ভারতে 5জি পরিষেবা সম্পর্কে নানা ধরনের সমালোচনা চলছে এবং এরই শুক্রবার মধ্যে DoT অর্থাৎ ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম দেশে 5জি টেস্টিঙের জন্য টেলিকম অপারেটর কোম্পানিগুলিকে স্পেকট্রাম অনুমোদন করে দিয়েছে। 5জি টেস্টিঙের জন্য জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া ও এমটিএনএল স্পেকট্রাম পেয়েছে। এবার এই কোম্পানিগুলি আরও বড় পরিসরে এই টেস্টিং শুরু করতে পারবে। টেলিকম অপারেটরদের 700 গিগাহার্টস ব্যান্ড, 3.3-3.6 গিগাহার্টস ব্যান্ড ছাড়াও 24.25-28.5 গিগাহার্টস ব্যান্ড দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্টন করা হয়েছে। স্পেকট্রাম বন্টনের পর আশা করা হচ্ছে দিল্লি, মুম্বাই, কোলকাতা, ব্যাঙ্গালুরু, গুজরাট, হায়দরাবাদ সহ বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য স্থানে এই পরীক্ষা করা হবে।
পারমিশন লেটারে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে টেলিকম কোম্পানিগুলিকে এই 5জি টেস্টিং শহর অঞ্চলের পাশাপাশি গ্ৰাম ও মফস্বল এলাকাতেওকরতে হবে যাতে শুধু শহরের বদলে গোটা দেশেই 5জি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। সবচেয়ে বড় কথা এই টেস্টিঙের বিষয়ে ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম কোনো চাইনিজ কোম্পানিকে পাত্তা দেয়নি এবং শুধুমাত্র রিলায়েন্স জিও, ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া এবং এমটিএনএল এতে যুক্ত হয়েছে।
এই ভারতীয় কোম্পানিগুলি ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে এরিকসন, নোকিয়া, স্যামসাং ও সি-ডট কোম্পানির 5জি টেকনোলজি টেস্টী অনুমতি পেয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল Reliance Jio Infocomm 5G পরীক্ষার জন্য তাদের নিজস্ব টেকনোলজি ব্যবহার করবে।
সরকার মনে করছে 5জি পরিষেবায় 4জির তুলনায় দশ গুণ বেশি ডাউনলোড স্পীড ও তিন গুণ বেশি স্পেকট্রাম এফিসিয়েন্সি পাওয়া যাবে। এই ট্রায়ালে টেলি মেডিসিন, টেলি এডুকেশন ও ড্রোন সহায়ক কৃষি পর্যবেক্ষণ পরিষেবায় ফোকাস করা হবে ফলে পুরোপুরি 5জি চালু হয়ে গেলে এইসব ক্ষেত্রে আরও উন্নতি করা যায়। এই পরীক্ষা ছয় মাস চলবে যার মধ্যে দুই মাস লাগবে বিভিন্ন উপকরণ কিনতে এবং সেগুলি ইনস্টল করতে।
আমাদের ফেসবুকে ফলো করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
