসর‌ও। তিনি বলেছেন যে এই বাইকটিকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে এটিকে কুন্দ্রেমুখ রাষ্ট্রীয় উদ‍্যানেও ব‍্যবহার করা যাবে। এই উদ‍্যানের রক্ষনাবেক্ষন করা অধিকারিকদের প্রয়োজনীয়াতা মনে রেখে এই বাইকটিকে তৈরি করা হয়েছে।

এই ই-বাইকটি দূর দূরান্তের জায়গায় খুব সহজেই পৌঁছাতে পারবে। আবার জঙ্গলে আগুন লাগলে সেই জায়গায়‌ও খুব সহজেই যেতে পারবে। তিনি বলেছেন যে এই ইলেকট্রিক বাইকটি অসমতল এলাকায় 75 কিমি পর্যন্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারবে। বাইকটিকে তৈরি করতে তিন মাস সময় লেগেছে। এছাড়া তিনি বলেছেন যে এই ই-বাইকটি ‘ভিদ‍্যুগ 4.0’ বিএলডিসি মোটর, 33 এএইচ লিথিয়াম-আয়‌ওন ব‍্যাটারীর সাহায্যে চলে। আবার সোলার চার্জিং সেট‌আপে ব‍্যাটারীটিকে চার্জ করার জন্য দুটি 400W মোনো-ক্রিস্টালিন সোলার প‍্যানেল এবং 1.5 kW UPS ইউনিট দেওয়া আছে।

আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

LEAVE A REPLY
Please enter your comment!
Please enter your name here