পর্যালোচনা - 91Mobiles Bengali https://www.91mobiles.com/bengali Tech and Mobile News in Bengali| Latest Gadget Reviews | প্রযুক্তি সংবাদ Thu, 07 May 2026 17:27:25 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.5.3 50 বছর আগে শুরু হয়েছিল Nokia Snake Game-গেমের পথ চলা, আজ‌ও যথেষ্ট জনপ্রিয় এই মোবাইল গেম https://www.91mobiles.com/bengali/nokia-snake-game-know-the-reality-behind-the-world-most-popular-mobile-game-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/nokia-snake-game-know-the-reality-behind-the-world-most-popular-mobile-game-in-bengali/#respond Fri, 08 May 2026 06:41:44 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=77582 Nokia Snake গেমের ইতিবৃত্ত

The post 50 বছর আগে শুরু হয়েছিল Nokia Snake Game-গেমের পথ চলা, আজ‌ও যথেষ্ট জনপ্রিয় এই মোবাইল গেম first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে গোটা বিশ্ব মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। হেভি প্রসেসর ও বড় ডিসপ্লে সহ ফোনে বর্তমানে মানুষজন হাই গ্ৰাফিক্স সহ BGMI, Call Of Duty ও Genshin Impact এর মতো গেম খেলে থাকেন। তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো জানেন না মোবাইল গেমিঙের সূচনা কোন গেমটির হাত ধরে হয়েছিল এবং কবে, কোথায় ও কিভাবে এই গেমটি প্রকাশ্যে এসেছিল। চলুন ঘুরে আসা যাক মোবাইল গেমের এক মজার ইতিহাস থেকে।

এখানে এমন একটি গেমের কথা বলা হচ্ছে যেটি খেলা অত্যন্ত সহজ এবং এটি মোবাইল গেমিঙের ইতিহাসে এক অন্যতম মাইল ফলক। এর পর থেকেই ফোনে গেম খেলার প্রচলন শুরু হয়। আমরা প্রায় সকলেই কখন‌ও না কখনও বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় Snake গেম খেলেছি। 1997 সালে এই রেট্রো গেমের সুচনা হয়েছিল এবং আজ‌ও এই গেমটি মানুষের স্মৃতিতে জীবন্ত হয়ে রয়েছে। 2007 সালে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের জগতে ফোনটি পা রেখেছিল, তবে আজ 2026 সালে দাঁড়িয়েও বহু ইউজার এই গেম খেলেন।

কেমন ছিল Snake গেম?

Snake গেম প্রথমে একটি ছোট পিক্সেল থেকে শুরু হয়, যা ব্লিঙ্ক করতে থাকে। ছোট ছোট ডট এগিয়ে গিয়ে অপর ডটের সঙ্গে মিশে ক্রমশ সাপের মতো হয়ে যায়। এখানে পরবর্তী ডটগুলি সাপের খাবার হিসাবে ফুটে উঠত এবং সাপটি যত খাবার খেত, সেটি তত‌ই লম্বা হয়ে যেত। খাবার খেতে খেতে সাপ যখন অনেকটা লম্বা হয়ে যেত তখন হয় সেটি নিজেকেই কামড়ে দিত অথবা স্ক্রিনের কিনারায় ধাক্কা খেত এবং এর ফলে গেম শেষ হয়ে যেত। গেমে সাপ যত লম্বা হত, তত বেশি পয়েন্ট পাওয়া যেত। এই গেমের ক্লাসিক সাউন্ড এবং সহজ কন্ট্রোলের কারণে গেমটি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

সেই সময় ফোনে ছোট ও সাদা-কালো স্ক্রিন থাকত এবং সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয় ‘স্নেক’ ছিল একটি আদর্শ গেম। সবচেয়ে বড় কথা ফোনের কীপ্যাডের 2, 8, 4 ও 6 ছাড়া নেভিগেশন প্যাড ব্যাবহার করেও এটিএর মধ্যে অনায়াসে খেলা যেত। 2 টিপলে ওপরে, 8-এর মাধ্যমে নিচে, 4-এর সাহায্যে বাঁদিকে এবং 6 টিপলে সাপটি ডানদিকে যেত। এভাবে ছোট ফোনেও গেমটি সহজেই খেলা যেত।

কোথা থেকে এল ‘স্নেক’ গেমের আইডিয়া?

নোকিয়া মোবাইলের জন্য এই গেমটি তৈরি করেছিলেন সুইডিশ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার Taneli Armanto। তিনি কোনো পেশাদার গেম ডেভেলপার ছিলেন না, তবুও তাঁর তৈরি এই গেমটি ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। তিনি ফোনের ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট স্ক্রিন এবং কম মেমরির কথা মাথায় রেখে এই গেমটি ডিজাইন করেছিলেন। তবে এই গেমটি আরও পুরনো একটি গেম ‘Blockade’ দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল।

‘Blockade’ গেমটি ডিজাইন করেছিল Gremlin নামক এক সংস্থা এবং ভিডিও গেমটি প্রকাশ্যে আসে 1976 সালে। এটিও ছিল একটি আর্কেড গেম, যা দুজন প্লেয়ার মিলে খেলতে হত এবং এতে স্নেক ডট এগিয়ে নিয়ে যেতে হত। তবে এখানে একটি অ্যারো চিহ্ন থাকত ও এটি দেখে এগিয়ে যেতে হত। প্রতিটি অ্যারোর সঙ্গে সঙ্গে ডট আরও লম্বা হয়ে যেত। দেওয়াল বা অন্য প্লেয়ারের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে গেম শেষ হয়ে যেত। স্নেক গেমের ক্ষেত্রেও এমনটাই হত। 1991 সালের Worm গেমটিও কিছুটা এমনই ছিল, তবে এটির গ্ৰাফিক্স আরও ভালো ছিল।

নোকিয়ার স্নেক গেমটিও এই গেম থেকেই অনুপ্রাণিত ছিল, তবে এই গেমের চ্যালেঞ্জ ছিল আরও বেশি। এই গেমটি যেমন ছোট স্ক্রিনে রান করাতে হয়েছে, তেমনই ফোনের মেমরিও ছিল কম। এছাড়াও এমন একটি ডিভাইসের জন্য এই গেম ডিজাইন করতে হয়েছে, যা মূলত যোগাযোগের জন্য ব্যাবহৃত হত। তবে Armanto তাঁর কাজে সফল হন এবং ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেন। এই কারণে তাকে 2005 সালে Mobile Entertainment Forum এর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।

সেই সময় তাকে স্নেক গেমের পাশাপাশি ‘লজিক’ এবং ‘মেমরি’ নামের আরও দুটি গেমের টাস্ক দেওয়া হয়েছিল। তবে সাধারণ মানুষ স্নেক গেমটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে এবং এই গেমের জন্য নোকিয়া ফোনের জনপ্রিয়তা প্রচুর বেড়ে যায়।

শুরু থেকে শেষ: স্নেক গেমের ইতিকথা

1997 সালে Nokia তাদের 6110 ফোনটি লঞ্চ করেছিল। এই ফোনটিতে প্রথম Snake গেম প্রি-ইনস্টল করে দেওয়া হয়েছিল। এই গেমটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে এর পর থেকে নোকিয়া তাদের প্রতিটি ফোনেই এই গেম যোগ করতে থাকে।

এর এক বছর পর অর্থাৎ 1998 সালে Nokia 7110 ফোনটি পেশ করা হয়েছিল। এতে লোকাল টু-প্লেয়ার ভার্সন দেওয়া হয়। এই ভার্সনে দুইজন খেলোয়াড় ইনফ্রারেডের মাধ্যমে তাদের ফোন কানেক্ট করে এক সঙ্গে স্নেক গেম খেলতে পারতেন।

আবারও এক বছর পর এই গেমের নতুন আপগ্ৰেডেড ভার্সন পেশ করা হয়। 1999 সালে Nokia 3310 ফোনটি লঞ্চ করা হয়েছিল এবং এই ফোনে প্রথম বোনাস ও গোলকধাঁধার মতো সেগমেন্ট যোগ করা হয়। এই ফোনটি চরম জনপ্রিয়তা লাভ করে সেই সময় গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত ফোনের তকমা পেয়েছিল। ফোনটির জনপ্রিয়তার পেছনে অন্যান্য ফিচারের পাশাপাশি স্নেক গেমের অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

এর পর নোকিয়া ফোনের পতনের সঙ্গে সঙ্গে স্নেক গেম‌ও হারিয়ে যেতে থাকে এবং শুধুমাত্র মানুষের স্মৃতিতেই এই গেমের অস্তিত্ব থেকে যায়। পরবর্তী সময়ে HMD ব্র্যান্ডের হাতে নোকিয়ার অধিকার চলে গেলে 2017 সালে আবার Nokia 3310 ফোনটির নতুন ভার্সন লঞ্চ করা হয় এবং এই ফোনে গেমের আপডেটেড ভার্সন Snake Xenzia পেশ করা হয়েছিল। সুন্দর ভিজুয়াল এবং কন্ট্রোলের সঙ্গে এই গেমটি আবারও শিরোনামে উঠে আসে। তবে এবার শুধুমাত্র ইন্টারনেট পোস্ট, পুরনো ভিডিও এবং আর্টিকেলের মধ্যেই এই গেম সীমাবদ্ধ থাকে।

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে PUBG Mobile, Free Fire, Genshin Impact এবং Call of Duty এর মতো গেমগুলি জনপ্রিয় হলেও, মোবাইল গেমের সূচনা এবং আসক্তির কথা উঠলে ‘স্নেক’ গেমের প্রসঙ্গ উঠে আসবেই।

The post 50 বছর আগে শুরু হয়েছিল Nokia Snake Game-গেমের পথ চলা, আজ‌ও যথেষ্ট জনপ্রিয় এই মোবাইল গেম first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/nokia-snake-game-know-the-reality-behind-the-world-most-popular-mobile-game-in-bengali/feed/ 0
OnePlus Nord 6 Vs Nord 5: দেখে নিন এই দুটি ফোনের দাম এবং স্পেসিফিকেশনের তুলনা https://www.91mobiles.com/bengali/oneplus-nord-6-vs-oneplus-nord-5-price-and-specifications-comparison-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/oneplus-nord-6-vs-oneplus-nord-5-price-and-specifications-comparison-in-bengali/#respond Wed, 08 Apr 2026 10:43:25 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=75929 OnePlus Nord 6 এবং Nord 5 ফোনের তুলনা

The post OnePlus Nord 6 Vs Nord 5: দেখে নিন এই দুটি ফোনের দাম এবং স্পেসিফিকেশনের তুলনা first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
ভারতে অফিসিয়ালি OnePlus Nord 6 ফোনটি লঞ্চ করে দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির সবচেয়ে বড় ব্যাটারি সহ এই ফোনটি 38,999 টাকা প্রাথমিক দামে লঞ্চ করা হয়েছে। এই নতুন ফোনটি গত বছর পেশ হ‌ওয়া OnePlus Nord 5 ফোনটির সাক্সেসার হিসাবে বাজারে আনা হয়েছে, যা এখনও 33,999 টাকা দামে সেল করা হয়। এই দুটি স্মার্টফোন একে অপরের চেয়ে কতটা আলাদা এবং কোন ফোনটি বেশি শক্তিশালী তা জানার জন্য আমরা এই দুটি ফোনের তুলনা করেছি। দাম এবং গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশনের ভিত্তিতে এই তুলনা করা হয়েছে। নিচে OnePlus Nord 6 এবং OnePlus Nord 5 ফোনের তুলনামূলক আলোচনা শেয়ার করা হল।

স্পেসিফিকেশনের তুলনা

স্পেসিফিকেশন OnePlus Nord 6 OnePlus Nord 5
ডিসপ্লে 6.78″ 1.5K 165Hz AMOLED 6.83″ 1.5K 144Hz AMOLED
প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 8s Gen 4 Qualcomm Snapdragon 8s Gen 3
RAM 12GB LPDDR5X RAM 12GB LPDDR5X RAM
স্টোরেজ 256GB UFS 4.1 Storage 512GB UFS 3.1 Storage
রেয়ার ক্যামেরা 50MP LYT600 + 8MP UltraWide 50MP LYT700 + 8MP UltraWide
ফ্রন্ট ক্যামেরা 32MP Selfie 50MP Selfie
ব্যাটারি 9,000mAh battery 6,800mAh battery
চার্জিং 80W SUPERVOOC + 27W Reverse 80W SUPERVOOC + 5W Reverse
IP রেটিং IP66, IP68, IP69, IP69K IP65

 

ডিসপ্লে

OnePlus Nord 6 ফোনে 2772 x 1272 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.78-ইঞ্চির 1.5K ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এই স্ক্রিন 165Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। এই ফোনটির ডিসপ্লে 3840Hz PWM ডিমিং এবং 3600nits পীক ব্রাইটনেস দিতে সক্ষম। এই স্ক্রিনে Aqua Touch 2.0 ফিচার যোগ করা হয়েছে, ফলে ভেজা হাতেও অনায়াসে এই ফোনটি ব্যাবহার করা যাবে। এতে ইন ডিসপ্লে অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ডিসপ্লের সুরক্ষার জন্য Gorilla Glass Victus+ কোটিং দেওয়া হয়েছে।

OnePlus Nord 5 ফোনে 2800 x 1272 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.83-ইঞ্চির 1.5K ডিসপ্লে যোগ করা হয়েছে। AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এই স্ক্রিন 144Hz রিফ্রেশ রেট এবং 1400nits পীক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এই স্ক্রিনেও ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং Gorilla Glass 7i প্রোটেকশন রয়েছে।

স্ক্রিনের দিক থেকে নতুন OnePlus Nord 6 ফোনটি আগের OnePlus Nord 5 ফোনের চেয়ে যথেষ্ট অ্যাডভান্স। এই ডিসপ্লের হাই রিফ্রেশ রেট স্মুথ স্ক্রলিং ও সুন্দর গেমিং এক্সপেরিয়েন্স দিতে সক্ষম। এছাড়াও হাই ব্রাইটনেসের দৌলতে দারুণ আউটডোর ভিজিবিলিটিও উপভোগ করা যাবে।

পারফরমেন্স

OnePlus Nord 6 5G ফোনটি Android 16 বেসড OxygenOS 16 অপারেটিং সিস্টেম সহ পেশ করা হয়েছে। প্রসেসিঙের জন্য এই ফোনে 4nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি এবং 2.02GHz থেকে 3.21GHz পর্যন্ত ক্লক স্পীডযুক্ত Snapdragon 8s Gen 4 অক্টাকোর প্রসেসর রয়েছে। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 23,66,913 AnTuTu Score পেয়েছে। এর সঙ্গে সুন্দর গ্ৰাফিক্সের জন্য এতে Adreno 825 GPU দেওয়া হয়েছে।

OnePlus Nord 5 5G ফোনটি Android 15 বেসড OxygenOS 15 অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। এই ফোনে 4nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি Qualcomm Snapdragon 8s Gen 3 অক্টাকোর প্রসেসর যোগ করা হয়েছে, যা 2.0GHz থেকে 3.0GHz পর্যন্ত ক্লক স্পীডে রান করতে সক্ষম। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 14,81,616 AnTuTu Score পেয়েছে। সুন্দর গ্ৰাফিক্সের জন্য এই ফোনে Adreno 735 GPU রয়েছে।

নতুন OnePlus Nord 6 5G ফোনটির প্রসেসর আগের Nord 5 ফোনের চেয়ে ফাস্ট। আমাদের টেস্টিঙে উভয় ফোনের আনটুটু স্কোরের পার্থক্য প্রায় 8 লক্ষ। এছাড়াও Nord 6 ফোনে ব্যাবহৃত 33147mm² হীট ডিসিপেশন এরিয়া Nord 5 ফোনটির 32207mm² এর চেয়ে বড়, যা ভালোভাবে হেভি পারফরমেন্স এবং গেমিঙের সময় ফোনটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।

ক্যামেরা

ফটোগ্রাফির জন্য OnePlus Nord 6 5G ফোনের ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপে LED ফ্ল্যাশের সঙ্গে f/1.8 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP প্রাইমারি Sony LYT600 সেন্সর এবং 8MP আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স যোগ করা হয়েছে। অপরদিকে OnePlus Nord 5 5G ফোনের ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপে f/1.8 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP প্রাইমারি Sony LYT700 সেন্সরের সঙ্গে 8MP আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স রয়েছে।

সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য Nord 6 ফোনে 32MP এবং Nord 5 ফোনে 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরাই f/2.0 অ্যাপার্চার এবং 90° FoV সাপোর্ট করে।

ক্যামেরা সেগমেন্টে OnePlus Nord 6 ফোনটি আগের Nord 5 ফোনের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে। কোম্পানির পক্ষ থেকে নতুন ফোনটির পারফরমেন্স আপগ্রেড করা হলেও ক্যামেরায় কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে। Nord 5 ফোনের LYT-700 সেন্সর লো লাইট কন্ডিশনে Nord 6 ফোনের LYT-600 সেন্সরের চেয়ে ভালো কাজ করে এবং ভালো ডায়নামিক রেঞ্জ দিতে সক্ষম। এছাড়াও Nord 5 ফোনে 24mm ফোকাল লেন্থ পাওয়া যায়, যা Nord 6 ফোনের 26mm লেন্সের চেয়ে বেশি ওয়াইড ও কম ডিস্টর্শন সহ শট ক্যাপচার করতে পারে।

ব্যাটারি

OnePlus Nord 6 ফোনটি কোম্পানির এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ব্যাটারি সহ স্মার্টফোন। পাওয়ার ব্যাক‌আপের জন্য এই ফোনে 9,000mAh ব্যাটারি যোগ করা হয়েছে। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 20 ঘন্টা, 46 মিনিট পিসিমার্ক ব্যাটারি বেঞ্চমার্ক স্কোর পেয়েছে। কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী সাধারণ ব্যাবহারে এই ফোনটি 2.5 দিন পর্যন্ত কাজ করতে পারবে। এই ফোনটির ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে 80W SUPERVOOC ফাস্ট চার্জিং ফিচার রয়েছে। ফোনটির ব্যাটারি 20% থেকে 100% চার্জ করতে 65 মিনিট সময় লেগেছে। এছাড়াও এই ফোনটি 27W রিভার্স চার্জিং ফিচার সাপোর্ট করে।

পাওয়ার ব্যাক‌আপের জন্য OnePlus Nord 5 ফোনে 6,800mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 11 ঘন্টা, 50 মিনিট পিসিমার্ক ব্যাটারি বেঞ্চমার্ক স্কোর অর্জন করেছে। এই ফোনটির ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে 80W ফাস্ট চার্জিং ফিচার যোগ করা হয়েছে। এই ফোনটি মাত্র 49 মিনিটে 20% থেকে 100% পর্যন্ত চার্জ হয়েছে। এছাড়াও এই ফোনে 5W রিভার্স চার্জিং ফিচার রয়েছে।

ব্যাটারির দিক থেকে OnePlus Nord 6 ফোনটি অনেকটাই এগিয়ে। ক্যাপাসিটি এবং ব্যাক‌আপ সম্পর্কে ওপরে জানানো হয়েছে। এছাড়াও Nord 5 ফোনে 4 বছরের ব্যাটারি হেল্থ পাওয়া যাবে এবং Nord 6 ফোনে 6 বছরের ব্যাটারি হেল্থ বজায় থাকবে।

দামের তুলনা

ভেরিয়েন্ট OnePlus Nord 6 OnePlus Nord 5
8GB RAM + 256GB Storage 38,999 টাকা 31,999 টাকা
12GB RAM + 256GB Storage 41,999 টাকা 34,999 টাকা
12GB RAM + 512GB Storage _ 37,999 টাকা

 

কোম্পানির পক্ষ থেকে OnePlus Nord 5 ফোনটি তিনটি ভেরিয়েন্টে লঞ্চ করা হয়েছিল। এই ফোনটির 8GB + 256GB মডেলের দাম রাখা হয়েছিল 31,999 টাকা। এক‌ইভাবে ফোনটির 12GB RAM সহ 256GB মডেল 34,999 টাকা এবং 512GB মডেল 37,999 টাকা দামে পেশ করা হয়েছিল। জানিয়ে রাখি এই ফোনটির তিনটি মডেলের দাম‌ই বর্তমানে 2,000 টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে ফোনটির স্টার্টিং প্রাইস হয়ে গেছে 33,999 টাকা।

OnePlus Nord 6 5G ফোনটি দুটি ভেরিয়েন্টে লঞ্চ করা হয়েছে। এই ফোনটির 8GB RAM + 256GB Storage মডেলের দাম রাখা হয়েছে 38,999 টাকা। এক‌ইভাবে এই ফোনের 12GB RAM ও 256GB মেমরি সহ টপ মডেল 41,999 টাকা দামে পেশ করা হয়েছে। অর্থাৎ Nord 6 ফোনের দাম Nord 5 ফোনটির চেয়ে 5,000 টাকা বেশি।

সমস্ত স্পেসিফিকেশন বিচার করে বলা যায় 5 হাজার টাকা বেশি খরচ করে OnePlus Nord 6 ফোনটি কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বড় ব্যাটারি, হাই রিফ্রেশ রেট, আপগ্ৰেডেড প্রসেসর এবং স্ট্রং বিল্ড কোয়ালিটি Nord 6 ফোনটিকে Nord 5 ফোনটির যথাযথ সাক্সেসার করে তোলে।

The post OnePlus Nord 6 Vs Nord 5: দেখে নিন এই দুটি ফোনের দাম এবং স্পেসিফিকেশনের তুলনা first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/oneplus-nord-6-vs-oneplus-nord-5-price-and-specifications-comparison-in-bengali/feed/ 0
হঠাৎ করে কেন ফোনের ক্যামেরা ও মেমরি কমানোর পর 5G ফোনের দামে 4G স্মার্টফোন বেচা হচ্ছে? https://www.91mobiles.com/bengali/know-why-are-the-memory-and-camera-being-reduced-in-phones-and-4g-phones-available-at-the-price-of-5g-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/know-why-are-the-memory-and-camera-being-reduced-in-phones-and-4g-phones-available-at-the-price-of-5g-in-bengali/#respond Sun, 29 Mar 2026 07:11:40 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=75495 বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনের মূল্যবৃদ্ধির কারণ

The post হঠাৎ করে কেন ফোনের ক্যামেরা ও মেমরি কমানোর পর 5G ফোনের দামে 4G স্মার্টফোন বেচা হচ্ছে? first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
2018-19 সালে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে দুই বা তিন নয়, বরং চারটি ও পাঁচটি করে ক্যামেরা যোগ করা হত এবং তখন ফোনের ক্যামেরার মেগাপিক্সেল বলে মানুষের রীতিমতো গর্ব হত। এরপর 2020 সালের পর থেকে মোবাইল জগতে মেমরি ও RAM ওয়ার শুরু হয়ে যায়। বাজার থেকে 4GB RAM ভ্যানিশ হতে থাকে এবং 6GB ও 8GB RAM সহ স্মার্টফোন ক্রমশ সাধারণ হয়ে ওঠে। 2024-25 সাল আসতে আসতে 12 হাজার টাকার বাজেটে 8GB RAM ফোন লঞ্চ হতে শুরু করে এবং বড় ফোনে 16GB RAM ব্যাবহার করা হয়। অপরদিকে বেসিক 4G ফোনের দামে 5G স্মার্টফোন পেশ করা হতে থাকে।

তবে বর্তমানে পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে এবং জিনিসপত্রের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। দামী ফোনেও কোম্পানি ডুয়েল ক্যামেরা সেট‌আপ যোগ করা শুরু করেছে, 6GB RAM এর প্রাইসে আবারও 4GB এবং 128GB মেমরির বদলে 64GB স্টোরেজ সহ স্মার্টফোন লঞ্চ হতে শুরু করেছে। যে প্রাইস রেঞ্জে 5G ফোন পাওয়া যেত আবার সেই দামে 4G স্মার্টফোন পেশ করা হচ্ছে। এসব দেখে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক, এমন কি হল যে টেক জগতের আমূল পরিবর্তন ঘটে গেল? এই পোস্টে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হল।

প্রধান কারণ AI

গোটা বিশ্বে AI অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রত্যেকেই ধীরে ধীরে AI এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। আপাতত স্মার্টফোনে উপলব্ধ বেশিরভাগ AI সার্ভিস বিনামূল্যে ব্যাবহার করা গেলেও, অধিকাংশ সাধারণ মানুষ জানেন না এই AI সার্ভিসের কারণেই আজকের দিনে দাঁড়িয়ে স্মার্টফোনের দাম উর্ধ্বগামী।

গোটা বিশ্ব AI এর প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এর জন্য বড় বড় ডেটা সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে। এইসব ডেটা সেন্টারের জন্য প্রচুর পরিমাণে মেমরি আবশ্যক হয়, এক্ষেত্রে RAM এর প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। অপরদিকে AI ডেটা সেন্টারের জন্য স্টোরেজ মেমরির চাহিদাও এতটাই বেড়ে গেছে যে কোম্পানিগুলির জন্য সেই যোগান পূরণ করা মুশকিল হয়ে পড়ছে। AI এর জন্য মেমরি চিপের এই অপরিসীম চাহিদাই আজ মেমরি চিপের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। এই বিষয়ে একজন অনেক বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত ব্যাক্তি জানিয়েছেন, এই প্রথম ফোনের মেমরির এই বিপুল চাহিদা দেখা গেল। আগে যে মেমরি চিপ 6 বা 7 ডলারে পাওয়া যেত, এখন সেগুলির দাম 27 থেকে 30 ডলার হয়ে গেছে। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে দাম কি পরিমাণে বেড়েছে।

অপর এক ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের মতে আগে যখন ফোনের জন্য মেমরি চিপ অর্ডার দেওয়া হত, তখন দাম আগে থেকেই নির্ধারিত হত। অথচ এখন পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, মেমরি চিপের অর্ডার নিয়ে নেওয়া হয়, তবে কবে দেওয়া হবে এবং কি দামে দেওয়া হবে সেই বিষয়ে কিছুই জানানো হয় না। দাম কোন রেঞ্জে হতে পারে শুধুমাত্র সেই আভাসটুকু আগে দেওয়া হয়, তবু ডেলিভারির সময় দেখা যায় দাম যথেষ্ট বেশি। এই কারণেই ফোনের দাম দিন দিন বেড়ে চলেছে। এক‌ই কারণে আগে যে দামে বেশি RAM ও স্টোরেজ পাওয়া যেত, এখন তুলনামূলক কম RAM ও মেমরি নিয়ে সন্তুষ্ট হতে হচ্ছে।

কম ক্যামেরার রহস্য

মোবাইল ফোনের ক্যামেরা শুরু থেকেই অন্যতম আলোচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফিচার। তবে 2010-11 সালের পর থেকে এই সেগমেন্টে বুম দেখা যায়। ফোনে হাই রেজোলিউশন ক্যামেরা ব্যাবহার হতে থাকে। পিকচার ডিটেইলিং বাড়তে থাকে এবং নাইট ফটোগ্রাফি রেজাল্ট‌ও ক্রমশ সুন্দর হতে শুরু করে। তবুও সাধারণ মানুষের চাহিদার শেষ নেই! ফলে স্মার্টফোনে দুই বা ততোধিক ক্যামেরা সেন্সর দেওয়া হয়। প্রথমে LG Optimus 3D এবং এরপর HTC EVO 3D ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপ সহ বাজারে আসে। এরপর ফোনে ক্যামেরা সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং প্রথম স্যামসাং চারটি ক্যামেরা সহ Galaxy A9 স্মার্টফোন লঞ্চ করেছিল। এরপর বাজারে চারটি ক্যামেরা সহ ফোনের হিড়িক পড়ে যায়। ফোনের চারটি ক্যামেরা আলাদা আলাদা ফিচারের জন্য ব্যাবহার করা হত।

ফোনের মেইন ক্যামেরা সাধারণ ফটোগ্রাফি করে এবং দ্বিতীয় লেন্স ওয়াইড অ্যাঙ্গেল হিসাবে ব্যাবহৃত হয়। এছাড়া তৃতীয় লেন্স ডেপ্থ এফেক্টের জন্য এবং চতুর্থ লেন্স ম্যাক্রো অর্থাৎ অত্যন্ত কাছ থেকে ছবি তুলতে সক্ষম। এইসব ফিচার ক্যামেরার উপযোগিতা আরও বাড়িয়ে তুলতে শুরু করে এবং ইউজাররা ফোনের ক্যামেরায় তোলা ছবিকে DSLR এর সঙ্গে তুলনা করতে থাকে।

তবে এর কয়েক বছর পর বা বলা ভালো বর্তমানে ক্যামেরার সংখ্যা আবারও কমতে শুরু করেছে। এর পেছনে মূত দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত কোম্পানিগুলি কস্ট কাটিং করতে চায় এবং দ্বিতীয়ত আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ফোনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এতটা সক্ষম হয় গেছে যে ইন-বিল্ট হার্ডওয়্যার‌ই ক্যামেরার কিছু ফিচার সামলাতে সক্ষম। বর্তমানে অধিকাংশ ফোন থেকে ম্যাক্রো লেন্স সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কিছু ফোনের সফটওয়্যারের মাধ্যমে মেইন ক্যামেরাই ম্যাক্রো শট ক্যাপচার করতে পারে। আবার কিছু ফোনে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল এবং কিছু ফোনে ডেপ্থ সেন্সর বাদ দিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপ যোগ করা হচ্ছে। এর ফলে কোম্পানির যেমন উৎপাদন ব্যয় কমছে, আবার ফিচার সম্পর্কে ইউজারদের কোনো অভিযোগ‌ও থাকছে না। এইসব কারণেই ধীরে ধীরে ফোনের ক্যামেরা সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

5G এর জায়গায় 4G স্মার্টফোন

খেয়াল করলে দেখা যাবে গত বছর পর্যন্ত 9 হাজার টাকার ওপরের সমস্ত স্মার্টফোনে 5G ফিচার পাওয়া যেত। অথচ এই বছর 12 হাজার টাকা বাজেটেও 4G স্মার্টফোন লঞ্চ করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ কিছু দিন আগে এবার প্রশ্ন ওঠে এর কারণ কি? লঞ্চ হ‌ওয়া Realme P4 Lite ফোনটির কথা বলা যেতে পারে। প্রথমেই জানিয়ে রাখি শুধুমাত্র বড় ফোনের নয়, বরং ছোট ফোনের ক্ষেত্রেও মেমরি কস্ট বেড়েছে। বড় ফোনের দাম কিছুটা বাড়িয়ে সেটি তাও বাজারে আনা যায়, তবে ছোট ফোনের ক্ষেত্রে এভাবে দাম বাড়ানো যায় না। এই কারণে বিভিন্ন কোম্পানি ফোনের ফিচারের সঙ্গে আপস করতে শুরু করেছে। আর তাই 5G এর দামে 4G স্মার্টফোন লঞ্চ করা হচ্ছে।

উপরোক্ত এইসব কারণেই বর্তমানে ফোনে কম RAM, কম স্টোরেজ এবং 5G এর বদলে 4G কানেক্টিভিটি পাওয়া যাচ্ছে।

The post হঠাৎ করে কেন ফোনের ক্যামেরা ও মেমরি কমানোর পর 5G ফোনের দামে 4G স্মার্টফোন বেচা হচ্ছে? first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/know-why-are-the-memory-and-camera-being-reduced-in-phones-and-4g-phones-available-at-the-price-of-5g-in-bengali/feed/ 0
OnePlus 15R বনাম OnePlus 13R: জেনে নিন আগের চেয়ে কতটা শক্তিশালী এই নতুন স্মার্টফোন https://www.91mobiles.com/bengali/oneplus-15r-vs-oneplus-13r-phone-comparison-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/oneplus-15r-vs-oneplus-13r-phone-comparison-in-bengali/#respond Thu, 18 Dec 2025 17:18:22 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=71043 OnePlus 13R এবং OnePlus 15R ফোনের তুলনা

The post OnePlus 15R বনাম OnePlus 13R: জেনে নিন আগের চেয়ে কতটা শক্তিশালী এই নতুন স্মার্টফোন first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
ওয়ানপ্লাস 2025 সালের শুরুতে OnePlus 13R স্মার্টফোন লঞ্চ করেছিল। এবার OnePlus 15R ফোনটির মাধ্যমে এই বছরকে বিদায় জানানো হবে। OnePlus 13R ফোনের সাক্সেসার হিসাবে ভারতের বাজারে OnePlus 15R ফোনটি পেশ করা হয়েছে। এই নতুন ফোনটি ভারতের প্রথম Snapdragon 8 Gen 5 চিপসেট সহ স্মার্টফোন এবং কোম্পানির সবচেয়ে বড় ব্যাটারি সহ স্মার্টফোনের মুকুট জিতে নিয়েছে। তবে OnePlus 15R ফোনটি OnePlus 13R ফোনের চেয়ে কতটা শক্তিশালী? এই বিষয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

দামের তুলনা

OnePlus 15R OnePlus 13R
12GB RAM + 256GB Storage 47,999 টাকা 12GB RAM + 256GB Storage 42,999 টাকা
12GB RAM + 512GB Storage 52,999 টাকা 16GB RAM + 512GB Storage 49,999 টাকা

OnePlus 15R ফোনের দাম

ভারতে OnePlus 15R ফোনটি 12GB RAM সহ দুটি স্টোরেজ অপশনে পেশ করা হয়েছে। ফোনটির 256GB মেমরি সহ বেস মডেলের দাম 47,999 টাকা এবং 512GB স্টোরেজ সহ টপ মডেলের দাম 52,999 টাকা রাখা হয়েছে। ভারতে এই ফোনটি Charcoal Black, Mint Breeze এবং Electric Violet কালার অপশনে লঞ্চ করা হয়েছে।

OnePlus 13R ফোনের দাম

ভারতে OnePlus 13R ফোনটি দুটি ভেরিয়েন্টে সেল করা হয়। ফোনটির 12GB RAM + 256GB মেমরি ভেরিয়েন্ট 42,999 টাকা এবং 16GB RAM + 512GB স্টোরেজ মডেল 49,999 টাকা দামে লঞ্চ করা হয়েছিল। বর্তমানে এই দুটি মডেল যথাক্রমে 41,999 টাকা এবং 46,999 টাকা দামে সেল করা হচ্ছে। ভারতে এই ফোনটি Nebula Noir এবং Astral Trail কালার অপশনে সেল করা হয়।

স্পেসিফিকেশনের তুলনা

স্পেসিফিকেশন OnePlus 15R OnePlus 13R
ডিসপ্লে 6.83″ 1.5K 165Hz AMOLED 6.78″ FHD+ 120Hz AMOLED
প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 8 Gen 5 Qualcomm Snapdragon 8 Gen 3
RAM 12GB LPDDR5X Ultra RAM 16GB LPDDR5X RAM
স্টোরেজ 512GB UFS 4.1 Storage 512GB UFS 4.0 Storage
রেয়ার ক্যামেরা 50MP IMX906 + 8MP Ultrawide 50MP LYT700 + 50MP Telephoto + 8MP Ultrawide
ফ্রন্ট ক্যামেরা 32MP Selfie Camera 16MP Selfie Camera
ব্যাটারি 7,400mAh Battery 6,000mAh Battery
চার্জিং 80W SUPERVOOC 80W SUPERVOOC
ডিউরেবিলিটি IP66+IP68+IP69+IP69K IP65
5G Bands 13 5G Bands 9 5G Bands

ডিসপ্লে

OnePlus 15R ফোনে 19.8:9 আসপেক্ট রেশিও এবং 2800 × 1272 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.83-ইঞ্চির 1.5K ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। LTPS AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এই স্ক্রিন 165Hz অ্যাডপ্টিভ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। এতে TÜV Rheinland ইন্টেলিজেন্ট আই কেয়ার 5.0 সার্টিফিকেশন যোগ করা হয়েছে। এই স্ক্রিনে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং Gorilla Glass 7i প্রোটেকশন রয়েছে।

OnePlus 13R ফোনে 19.8:9 আসপেক্ট রেশিও এবং 2780 x 1264 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.78 ইঞ্চির ফুল এইচডি+ ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এই LTPO 4.1 স্ক্রিন AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এবং 120Hz ফ্লেক্সিবল রিফ্রেশ রেট এবং 4500nits ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এই স্ক্রিনে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং Gorilla Glass GG7i প্রোটেকশন যোগ করা হয়েছে।

পারফরমেন্স

OnePlus 15R 5G ফোনটি Android 15 বেসড OxygenOS 16.0 অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। প্রসেসিঙের জন্য এতে Qualcomm Snapdragon 8 Gen 5 অক্টাকোর প্রসেসর রয়েছে। জানিয়ে রাখি এটি ভারতের প্রথম এই প্রসেসর সহ স্মার্টফোন। 3nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি এই চিপসেট 3.32GHz থেকে 3.8GHz পর্যন্ত ক্লক স্পীডে রান করতে সক্ষম। সুন্দর গ্ৰাফিক্সের জন্য এই ফোনে Adreno 8 সিরিজের GPU দেওয়া হয়েছে।

OnePlus 13R 5G ফোনটিও Android 15 বেসড OxygenOS 15.0 অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। এই ফোনে প্রসেসিঙের জন্য 4nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি Qualcomm Snapdragon 8 Gen 3 প্রসেসর যোগ করা হয়েছে। এই অক্টাকোর প্রসেসর 2.27GHz থেকে 3.3GHz পর্যন্ত ক্লক স্পীডে রান করতে পারে। ভালো গ্ৰাফিক্সের জন্য এই ফোনে Adreno 750 GPU রয়েছে।

এই ফোনদুটি রিয়েল লাইফ ব্যাবহারের ক্ষেত্রে কেমন পারফর্ম করে তা জানার জন্য আমাদের টীম উভয় ফোনে কিছু টেস্ট এবং বেঞ্চমার্ক অ্যাপ রান করেছে। নিচে এইসব টেস্টের রেজাল্ট শেয়ার করা হল।

টেস্ট স্কোর OnePlus 15R OnePlus 13R
আনটুটু স্কোর 29,57,229 17,09,077
গীকবেঞ্চ মাল্টি-কোর 9,363 6,572
গীকবেঞ্চ সিঙ্গেল-কোর 2,851 2,210
বার্ন‌আউট বেঞ্চমার্ক 53.5% 67.8%
পিসিমার্ক পারফরমেন্স স্কোর 14,583 15,317

 

স্টোরেজ

OnePlus 15R 5G ফোনে 12GB RAM দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে এই ফোনে LPDDR5X Ultra RAM টেকনোলজি যোগ করা হয়েছে, যা ফাস্ট এবং ল্যাগ ফ্রি মাল্টি টাস্কিং সামলাতে সক্ষম। ভারতে এই ফোনটি 256GB এবং 512GB স্টোরেজ অপশনে সেল করা হয়। উভয় মডেলে UFS 4.1 Storage টেকনোলজি রয়েছে, ফলে ফাস্ট ডেটা ট্রান্সফার করা যায়।

ভারতে OnePlus 13R 5G ফোনটির 12GB RAM এবং 16GB RAM মডেল সেল করা হয়। ফোনটির 12GB RAM মডেলে 256GB স্টোরেজ দেওয়া হয়েছে এবং 16GB RAM ভেরিয়েন্টে 512GB মেমরি যোগ করা হয়েছে। এই ফোনে LPDDR5X RAM এবং UFS 4.0 Storage টেকনোলজি রয়েছে।

ব্যাটারি

ভারতের বাজারে OnePlus 15R 5G ফোনটি কোম্পানির সবচেয়ে বড় ব্যাটারি সহ স্মার্টফোন। পাওয়ার ব্যাক‌আপের জন্য এই ফোনে 7400mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 18 ঘন্টা, 13 মিনিট PCMark Battery টেস্ট স্কোর পেয়েছে। ফোনটির ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে 80W SUPERVOOC ফাস্ট চার্জিং ফিচার যোগ করা হয়েছে। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 20% থেকে 100% পর্যন্ত চার্জ হতে 49 মিনিট সময় লেগেছে।

OnePlus 13R 5G ফোনে পাওয়ার ব্যাক‌আপের জন্য 6,000mAh ব্যাটারি রয়েছে। এই ফোনটি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে 80W ফাস্ট চার্জিং ফিচার দেওয়া হয়েছে। আমাদের টেস্টিঙে এই ফোনটি 20% থেকে 100% পর্যন্ত চার্জ হতে 47 মিনিট সময় লেগেছে। এছাড়া এই ফোনটির PCMark battery স্কোর ছিল 14 ঘন্টা, 42 মিনিট।

ব্যাটারি ক্যাপাসিটি এবং বেঞ্চমার্ক টেস্ট ছাড়া রিয়েল লাইফ ব্যাবহারের ক্ষেত্রে এই দুটি ফোনের ব্যাটারি কেমন রেজাল্ট দেয় তা দেখার জন্য আমরা দুটি ফোনে আধ ঘন্টা করে গেম খেলে দেখেছি। এর ফলাফল নিচে দেওয়া হল।

ব্যাটারি ড্রপ(30 मिनट गेमिंग) OnePlus 15R OnePlus 13R
BGMI 6% 5.3%
COD:Mobile 7% 5%
Real Racing 3 6% 5%

 

ক্যামেরা

ফটোগ্রাফির জন্য OnePlus 15R 5G ফোনটিতে DetailMax engine দেওয়া হয়েছে। এই ফোনের রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপে LED ফ্ল্যাশ সহ f/1.8 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP Sony IMX906 OIS সেন্সর এবং 112° FoV ও f/2.2 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 8MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স যোগ করা হয়েছে। সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এতে f/2.0 অ্যাপার্চারযুক্ত 32MP ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।

OnePlus 13R 5G ফোনে ফটোগ্রাফির জন্য ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপ দেওয়া হয়েছে। এই সেট‌আপে LED ফ্ল্যাশ সহ f/1.8 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 50MP LYT700 OIS প্রাইমারি সেন্সর, f/2.0 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP টেলিফটো লেন্স এবং 8MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স যোগ করা হয়েছে। এক‌ইভাবে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এতে f/2.4 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 16MP ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।

The post OnePlus 15R বনাম OnePlus 13R: জেনে নিন আগের চেয়ে কতটা শক্তিশালী এই নতুন স্মার্টফোন first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/oneplus-15r-vs-oneplus-13r-phone-comparison-in-bengali/feed/ 0
Moto G67 Power বনাম Tecno Pova Curve: 15 হাজার টাকার রেঞ্জে কোন ফোনটি বেস্ট? https://www.91mobiles.com/bengali/phone-comparison-in-mid-range-moto-g67-power-vs-tecno-pova-curve-know-details-in-bengal/ https://www.91mobiles.com/bengali/phone-comparison-in-mid-range-moto-g67-power-vs-tecno-pova-curve-know-details-in-bengal/#respond Sat, 15 Nov 2025 02:30:13 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=69660 Moto G67 Power এবং Tecno Pova Curve ফোনের তুলনা

The post Moto G67 Power বনাম Tecno Pova Curve: 15 হাজার টাকার রেঞ্জে কোন ফোনটি বেস্ট? first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
যারা 15 হাজার টাকা থেকে 16 হাজার টাকার রেঞ্জে নতুন স্মার্টফোন কেনার কথা ভাবছেন তাদের জন্য সম্প্রতি ভারতের বাজারে Moto G67 Power স্মার্টফোন লঞ্চ করা হয়েছে। বড় ব্যাটারি সহ এই ফোনটিতে 8GB RAM এবং 50MP ক্যামেরা রয়েছে। বাজারে উপস্থিত Tecno Pova Curve ফোনটির সঙ্গে এই ফোনটির প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে। এই ফোনটির দাম‌ও এই রেঞ্জেই এবং এতে কার্ভড স্ক্রিন পাওয়া যায়। Moto G67 Power এবং Tecno Pova Curve ফোনদুটির মধ্যে কোন ফোনটি বেশি ভালো এবং কোন ফোনটি কেনা উচিৎ সেই বিষয়ে সহজে বোঝার জন্য নিচে ফোনগুলির তুলনা করে দেখানো হল।

স্পেসিফিকেশনের তুলনা

স্পেসিফিকেশন Moto G67 Power Tecno Pova Curve
ডিসপ্লে 6.7″ FHD+ 120Hz LCD 6.78” FHD+ 144Hz Curve AMOLED
প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 7s Gen 2 MediaTek Dimensity 7300 Ultimate
RAM 8GB LPDDR4x RAM 8GB LPDDR5 RAM
স্টোরেজ 128GB Storage 128GB Storage
রেয়ার ক্যামেরা 50MP LYT600 + 8MP Ultra-Wide 64MP IMX682 + AI
ফ্রন্ট ক্যামেরা 32MP Selfie 13MP Selfie
ব্যাটারি 7,000mAh Battery 5,500mAh Battery
চার্জিং 30W Charging 45W Charging

ডিসপ্লে

Moto G67 Power ফোনে 2400 x 1080 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.7-ইঞ্চির ফুল এইচডি+ ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। LCD প্যানেল দিয়ে তৈরি এই পাঞ্চ হোল স্ক্রিন 120Hz রিফ্রেশ রেট এবং 391ppi পিক্সেল ডেনসিটি সাপোর্ট করে। এই স্ক্রিনের সুরক্ষার জন্য এতে কর্নিং Gorilla Glass 7i এর লেয়ার যোগ করা হয়েছে। এর সঙ্গে এতে অ্যান্টি ফিঙ্গারপ্রিন্ট কোটিং এবং অ্যাকোয়া টাচ ফিচার রয়েছে।

Tecno Pova Curve ফোনে 6.78-ইঞ্চির ফুল এইচডি+ কার্ভড এমোলেড ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এই স্ক্রিন 144Hz রিফ্রেশ রেট, 393ppi পিক্সেল ডেনসিটি এবং 1300nits ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এই স্লিম কার্ভড ফোনটির থিকনেস মাত্র 7.45mm এবং এই ফোনের স্ক্রিনেও সুরক্ষার জন্য গ্লাস লেয়ার যোগ করা হয়েছে।

পারফরমেন্স

Moto G67 Power ফোনটি Android 15 অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে এবং প্রসেসিঙের জন্য এতে Qualcomm Snapdragon 7s Gen 2 প্রসেসর রয়েছে। 4nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি এই অক্টাকোর প্রসেসর 2.4GHz ক্লক স্পীডে রান করতে সক্ষম। এর সঙ্গে গ্ৰাফিক্সের জন্য এই ফোনে Adreno GPU দেওয়া হয়েছে।

Tecno Pova Curve ফোনটি Android 15 বেসড HiOS 15 অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। প্রসেসিঙের জন্য এই ফোনে MediaTek Dimensity 7300 Ultimate চিপসেট যোগ করা হয়েছে। 4nm আর্কিটেকচারে তৈরি এই চিপসেট 2.5GHz ক্লক স্পীডে রান করে। এই ফোনে সুন্দর গ্ৰাফিক্সের জন্য Mali-G615 GPU রয়েছে।

বেঞ্চমার্ক টেস্ট Moto G67 Power Tecno Pova Curve
আনটুটু 851360 684142
সিঙ্গেল-কোর গীকবেঞ্চ 1023 1010
মাল্টি-কোর গীকবেঞ্চ 2991 3152
পিসিমার্ক বেঞ্চমার্ক 3762 4910
জিএফ‌এক্স বেঞ্চ ম্যানহ্যাটন 14662 13499

স্টোরেজ

Moto G67 Power ফোনে 8GB RAM দেওয়া হয়েছে। এই ফোনে 8GB Physical RAM এর সঙ্গে 16GB Virtual RAM যোগ করে মোট 24GB পর্যন্ত RAM এর পারফরমেন্স উপভোগ করা যায়। অপরদিকে Tecno Pova Curve ফোনটিতে 8GB Physical RAM এবং 8GB Virtual RAM এর দৌলতে 16GB RAM এর পারফরমেন্স পাওয়া যায়। মোটোরোলা ফোনটিতে LPDDR4x RAM এবং টেকনো ফোনটিতে LPDDR5 RAM টেকনোলজি যোগ করা হয়েছে। অর্থাৎ RAM এর দিক থেকে টেকনো ফোনটি বেশি স্মুথ মাল্টি টাস্কিং সামলাতে সক্ষম।

ক্যামেরা

ফটোগ্রাফির জন্য Moto G67 Power 5G ফোনের ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপে f/1.8 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP Sony LYT600 প্রাইমারি সেন্সর, 8MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং একটি ফ্লিকার সেন্সর রয়েছে। এক‌ইভাবে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এতে f/2.2 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 32MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

Tecno Pova Curve ফোনে ফটোগ্রাফির জন্য ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপ যোগ করা হয়েছে। এই সেট‌আপে 64MP Sony IMX682 প্রাইমারি সেন্সরের সঙ্গে সেকেন্ডারি AI লেন্স রয়েছে। এর সঙ্গে এই ফোনটির ফ্রন্ট প্যানেলে 13MP সেলফি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাটারি

পাওয়ার ব্যাক‌আপের জন্য Moto G67 Power 5G ফোনে 7000mAh Silicon Carbon battery যোগ করা হয়েছে। কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী এই ফোনটি সিঙ্গেল চার্জে 58 ঘন্টা ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। এই ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে 30W ফাস্ট চার্জিং ফিচার রয়েছে। অপরদিকে Tecno Pova Curve ফোনে 5500mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই ফোনটির ব্যাটারি 45W ফাস্ট চার্জিং ফিচার সাপোর্ট করে। ফোনদুটির ব্যাটারি এবং চার্জিং স্পীড চেক করার জন্য ফোনদুটিতে বেশ কিছু টেস্ট রান করেছি। এইসব টেস্টের রেজাল্ট নিচে শেয়ার করা হল।

ব্যাটারি – চার্জিং টেস্ট Moto G67 Power Tecno Pova Curve
ব্যাটারি ক্যাপাসিটি 7,000mAh 5,500mAh
ইউটিউব ব্যাটারি ড্রপ 3% (30 মিনিট) 3% (30 মিনিট)
ফাস্ট চার্জিং 30W 45W
চার্জিং টাইম 78 মিনিট (20%-100%) 55 মিনিট (20%-100%)

অন্যান্য ফিচার

Moto G67 Power 5G ফোনে MIL-STD-810H মিলিটারি গ্ৰেড সার্টিফিকেশন দেওয়া হয়েছে, ফলে এতে যথেষ্ট মজবুত বডি পাওয়া যায়। এর সঙ্গে এতে IP64 রেটিং যোগ করা হয়েছে। এটি জলের ছিটা থেকে সুরক্ষিত রাখলেও, খুব বেশি কার্যকর নয়। এই ফোনে Google Gemini সাপোর্ট রয়েছে। এছাড়াও এতে 3.5mm অডিও জ্যাক, Bluetooth 5.1 এবং 5GHz Wi-Fi ফিচার যোগ করা হয়েছে।

Tecno Pova Curve ফোনে ইন্টেলিজেন্ট সিগন্যাল হাব সিস্টেম রয়েছে, এর সাহায্যে দুর্বল নেটওয়ার্ক পরিস্থিতিতেও সুন্দর সিগন্যাল রিসেপশন পাওয়া যায়। এতে VoWiFi Dual Pass এবং No Network Communication সাপোর্ট রয়েছে। এই ফোনে IP64 রেটিং, ইনফ্রারেড রিমোট কন্ট্রোলের মতো ফিচার যোগ করা হয়েছে।

দাম এবং প্রতিদ্বন্দ্বী

ভারতে Moto G67 Power ফোনটি সিঙ্গেল ভেরিয়েন্টে লঞ্চ করা হয়েছে। এই ফোনে 8GB RAM এবং 128GB স্টোরেজ যোগ করা হয়েছে। এই ফোনটির দাম রাখা হয়েছে মাত্র 15,999 টাকা। এই ফোনটি Pantone কিউরেটেড Cilantro, Curacao Blue এবং Parachute কালার অপশনে পেশ করা হয়েছে।

Tecno Pova Curve ফোনটি ভারতে 6GB এবং 8GB RAM অপশনে লঞ্চ করা হয়েছে। ফোনটির 6GB+128GB মডেলের দাম 15,999 টাকা এবং 8GB+128GB মডেলের দাম 16,999 টাকা রাখা হয়েছে। এই ফোনটি Magic Silver, Neon Cyan এবং Geek Black কালার অপশনে সেল করা হয়।

কোন ফোনটি কেনা উচিৎ?

পারফরমেন্সের দিক থেকে Moto G67 Power ফোনটি Tecno Pova Curve ফোনটির চেয়ে বেশি শক্তিশালী। মোটোরোলা ফোনটির চিপসেট টেকনো ফোনটির প্রসেসরের চেয়ে বেশি ফাস্ট এবং ভালো গেমিং রেজাল্ট দিতে সক্ষম। মোটোরোলা ফোনটির 8GB RAM ভেরিয়েন্ট টেকনো ফোনটির চেয়ে 1,000 টাকা সস্তা।

যারা বড় ব্যাটারি সহ একটি নতুন স্মার্টফোন খুঁজছেন তাদের জন্য Moto G67 Power ফোনটি দারুণ অপশন। বড় ব্যাটারির পাশাপাশি এই ফোনটির ক্যামেরা সেট‌আপ‌ও বেশ উল্লেখযোগ্য। ফোনটির ব্যাক প্যানেলে সোনী রেয়ার ক্যামেরা এবং 32MP সেলফি ক্যামেরা অসাধারণ রেজাল্ট দিতে সক্ষম।

যেসব গ্ৰাহকরা আকর্ষণীয় লুকের একটি স্মার্টফোন কেনার কথা ভাবছেন তাদের জন্য Tecno Pova Curve ফোনটি বেশি ভালো অপশন। ফোনটির কার্ভড স্ক্রিন এবং স্লিম বডি এটিকে স্টাইলিশ করে তোলে। ইউজাররা তাদের পছন্দ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এর মধ্যে যে কোনো একটি স্মার্টফোন কিনতে পারেন।

The post Moto G67 Power বনাম Tecno Pova Curve: 15 হাজার টাকার রেঞ্জে কোন ফোনটি বেস্ট? first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/phone-comparison-in-mid-range-moto-g67-power-vs-tecno-pova-curve-know-details-in-bengal/feed/ 0
7000mAh ব্যাটারি সহ realme 15T নাকি 7300mAh ব্যাটারি সহ Vivo T4? দেখে নিন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে কোন স্মার্টফোন https://www.91mobiles.com/bengali/7000mah-battery-phone-realme-15t-vs-7300mah-battery-mobile-vivo-t4-5g-phone-comparison-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/7000mah-battery-phone-realme-15t-vs-7300mah-battery-mobile-vivo-t4-5g-phone-comparison-in-bengali/#respond Thu, 11 Sep 2025 08:43:11 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=67411 realme 15T 5G এবং Vivo T4 5G ফোনের তুলনা

The post 7000mAh ব্যাটারি সহ realme 15T নাকি 7300mAh ব্যাটারি সহ Vivo T4? দেখে নিন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে কোন স্মার্টফোন first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
মিড বাজেট ইউজারদের জন্য কিছু দিন আগেই ভারতের বাজারে realme 15T 5G স্মার্টফোন লঞ্চ করা হয়েছে। 7,000mAh ব্যাটারি সহ এই ফোনটি 20,999 টাকা প্রাথমিক দামে পেশ করা হয়েছে। এই প্রাইস রেঞ্জে মার্কেটে রয়েছে 7,300mAh battery সহ Vivo T4 5G স্মার্টফোন এবং এই ফোনটির প্রাথমিক দাম 21,999 টাকা। এই পরিস্থিতিতে ইউজারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে কোন ফোনটি বেশি ভালো এবং কেনা উচিৎ। এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য আমরা realme 15T 5G এবং Vivo T4 5G ফোনের স্পেসিফিকেশন তুলনা করে দেখেছি। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হল।

দামের তুলনা

দাম realme 15T Vivo T4
8GB RAM + 128GB Storage ₹20,999 ₹21,999
8GB RAM + 256GB Storage ₹22,999 ₹25,999
12GB RAM + 256GB Storage ₹24,999

 

ভারতের বাজারে realme 15T 5G ফোনটি 8GB এবং 12GB RAM অপশনে পেশ করা হয়েছে। অপরদিকে Vivo T4 5G ফোনটি শুধুমাত্র 8GB RAM অপশনে সেল করা হয়। 8GB RAM ও 128GB স্টোরেজ সহ উভয় ফোনের প্রাথমিক দাম যথাক্রমে 20,999 টাকা এবং 21,999 টাকা। এক‌ইভাবে 8GB RAM+256GB স্টোরেজ সহ রিয়েলমি ফোনটির দাম 22,999 টাকা এবং ভিভো ফোনটির দাম 25,999 টাকা।

হিসাব করে দেখা যাচ্ছে 8GB RAM সহ 256GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টের ক্ষেত্রে Vivo T4 5G ফোনের দাম realme 15T 5G ফোনটির তুলনায় অনেকটাই বেশি। সবচেয়ে বড় কথা ভিভো ফোনটির টপ মডেলের চেয়ে কম দামে 24,999 টাকার বিনিময়ে রিয়েলমি ফোনটির 12GB RAM ভেরিয়েন্ট পাওয়া যাবে।

স্পেসিফিকেশনের তুলনা

স্পেসিফিকেশন realme 15T 5G Vivo T4 5G
ডিসপ্লে 6.57″ FHD+ 120Hz AMOLED 6.77″ FHD+ 120Hz AMOLED
প্রসেসর MediaTek Dimensity 6400 Max Qualcomm Snapdragon 7s Gen 3
RAM 12GB LPDDR4X RAM 12GB LPDDR4X RAM
স্টোরেজ 256GB UFS 2.2 Storage 256GB UFS 2.2 Storage
রেয়ার ক্যামেরা 50MP + AI 50MP + 2MP
ফ্রন্ট ক্যামেরা 50MP Selfie 32MP Selfie
ব্যাটারি 7,000mAh Battery 7,300mAh Battery
চার্জিং 60W SUPERVOOC 90W FlashCharge

 

ডিসপ্লে

realme 15T 5G ফোনটিতে 1080 x 2372 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.57-ইঞ্চির ফুল এইচডি+ ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এই ফ্ল্যাট স্ক্রিন 120Hz রিফ্রেশ রেট এবং 4000nits পীক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। অপরদিকে Vivo T4 5G ফোনে 2392 × 1080 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.77-ইঞ্চির ফুল এইচডি+ AMOLED স্ক্রিন রয়েছে। এই স্ক্রিন 120Hz রিফ্রেশ রেট এবং 5000nits পীক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে।

relame 15T এবং Vivo T4 উভয় ফোনে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যোগ করা হয়েছে। relame ফোনটির স্ক্রিন কম্প্যাক্ট হলেও Vivo ফোনটির বড় স্ক্রিনে কন্টেন্ট বেশি উপভোগ্য হয়ে ওঠে। উভয় ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট এক, তবে Vivo T4 ফোনে বেশি ব্রাইটনেস পাওয়া যায়। ফলে রোদ বা জোরালো আলোয় ফোনটি ব্যাবহার করতে কোনো সমস্যা হবে না।

প্রসেসর

realme 15T 5G ফোনটি ভারতের প্রথম মিডিয়াটেক ডায়মেনসিটি 6400 ম্যাক্স চিপসেট সহ স্মার্টফোন। 6nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি এই অক্টাকোর প্রসেসর 2.4GHz ক্লক স্পীডে রান করতে সক্ষম। অপরদিকে Vivo T4 5G ফোনে 4nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি এবং 2.5GHz ক্লক স্পীডযুক্ত কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 7এস জেন 3 অক্টাকোর প্রসেসর দেওয়া হয়েছে।

দুটি ফোনের মধ্যে Vivo T4 5G ফোনের প্রসেসর realme 15T 5G ফোনের প্রসেসরের তুলনায় বেশি ফাস্ট। ফোনদুটির প্রসেসরের পারফরমেন্স টেস্ট করার জন্য আমরা বেশ কিছু বেঞ্চমার্ক টেস্ট করেছি। এইসব টেস্টের ফলাফল নিচে দেওয়া হল।

বেঞ্চমার্ক টেস্ট realme 15T Vivo T4
আনটুটু বেঞ্চমার্ক 4,48,625 7,97,572
পিসিমার্ক পারফরমেন্স 10,944 10,797
গীকবেঞ্চ সিঙ্গেল-কোর 799 1174
গীকবেঞ্চ মাল্টি-কোর 2049 3334
বার্ন‌আউট টেস্ট 63.1% 69.2%

 

ক্যামেরা

ফটোগ্রাফির জন্য realme 15T 5G ফোনে ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপ যোগ করা হয়েছে। এই সেট‌আপে এফ/1.8 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP প্রাইমারি OIS সেন্সর এবং 2MP সেকেন্ডারি সেন্সর রয়েছে। এক‌ইভাবে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এতে এফ/2.4 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

Vivo T4 5G ফোনেও ফটোগ্রাফির জন্য ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেট‌আপ যোগ করা হয়েছে। এই সেট‌আপে LED ফ্ল্যাশ সহ 50MP প্রাইমারি সেন্সর এবং 2MP সেকেন্ডারি সেন্সর রয়েছে। এছাড়া সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এই ফোনে 32MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাটারি

পাওয়ার ব্যাক‌আপের জন্য realme 15T 5G ফোনে 7,000mAh ব্যাটারি এবং Vivo T4 5G ফোনে 7,300mAh ব্যাটারি যোগ করা হয়েছে। ফোনদুটির ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য রিয়েলমি ফোনে 60W ফাস্ট চার্জিং ফিচার এবং ভিভো ফোনে 90W ফাস্ট চার্জিং ফিচার রয়েছে। এছাড়াও realme 15T 5G ফোনটি 10W রিভার্স চার্জিং সাপোর্ট করে।

উভয় ফোনের ব্যাটারি পারফরমেন্স চেক করার জন্য আমাদের টীম ফোনদুটিতে ব্যাটারি বেঞ্চমার্ক টেস্ট এবং চার্জিং স্পীড টেস্ট করেছে। এছাড়াও উভয় ফোনে আধ ঘন্টা পর্যন্ত ইউটিউব ভিডিও স্ট্রিমিং করে দেখা হয়েছে কোন ফোনের ব্যাটারি কতটা ড্রপ হয়। নিচে এইসব টেস্টের রেজাল্ট জানানো হল।

ব্যাটারি – চার্জিং টেস্ট realme 15T Vivo T4
পিসিমার্ক ব্যাটারি বেঞ্চমার্ক 17 ঘন্টা, 30 মিনিট 18 ঘন্টা, 1 মিনিট
চার্জিং টাইম (20%-100%) 64 মিনিট  45 মিনিট
ইউটিউব ব্যাটারি ড্রপ (30 মিনিট) 1% 3%

 

অপারেটিং সিস্টেম

realme 15T 5G এবং Vivo T4 5G উভয় স্মার্টফোন অ্যান্ড্রয়েড 15 অপারেটিং সিস্টেম সহ লঞ্চ করা হয়েছে। এর মধ্যে রিয়েলমি ফোনটি realme UI 6.0 এবং ভিভো ফোনটি Funtouch OS 15 কাস্টম স্কিনে রান করে। realme 15T 5G ফোনে 3 জেনারেশন ওএস আপগ্রেড এবং 4 বছর সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে। অপরদিকে Vivo T4 5G ফোনে 50 মাস পর্যন্ত স্মুথ পারফরমেন্সের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

কোন ফোনটি এগিয়ে?

স্ক্রিনের ‍ক্ষেত্রে দুটি ফোনের টার্গেট অডিয়েন্স আলাদা। ছোট কম্প্যাক্ট স্মার্টফোন ইউজারদের জন্য realme 15T 5G এবং বড় স্ক্রিনে যারা কন্টেন্ট দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য Vivo T4 5G ফোনটি সেরা। ফোনদুটির ক্যামেরা পারফরমেন্স প্রায় একই রকম। AI ফিচার এবং ফিল্টার সহ উভয় ফোনে সুন্দর ফটোগ্রাফি এক্সপেরিয়েন্স পাওয়া যাবে।

পারফরমেন্সের দিক থেকে Vivo T4 5G ফোনটি realme 15T 5G ফোনের চেয়ে এগিয়ে। ভিভো ফোনটির প্রসেসর রিয়েলমি ফোনটির চেয়ে বেশি ফাস্ট এবং ভালোভাবে কাজ করতে সক্ষম। এক‌ইভাবে ব্যাটারি এবং চার্জিঙের ক্ষেত্রেও Vivo T4 5G ফোনটি realme 15T 5G ফোনটির চেয়ে বেশি শক্তিশালী। ব্যাটারি ক্যাপাসিটির ক্ষেত্রে খুব বেশি পার্থক্য না থাকলেও ভিভো ফোনটির চার্জিং টেকনোলজি এই ফোনটিকে এই সেগমেন্টে জিতিয়ে দিয়েছে।

সব দিক বিচার করে বলা যায়, যাদের কম্প্যাক্ট স্মার্টফোন পছন্দ তাদের জন্য realme 15T 5G এবং যাদের বড় স্ক্রিন প্রয়োজন তাদের জন্য Vivo T4 5G ফোনটি ভালো। ওভার‌অল পারফরমেন্সের ক্ষেত্রে দুটি ফোন‌ই সাধারণ। এর মধ্যে কোনো ফোনের থেকেই হেভি প্রসেসিং আশা করা উচিৎ হবে না। উভয় ফোনের ব্যাটারি দারুণ ব্যাক‌আপ দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর ইউজাররা স্মার্টফোনের লুক, ডিজাইন এবং তাদের ব্র্যান্ড প্রেফারেন্স অনুযায়ী এর মধ্যে যে কোনো একটি ফোন কিনতে পারেন।

The post 7000mAh ব্যাটারি সহ realme 15T নাকি 7300mAh ব্যাটারি সহ Vivo T4? দেখে নিন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে কোন স্মার্টফোন first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/7000mah-battery-phone-realme-15t-vs-7300mah-battery-mobile-vivo-t4-5g-phone-comparison-in-bengali/feed/ 0
OnePlus 13s নাকি OnePlus 13R? দেখে নিন কোন ফোনটি বেশি শক্তিশালী https://www.91mobiles.com/bengali/know-the-difference-between-oneplus-13s-vs-oneplus-13r-price-specifications-design-performance-battery-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/know-the-difference-between-oneplus-13s-vs-oneplus-13r-price-specifications-design-performance-battery-in-bengali/#respond Sun, 08 Jun 2025 07:32:16 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=64757 OnePlus 13s এবং 13R ফোনের তুলনা

The post OnePlus 13s নাকি OnePlus 13R? দেখে নিন কোন ফোনটি বেশি শক্তিশালী first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
OnePlus 13 সিরিজের অধীনে সম্প্রতি কোম্পানির পক্ষ থেকে OnePlus 13s স্মার্টফোন লঞ্চ করা হয়েছে। এই ফোনটির দাম OnePlus 13 ফোনের চেয়ে কম এবং OnePlus 13R ফোনের চেয়ে বেশি রাখা হয়েছে। যে দামে OnePlus 13R ফোনের 16GB RAM ভেরিয়েন্ট পাওয়া যায়, সেই দামেই OnePlus 13s ফোনের 12GB RAM মডেল কেনা যাবে। তাই প্রশ্ন উঠছে OnePlus এর 13s এবং 13R ফোনদুটির মধ্যে কি তফাৎ রয়েছে? পারফরমেন্সের দিক থেকে কোন ফোনটি শক্তিশালী? এইসব প্রশ্নের উত্তর জানার জন্যই আমরা ফোনদুটির দাম ও স্পেসিফিকেশনের পাশাপাশি প্রসেসর ও ব্যাটারি পারফরমেন্সের তুলনা করেছি। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হল।

দামের তুলনা

OnePlus 13s ফোনের দাম

OnePlus 13s ফোনটি ভারতে 12GB RAM সহ দুটি স্টোরেজ অপশনে লঞ্চ করা হয়েছে। ফোনটির 256GB স্টোরেজ মডেলের দাম 54,999 টাকা এবং 512GB মেমরি ভেরিয়েন্টের দাম 59,999 টাকা রাখা হয়েছে। এই ফোনটি Green Silk, Black Velvet এবং Pink Satin কালার অপশনে সেল করা হবে।

OnePlus 13R ফোনের দাম

ভারতে OnePlus 13R ফোনটি দুরি ভেরিয়েন্টে সেল করা হয়। এই ফোনের 12GB RAM মডেল 42,999 টাকা এবং 16GB RAM মডেল 49,999 টাকা দামে লঞ্চ করা হয়েছিল। এই ফোনটি ভারতে Nebula Noir এবং Astral Trail কালার অপশনে পেশ করা হয়েছে।

 

ডিজাইনের তুলনা

Oneplus 13s ফোনে মাত্র 1.34mm চওড়া আলট্রা থিন সাইড বেজল দেওয়া হয়েছে। এই ফোনটির থিকনেস মাত্র 71.7mm। ফোনটির বাঁদিকের প্যানেলে কাস্টোমাইজেবল Plus Key রয়েছে, এর সাহায্যে অ্যালার্ট স্লাইডারের পাশাপাশি বিভিন্ন ফিচার কুইক অ্যাক্সেস করা যাবে। এছাড়াও এই বাটন প্রেস করে ফোনের OnePlus AI ফিচার ব্যাবহার করা যাবে এবং টাস্ক কম্যান্ড দেওয়া যাবে।

Oneplus 13s ফোনের ছবি:

Oneplus 13R ফোনটি গ্লাস ম্যাটেরিয়াল এবং এটির ফ্রেম অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি। ফোনটির রেয়ার ক্যামেরা মডিউল রিং স্টাইলের। ফোনটির ডানদিকের প্যানেলে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম রকার দেওয়া হয়েছে। এই ফোনের বাঁদিকের প্যানেলে অ্যালার্ট স্লাইডার রয়েছে, যা রিং ও সাইলেন্ট মোড সুইচ করার কাজ করে। এই ফোনের ডায়মেনশন 161.7mm x 75.8mm x 8mm এবং এটির ওজন 206 গ্রাম। ফোনটির ব্যাক প্যানেলে গোরিলা গ্লাস GG7i প্রোটেকশন রয়েছে।

Oneplus 13R ফোনের ছবি:

স্পেসিফিকেশনের তুলনা

স্পেসিফিকেশন OnePlus 13s OnePlus 13R
ডিসপ্লে 6.32″ 1.5K ProXDR Display  6.78″ 120Hz AMOLED LTPO4.1
প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 8 Elite Qualcomm Snapdragon 8 Gen 3
RAM 12GB LPDDR5X RAM 16GB LPDDR5X RAM
স্টোরেজ 512GB UFS 4.0 Storage 512GB UFS 4.0 Storage
রেয়ার ক্যামেরা 50MP LYT700 + 50MP Telephoto 50MP LYT700 + 50MP Telephoto + 8MP Ultrawide
ফ্রন্ট ক্যামেরা 32MP Selfie Camera 16MP Selfie Camera
ব্যাটারি 5,850mAh Battery 6,000mAh Battery
চার্জিং 80W SUPERVOOC 80W SUPERVOOC

 

ডিসপ্লে

OnePlus 13s ফোনে 2640 x 1216 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.32-ইঞ্চির Full HD+ 1.5K ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। LTPO AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এই ম্পাক্ত ফ্ল্যাট ডিসপ্লে 1-120Hz ডায়নামিক রিফ্রেশ রেট, 1600nits ব্রাইটনেস এবং 460ppi পিক্সেল ডেনসিটি সাপোর্ট করে। এছাড়াও এই স্ক্রিনে আন্ডার ডিসপ্লে অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং কর্নিং গোরিলা গ্লাস প্রোটেকশন যোগ করা হয়েছে।

Oneplus 13R ফোনটির আসপেক্ট রেশিও 19.8:9 এবং এই ফোনে 2780×1264 পিক্সেল রেজোলিউশন সহ 6.78 ইঞ্চির Full HD+ ডিসপ্লে যোগ করা হয়েছে। এই LTPO4.1 স্ক্রিন AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এবং এই স্ক্রিন 120Hz ফ্লেক্সিবল রিফ্রেশ রেট ও 4500nits পীক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এছাড়াও এই স্ক্রিনে 450ppi পিক্সেল ডেনসিটি, 1–120Hz ডায়নামিক রিফ্রেশ রেট এবং Pro-XDR ফিচার রয়েছে। এছাড়াও এই স্ক্রিনে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং Gorilla Glass GG7i প্রোটেকশন দেওয়া হয়েছে।

পারফরমেন্স

OnePlus 13s 5G ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড 15 বেসড OxygenOS 15.0 কাস্টম স্কিনে কাজ করে। প্রসেসিঙের জন্য এই ফোনে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 8 প্রসেসর রয়েছে। 3nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি এই অক্টাকোর চিপে 3.53GHz ক্লক স্পীডযুক্ত হেক্সাকোর এবং 4.32GHz ক্লক স্পীডযুক্ত ডুয়েল কোর দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে সুন্দর গ্রাফিক্সের জন্য এই ফোনে Adreno 830 GPU যোগ করা হয়েছে।

OnePlus 13R 5G ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড 15 বেসড OxygenOS 15.0 কাস্টম স্কিন সহ পেশ করা হয়েছে। প্রসেসিঙের জন্য এই ফোনে Qualcomm Snapdragon 8 Gen 3 প্রসেসর দেওয়া হয়েছে। Kryo 980 আর্কিটেকচারে তৈরি এই প্রসেসর 2.27GHz থেকে 3.3GHz ক্লক স্পীডে রান করে। গ্রাফিক্সের জন্য এই ফোনে 903MHz ক্লক স্পীডযুক্ত Adreno 750 GPU যোগ করা হয়েছে।

আমাদের টীম এই দুটি ফোনের রিয়েল লাইফ পারফরমেন্স জানার জন্য বেশ কিছু টেস্ট করেছে এবং ফোনদুটির বেঞ্চমার্ক স্কোর বের করেছে। নিছে এই টেস্টের ফলাফল শেয়ার করা হল:

টেস্ট স্কোর OnePlus 13s OnePlus 13R
আনটুটু স্কোর 25,81,355 17,09,077
গীকবেঞ্চ মাল্টি-কোর 9,192 6,572
গীকবেঞ্চ সিঙ্গেল-কোর 3,059 2,210
বার্নআউট বেঞ্চমার্ক 36.3% 67.8%
পিসিমার্ক পারফরমেন্স স্কোর 15,237 15,317

 

স্টোরেজ

ভারতে OnePlus 13s ফোনটি 12GB RAM সহ লঞ্চ করা হয়েছে, একইভাবে OnePlus 13R ফোনটি 12GB এবং 16GB RAM অপশনে পেশ করা হয়েছে। 13s ফোনে 12GB RAM এর সঙ্গে 256GB ও 512GB স্টোরেজ রয়েছে। অন্যদিকে 13R ফোনের 12GB RAM মডেলে 256GB এবং 16GB RAM মডেলে 512GB ইন্টারনাল স্টোরেজ যোগ করা হয়েছে। এই দুটি ফোনেই LPDDR5X RAM এবং UFS 4.0 স্টোরেজ টেকনোলজি রয়েছে।

ক্যামেরা

OnePlus 13s 5G ফোনে ফটোগ্রাফির জন্য ডুয়েল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে। এই সেটআপে LED ফ্ল্যাশের সঙ্গে f/1.8 অ্যাপার্চার, 24mm ফোকাল লেন্থ ও OIS ফিচার সহ 50MP Sony LYT700 প্রাইমারি সেন্সর এবং f/2.0 অ্যাপার্চার ও 2x অপটিক্যাল জুম সাপোর্টেড 50MP টেলিফটো লেন্স যোগ করা হয়েছে। একইভাবে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এই ফোনে 32MP ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।

ফটোগ্রাফির জন্য OnePlus 13R ফোনে ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। এই সেটআপে LED ফ্ল্যাশ সহ ƒ/1.8 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP Sony LYT-700 OIS সেন্সরের সঙ্গে ƒ/2.0 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 50MP টেলিফটো লেন্স এবং 8MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স রয়েছে। এছাড়া সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য এই ফোনে EIS ফিচার সহ এবং f/2.4 অ্যাপার্চারযুক্ত 16MP ফ্রন্ট ক্যামেরা যোগ করা হয়েছে।

ব্যাটারি

পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য OnePlus 13s ফোনে 5,850mAh ব্যাটারি এবং OnePlus 13R ফোনে 6,000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ফোনই 80W ফাস্ট চার্জিং ফিচার সাপোর্ট করে। উভয় ফোনের ব্যাটারি পারফরমেন্স এবং চার্জিং স্পীড সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের টীম বেশ কিছু টেস্ট করেছে, নিচে এইসব টেস্টের ফলাফল জানানো হল:

ব্যাটারি টেস্ট OnePlus 13s OnePlus 13R
পিসিমার্ক ব্যাটারি স্কোর 16 ঘণ্টা, 34 মিনিট 14 ঘণ্টা, 42 মিনিট
20% থেকে 100% চার্জিং টাইম 42 মিনিট 47 মিনিট

 

The post OnePlus 13s নাকি OnePlus 13R? দেখে নিন কোন ফোনটি বেশি শক্তিশালী first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/know-the-difference-between-oneplus-13s-vs-oneplus-13r-price-specifications-design-performance-battery-in-bengali/feed/ 0
জেনে নিন Redmi Note 14 ফোনটি কেনার তিনটি এবং না কেনার দুটি কারণ https://www.91mobiles.com/bengali/3-reasons-to-buy-and-2-reasons-to-skip-redmi-note-14-read-details-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/3-reasons-to-buy-and-2-reasons-to-skip-redmi-note-14-read-details-in-bengali/#respond Fri, 20 Dec 2024 03:47:30 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=59433 Redmi Note 14 ফোনটির বিশেষত্ব এবং খামতি

The post জেনে নিন Redmi Note 14 ফোনটি কেনার তিনটি এবং না কেনার দুটি কারণ first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
সম্প্রতি ভারতের বাজারে Redmi Note 14 লঞ্চ করা হয়েছে। এই ফোনটির দাম শুরু হয় 18,999 টাকা থেকে। এই বাজেট রেঞ্জের ফোনে AMOLED ডিসপ্লে, দারুণ ক্যামেরা এবং সুন্দর ব্যাটারি লাইফ পাওয়া যায়। মিডিয়াটেক প্রসেসর সহ এই ফোনে স্মুথ পারফরমেন্স পাওয়া গেলেও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশন ও থার্মাল ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। এই পোস্টে Redmi Note 14 ফোনটি কেনার তিনটি এবং না কেনার দুটি কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

Redmi Note 14 ফোনটি কেনার কারণ

1. সুন্দর AMOLED ডিসপ্লে

Redmi Note 14 ফোনে 6.67-ইঞ্চির AMOLED ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এই স্ক্রিন 1.5K রেজোলিউশন, 120Hz রিফ্রেশ রেট, HDR10+ এবং ডলবি ভিশন সাপোর্ট করে। কর্নিং গোরিলা গ্লাস ভিক্টাস 2 প্রটেক্টেড এই স্ক্রিন 2,100nits ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এর ফলে এই স্ক্রিন যথেষ্ট মজবুতের পাশাপাশি ইনডোর ও আউটডোর উভয় স্থানে সমানভাবে ব্যাবহার করা যায়। একই সঙ্গে এতে নেটফ্লিক্স ও অন্যান্য ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দারুণভাবে উপভোগ করা যায়।

2. দারুণ ক্যামেরা সেটআপ

Redmi Note 14 ফোনে 50MP OIS প্রাইমারি সেন্সর, 8MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং 2MP ম্যাক্রো লেন্স সহ এই ফোনে ভার্সেটাইল ক্যামেরা সেটআপ পাওয়া যায়। প্রাইমারি ক্যামেরা ওয়ার্ম টোন ও সঠিক কালার সহ দারুণ ছবি তুলতে সক্ষম। বিশেষ করে পোর্ট্রেট ও লো লাইট ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে ফোনটি সত্যিই অতুলনীয়। ফোনটির 20MP ফ্রন্ট ক্যামেরা ন্যাচারাল স্কিন টোন সহ সুন্দর সেলফি তোলে।

3. ভালো ব্যাটারি ও ফাস্ট চার্জিং

Redmi Note 14 ফোনে 5110mAh ব্যাটারি রয়েছে এবং এই ব্যাটারি PCMark ব্যাটারি টেস্টে 19 ঘন্টা 21 মিনিট স্কোর পেয়েছে। ফাস্ট চার্জিং স্পীডের দৌলতে ফোনটি 20% থেকে 100% পর্যন্ত চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র 32 মিনিট।

Redmi Note 14 ফোনটি না কেনার কারণ

1. ব্লোটওয়্যার

Redmi Note 14 ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড 14 এবং HyperOS সহ পেশ করা হয়েছে। এই ফোনে 18টি থার্ড পার্টি অ্যাপ সহ 66টি প্রিইনস্টল অ্যাপ রয়েছে। এর ফলে ফোনের ইন্টারফেস কিছুটা অগোছালো হয়ে পড়ে। এর মধ্যে বেশিরভাগ অ্যাপ আনইনস্টল করা গেলেও যারা ক্লিন UI পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি বেশ বিরক্তিকর।

2. হীটিং সমস্যা

Redmi Note 14 ফোনটি মিডিয়াটেক ডায়মেনসিটি 7025 আলট্রা চিপসেট সহ সহজেই দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং সাধারণ গেমিং সামলাতে সক্ষম। তবে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ব্যাবহারের ক্ষেত্রে ফোনটি গরম হতে শুরু করে, ফলে ফোনটি iQOO Z9s এবং Realme 13 এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীগুলির চেয়ে পিছিয়ে পড়ে। বার্নআউট সিপিইউ থ্রটল টেস্টেও থার্মাল ম্যানেজমেন্টের দুর্বলতা ধরা পড়ে।

Redmi Note 14 ফোনে সুন্দর ডিসপ্লে, দারুণ ক্যামেরা এবং শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ পাওয়া যায়। যার ফলে ফোনটি সাধারণ ব্যাবহার এবং বিনোদন প্রেমীদের জন্য একটি দারুণ অপশন। তবে যাদের ক্লিন ইউজার ইন্টারফেস এবং হেভি গেমিং পছন্দ তাদের অন্য কোনো ভালো অপশন খোঁজা উচিৎ।

The post জেনে নিন Redmi Note 14 ফোনটি কেনার তিনটি এবং না কেনার দুটি কারণ first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/3-reasons-to-buy-and-2-reasons-to-skip-redmi-note-14-read-details-in-bengali/feed/ 0
Xiaomi 15 নাকি OnePlus 13? জেনে নিন কোন ফোনটি এগিয়ে https://www.91mobiles.com/bengali/xiaomi-15-vs-oneplus-13-comparison-of-specifications-and-price-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/xiaomi-15-vs-oneplus-13-comparison-of-specifications-and-price-in-bengali/#respond Wed, 04 Dec 2024 11:54:48 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=58969 Xiaomi 15 এবং OnePlus 13 ফোনের স্পেসিফিকেশনের তুলনা

The post Xiaomi 15 নাকি OnePlus 13? জেনে নিন কোন ফোনটি এগিয়ে first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
2024 সাল শেষ হওয়ার আগেই টেক জগতে একের পর এক দুর্দান্ত স্মার্টফোন লঞ্চ হয়ে চলেছে। স্মার্টফোন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং ফোনের পারফরমেন্স থেকে ব্যাটারির ক্ষমতা আরও যেন বেড়েই চলেছে। কিছু দিন আগে গ্লোবাল বাজারে Xiaomi 15 এবং OnePlus 13 স্মার্টফোন লঞ্চ হয়েছে। এই দুটি ফোনেই দুর্দান্ত স্পেসিফিকেশন রয়েছে এবং ফোনদুটিকে নতুন ফ্ল্যাগশিপ কিলার বলাই যায়। তবে প্রশ্ন উথতেই পারে দুটি ফোনের মধ্যে কোন ফোনটি কেনা উচিৎ? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যই এই পোস্টে দুটি ফোনের তুলনা করে দেখানো হল।

Xiaomi 15 vs OnePlus 13: ডিজাইন

Xiaomi 15 এবং OnePlus 13 দুটি ফোনেই Aluminiun body রয়েছে। তবে শাওমি ফোনটির ব্যাক শুধুমাত্র গ্লাস দিয়ে তৈরি হলেও ওয়ানপ্লাস ফোনটিতে গ্লাস ও লেদার উভয় অপশন পাওয়া যায়।

থিকনেসের দিক থেকে Xiaomi 15 ফোনটি বেশি স্লিক এবং স্লিম। এই ফোনের থিকনেস মাত্র 8.1mm। অন্যদিকে OnePlus 13 ফোনটির থিকনেস 8.5mm। ওজনের ক্ষেত্রেও শাওমি হালকা। Xiaomi 15 ফোনের ওজন 189 গ্রাম এবং OnePlus 13 ফোনের ওজন 213 গ্রাম।

জল ও ধুলো থেকে সুরক্ষার জন্য Xiaomi 15 ফোনে IP68 রেটিং দেওয়া হয়েছে এবং OnePlus 13 ফোনটিতে IP68/IP69 রেটিং রয়েছে।

Xiaomi 15 vs OnePlus 13: স্পেসিফিকেশন

স্পেসিফিকেশন Xiaomi 15 OnePlus 13
ডিসপ্লে 6.36″ 1.5K 120Hz OLED 6.82″ 2K+ 120Hz AMOLED
প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 8 Elite Qualcomm Snapdragon 8 Elite
অপারেটিং সিস্টেম HyperOS 2.0 + Android 15 OxygenOS 15 + Android 15
স্টোরেজ 24GB RAM + 1TB Storage 16GB RAM + 1TB Storage
রেয়ার ক্যামেরা 50MP + 50MP + 50MP 50MP + 50MP + 50MP
ফ্রন্ট ক্যামেরা 32MP Selfie 32MP Selfie
ব্যাটারি 5,400mAh Battery 6,000mAh Battery
চার্জিং 90W + 50W Wireless 100W + 50W Wireless
IP রেটিং IP68/69 IP69

 

ডিসপ্লে

Xiaomi 15 ফোনে 2670 × 1200 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.36-ইঞ্চির 1.5K ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। OLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এই স্ক্রিন 120Hz রিফ্রেশ রেট, 3200nits ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এতে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যোগ করা হয়েছে এবং এই স্ক্রিনের জন্য কোম্পানি কাস্টমাইজ M9 luminous ম্যাটেরিয়াল ব্যাবহার করেছে।

OnePlus 13 ফোনে 3168 × 1440 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্টেড 6.82-ইঞ্চির 2K+ ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এই স্ক্রিন AMOLED প্যানেল দিয়ে তৈরি এবং 120Hz রিফ্রেশ রেট, 4500nits পীক ব্রাইটনেস এবং 510PPI সাপোর্ট করে। এতে আলট্রা সনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে এবং এটি Crystal Shield super ceramic glass দিয়ে প্রোটেক্টেড।

রিফ্রেশ রেট, পিক্সেল ডেনসিটি এবং মজবুতির দিক থেকে OnePlus 13 ফোনটি Xiaomi 15 এর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

পারফরমেন্স

Xiaomi 15 ফোনটি Snapdragon 8 Elite প্রসেসর সহ বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন। OnePlus 13 ফোনেও এই একই প্রসেসর রয়েছে। জানিয়ে রাখি এই প্রসেসর 3nm ফেব্রিকেশন এবং 64bit আর্কিটেকচারে তৈরি এই Orion CPU 3.53GHz থেকে 4.32GHz ক্লক স্পীডে রান করতে সক্ষম। এই প্রসেসরের দৌলতে দুটি ফোনে 45% পর্যন্ত ভালো এবং স্মুথ পারফরমেন্স পাওয়া যাবে।

গ্রাফিক্সের জন্য OnePlus 13 এবং Xiaomi 15 উভয় ফোনে Adreno 830 GPU যোগ করা হয়েছে। এই দুটি ফোনই অ্যান্ড্রয়েড 15 অপারেটিং সিস্টেম সহ পেশ করা হয়েছে। Xiaomi ফোনটিতে হাইপারওএস 2.0 এবং OnePlus ফোনে অক্সিজেনওএস লেয়ারিং রয়েছে। এই ইউজার ইন্টারফেস দুটি ফোনের প্রসেসিঙের ক্ষেত্রে একমাত্র পার্থক্য।

স্টোরেজ

Xiaomi 15 ফোনটি 12GB ও 16GB RAM সহ পেশ করা হয়েছে এবং এতে 256GB, 512GB ও 1TB স্টোরেজ যোগ করা হয়েছে। অন্যদিকে OnePlus 13 ফোনটির 12GB ও 16GB এর পাশাপাশি 24GB RAM মডেলও পেশ করা হয়েছে এবং এই ফোনটি 256GB থেকে 1TB পর্যন্ত স্টোরেজ অপশনে সেল করা হয়।

উভয় স্মার্টফোনে LPDDR5X RAM এবং UFS 4.0 Storage টেকনোলজি দেওয়া হয়েছে। স্টোরেজ ক্যাপাসিটি এবং RAM সাইজের দিক থেকে OnePlus 13 ফোনটিই এই রাউন্ডেও জিতে গেছে। দুটি ফোনের বেস মডেল একই রকম হলেও টপ মডেলে 8GB RAM এর তফাৎ রয়েছে।

ক্যামেরা

Xiaomi 15 ফোনে ট্রিপল Leica ক্যামেরা যোগ করা হয়েছে। এই সেটআপে এফ/1.62 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP (LYT 900) OIS প্রাইমারি সেন্সর, এফ/2.2 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 50MP (Samsung S5KJN1) আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং এফ/2.0 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP (Samsung S5KJN5) টেলিফটো লেন্স দেওয়া হয়েছে। ফোনটির ফ্রন্ট প্যানেলে 32MP OmniVision OV32B40 সেলফি ক্যামেরা রয়েছে।

ফটোগ্রাফির জন্য OnePlus 13 ফোনে Hasselblad ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে। এতে এফ/1.6 অ্যাপার্চারযুক্ত 50MP Sony LYT-808 OIS প্রাইমারি সেন্সর, এফ/2.0 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 50MP Samsung JN1 আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং এফ/2.6 অ্যাপার্চারযুক্ত Sony LYT600 পেরিস্কোপ টেলিফটো লেন্স যোগ করা হয়েছে। সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য এই ফোনে এফ/2.4 অ্যাপার্চারের ক্ষমতাসম্পন্ন 32MP Sony IMX615 ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।

মেগাপিক্সেলের দিক থেকে দুটি ফোন প্রায় একইরকম। তবে জানিয়ে রাখি Xiaomi 15 ফোনে 60mm টেলিফটো ও 115˚ ওয়াইড অ্যাঙ্গেল থাকলেও OnePlus 13 ফোনে 70mm টেলিফটো ও 120˚ ওয়াইড অ্যাঙ্গেল রয়েছে। উভয় ফোনের রেয়ার ক্যামেরা 8K 30fps এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা 4K 60fps ভিডিও রেকর্ড করতে সক্ষম।

ব্যাটারি

Xiaomi 15 ফোনে পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য 90W ওয়্যার্ড এবং 50W ওয়্যারলেস ফাস্ট চার্জিং সাপোর্টেড 5,400mAh দেওয়া হয়েছে। এই ফোনে Surge G1 Battery Management Chip এবং Surge P3 ফাস্ট চার্জিং চিপ যোগ করা হয়েছে। এর সাহায্যে ফোনের ব্যাটারি হেল্থ সুরক্ষিত এবং মেনটেইন রাখা যাবে। একইসঙ্গে চার্জিঙের সময় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য এই ফোনে 100W SuperVOOC ফাস্ট চার্জিং সাপোর্টেড 6,000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই ফোনটি 50W ওয়্যারলেস চার্জিং এবং magnetic charging সাপোর্ট করে।

Xiaomi 15 vs OnePlus 13: দাম

Xiaomi 15 ফোনের দাম

  • 12GB RAM + 256GB Storage – 4499 ইউয়ান (প্রায় ₹52,970)
  • 12GB RAM + 512GB Storage – 4799 ইউয়ান (প্রায় ₹56,520)
  • 16GB RAM + 512GB Storage – 4999 ইউয়ান (প্রায় ₹58,880)
  • 16GB RAM + 1TB Storage – 5499 ইউয়ান (প্রায় ₹64,760)

OnePlus 13 ফোনের দাম

  • 12GB RAM + 256GB Storage – 4499 ইউয়ান (প্রায় ₹52,970)
  • 12GB RAM + 512GB Storage – 4899 ইউয়ান (প্রায় ₹57,890)
  • 16GB RAM + 512GB Storage – 5299 ইউয়ান (প্রায় ₹62,590)
  • 24GB RAM + 1TB Storage – 5999 ইউয়ান (প্রায় ₹70,850)

Xiaomi 15 এবং OnePlus 13 ফোনের প্রাথমিক দাম প্রায় একই রকম। উভয় ফোনের 12GB RAM এবং 256GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে 4499 ইউয়ান অর্থাৎ ভারতীয় কারেন্সি অনুযায়ী প্রায় 53 হাজার টাকার কাছাকাছি। তবে মডেল যত বড় হয়েছে OnePlus ফোনের দাম Xiaomi ফোনটির তুলনায় বেড়ে গেছে।

16GB RAM ও 512GB স্টোরেজ সহ Xiaomi 15 ফোনটির দাম OnePlus 13 ফোনের এই একই মডেলের চেয়ে 300 ইউয়ান অর্থাৎ প্রায় 3,500 টাকা কম। আবার 1TB স্টোরেজ মডেলের ক্ষেত্রে শাওমি ফোনে 16GB RAM থাকলেও 500 ইউয়ান অর্থাৎ প্রায় 5,890 টাকা বেশি খরচ করলে OnePlus 13 ফোনে 24GB RAM পাওয়া যাবে।

জানিয়ে রাখি উপরোক্ত সমস্ত তুলনা চীনে লঞ্চ হওয়া মডেলের স্পেসিফিকেশনের ভিত্তিতে করা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি দুটি ফোনই ভারতে আসতে চলেছে এবং ফোনদুটির ভারতীয় দামও আলাদা হতে পারে। চীনের বাজারে এই ফোনদুটির ডিটেইলস নিচে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করে দেখা যাবে।

Xiaomi 15 / OnePlus 13

The post Xiaomi 15 নাকি OnePlus 13? জেনে নিন কোন ফোনটি এগিয়ে first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/xiaomi-15-vs-oneplus-13-comparison-of-specifications-and-price-in-bengali/feed/ 0
Vivo V40e vs Nothing Phone (2a) Plus : ক্যামেরার তুলনা, জেনে নিন কোন ফোনটি বেস্ট https://www.91mobiles.com/bengali/vivo-v40e-vs-nothing-phone-2a-plus-camera-comparison-in-bengali/ https://www.91mobiles.com/bengali/vivo-v40e-vs-nothing-phone-2a-plus-camera-comparison-in-bengali/#respond Sun, 24 Nov 2024 06:43:43 +0000 https://www.91mobiles.com/bengali/?p=58432 Vivo V40e এবং Nothing Phone (2a) Plus ফোনের ক্যামেরার তুলনা

The post Vivo V40e vs Nothing Phone (2a) Plus : ক্যামেরার তুলনা, জেনে নিন কোন ফোনটি বেস্ট first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
বাজারে উপস্থিত Vivo V40e এবং Nothing Phone (2a) Plus ফোনদুটিতেই 50MP OIS প্রাইমারি সেন্সর এবং 50MP সেলফি ক্যামেরা রয়েছে। ফোনদুটির পারফরমেন্স এবং ব্যাটারিও মোটামুটি কাছাকাছি। আমরা এই পোস্টে দুটি ফোনের ক্যামেরার তুলনা করে দেখাইয়েছি। এর মধ্যে Vivo V40e ফোনটি দিনের আলোয় ফটো, সেলফি এবং কম আলোর মধ্যেও ভালো ছবি তুলতে পারে।

আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এই দুটি ফোনের আলাদা আলাদা ক্যামেরা মোডের টেস্ট করেছি। ফোনদুটির মাধ্যমে দিনের আলোয় ছবি, পোর্ট্রেট, সেলফি, আলট্রা ওয়াইড ফটোর পাশাপাশি কম আলোর মধ্যে নাইট মোড ডিসেবল করে এবং এনেবল করে ছবি তুলে দেখা হয়েছে। আমরা ছবির কালার অ্যাকিউরেসি, ডিটেইলস, শার্পনেস, স্কিন টোন এবং টেক্সচারের ওপর ভিত্তি করে বিচার করেছি। নিচে ফোনদুটির ক্যামেরার তুলনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

ডে-লাইট

Vivo V40e এবং Nothing Phone (2a) Plus উভয় ফোনে 50 মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা সেন্সর রয়েছে, ফলে দুটি ফোনে তোলা ছবির ডিটেইলস প্রায় একই রকম। পার্থক্য রয়েছে শুধুমাত্র হোয়াইট ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে, ভিভো ফোনটি এটি সুন্দরভাবে ম্যানেজ করতে পারে। Nothing Phone (2a) Plus ফোনের ক্যামেরা ছবিকে ওভারএক্সপোজ করে দেয়, ফলে ছবি ঝাপসা ও অস্পষ্ট দেখায়। সবদিক থেকে বিচার করলে এই রাউন্ডের বিজয়ী Vivo V40e।

বিজয়ী: Vivo V40e

আলট্রা ওয়াইড

Nothing Phone (2a) Plus ফোনে 50MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স রয়েছে এবং Vivo V40e ফোনটিতে মাত্র 8MP আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স যোগ করা হয়েছে। ছবিতেও এই তফাতের স্পষ্ট প্রভাব পড়ে। নাথিং ফোনে তোলা ছবি বেশি স্পষ্ট ও শার্প। তবে এক্ষেত্রেও কিছুটা ওভারএক্সপোজের সমস্যা রয়েছে, তবুও এই ফোনে তোলা ছবিতে ভিভো ফোনটির তুলনায় সাইদের দিকে স্মুথ কার্ভ এবং সুন্দর ডিটেইলস ধরা পড়ে।

বিজয়ী: Nothing Phone (2a) Plus

পোর্ট্রেট

পোর্ট্রেট শটে আউটপুট দেওয়ার জন্য দুটি ফোনই প্রাইমারি সেন্সর এবং সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করে। দুটি ফোনে তোলা পোর্ট্রেট ফটো পাশাপাশি রেখে তুলনা করলে কিছু তফাৎ তৎক্ষণাৎ চোখে পড়বে। Vivo V40e ফোনের পোর্ট্রেট ছবি বেশি ভালো দেখতে, এই ছবিতে বেশি উজ্জ্বল ও কন্ট্রাস্ট ধরা পড়ে। অন্যদিকে নাথিং ফোনটির পোর্ট্রেট মোড বেশি ব্যালেন্সড রং দিতে সক্ষম। এছাড়া দুটি ফোনের স্কিন টোনের ক্ষেত্রেও তফাৎ রয়েছে।

বিজয়ী: Nothing Phone (2a) Plus

সেলফি

Vivo V40e এবং Nothing Phone (2a) Plus উভয় ফোনে 50 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। এই দুটি ফোনের ক্যামেরায় তোলা সেলফির ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য রয়েছে। Vivo V40eফোনের রং কিছুটা হালকা, অপরদিকে Nothing Phone (2a) Plusফোনটির কালার বেশি ভালো। মুখের ডিটেইলসের ক্ষেত্রে ভিভো ফোনটি ভালো স্কিন টোন দেখায়, অপরদিকে নাথিং ফোনে তোলা ফটোয় স্কিন কিছুটা স্মুথ হয়ে যায়। Vivo V40e ফোনে তোলা সেলফির কালার বেশি বাস্তবিক দেখায়, তাই এই রাউন্ডেও এই ফোনটি জিতেছে।

বিজয়ী: Vivo V40e

লো লাইট

দুটি ফোনের লো লাইট ফটোগ্রাফি টেস্ট করার জন্য প্রথমে দুটি ফোনে নাইট মোড বন্ধ করে ছবি তোলা হয়েছে। নাইট মোড ছাড়া স্বাভাবিকভাবে ছবি তোলার ক্ষেত্রে ফোনের কিছুটা সমস্যা হয়। Nothing Phone (2a) Plus ফোনটি এক্ষেত্রে আবারও ওভারএক্সপোজের জন্য বিফল হয়েছে, এই ফোনে তোলা ছবির চারদিকে অত্যন্ত বেশি ঝাপসা ভাব রয়েছে। V40e ফোনে ব্যালেন্স এক্সপোজারের সঙ্গে ভালো রেজাল্ট পাওয়া গেছে। Vivo V40e ফোনটি বেশি ভালো আউটপুট দিয়ে এই রাউন্ডেও জিতে গেছে।

বিজয়ী: Vivo V40e

লো লাইট (নাইট মোড)

নাইট মোড অন করলে ছবির কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো হয়। Nothing Phone (2a) Plus ফোনের এক্সপোজার এক্ষেত্রে ব্যালেন্স হয়েছে। ভিভো ফোনটিতে হাই কন্ট্রাস্ট লেভেল এবং সুন্দর শাইনের সঙ্গে ভালো ছবি উঠেছে। তবে এই ফোনে আকাশের কালার আলাদা হয়ে যায়। ফলে ফটো বাস্তবিক লাগে না। ডিটেইলসের দিক থেকে দুটি ফোন প্রায় একই রকম, ফলে এই রাউন্ড টাই হয়েছে।

বিজয়ী: টাই

সিদ্ধান্ত

Vivo V40e ফোনের ক্যামেরা Nothing Phone (2a) Plus ফোনটির তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। ভিভো ফোনের ক্যামেরা দিনের আলোয়, সেলফি এবং কম আলোয় জিতে গেছে। যারা 30,000 টাকার চেয়ে কম বাজেটে একটি ভালো ক্যামেরা সহ স্মার্টফোন কিনতে চাইছেন তাদের জন্য Vivo V40e ফোনটি একটি সুন্দর অপশন।

The post Vivo V40e vs Nothing Phone (2a) Plus : ক্যামেরার তুলনা, জেনে নিন কোন ফোনটি বেস্ট first appeared on 91Mobiles Bengali.

]]>
https://www.91mobiles.com/bengali/vivo-v40e-vs-nothing-phone-2a-plus-camera-comparison-in-bengali/feed/ 0